মাম্পস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় আছে, যার সাহায্যে আক্রান্ত ব্যক্তির কিছুটা হলেও আরাম হতে পারে। সেগুলো হলো:

  • বিশ্রাম: পুরোপুরি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকা লাগবে।
  • হাইড্রেট: প্রচুর তরল পান করা, বিশেষ করে পানি।
  • ওষুধ গ্রহণ করা: জ্বর ও ব্যথা কমাতে অ্যাসপিরিন ছাড়া ব্যথা উপশমকারী ওষুধ যেমন অ্যাসিটামিনোফেন (টাইলেনল) বা আইবুপ্রোফেন (অ্যাডভিল, মট্রিন আইবি) খাওয়া।
  • কম্প্রেস প্রয়োগ করা: ফোলা গ্রন্থিগুলোতে একটি ঠাণ্ডা বা উষ্ণ কম্প্রেস প্রয়োগ করা।
  • নরম খাবার খাওয়া: নরম খাবার খাওয়া, যেগুলো চিবানো সহজ। ফলের রসের মতো অ্যাসিডিক খাবার এড়িয়ে চলা। কারণ এ ধরনের খাবার প্যারোটিড গ্রন্থির ব্যথাকে আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • গড়গড়া করা: কুসুম গরম পানি লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করা।
  • নিজেকে আলাদা রাখা: লালাগ্রন্থি ফোলা শুরু হওয়ার অন্তত পাঁচদিন পর্যন্ত অন্যদের থেকে নিজেদের আলাদা রাখা।
  • বারবার হাত ধোয়া: একটু পর পর হাত ধোয়া। সাবান ও পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়া।
  • মুখ ঢেকে রাখা: হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় নিজের নাক ও মুখ টিস্যু দিয়ে ঢেকে রাখা।
  • গরম বা ঠাণ্ডা কাপড় দিয়ে গলা ঢেকে রাখা।
  • শিশুরা যাতে তাদের পানির বোতল অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার না করে সে বিষয়ে সতর্ক করা উচিত।
  • গরম দুধ, আদা চা খেতে হবে।
  • ফোলা ও ব্যথাপ্রবণ জায়গায় হরীতকী-অ্যালোভেরা, ডুমুর পাতা কিংবা শতমূলী পেস্ট ম্যাসাজ করুন।
  • লজেন্স চুষে খাওয়া। এতে লালাগ্রন্থির রস নির্গত হয়ে ফোলা ভাব দ্রুত কমে।
  • বেশির ভাগ লোকই ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া উচিত না।