দেশের পার্বত্য অঞ্চলগুলোয় ম্যালেরিযার প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। পার্বত্য তিন জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটির অবস্থা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। দেশের অন্যান্য জেলায় ম্যালেরিয়া রোগের তেমন ঝুঁকি নেই। সাধারণত বর্ষাকালে মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে মশাবাহিত রোগ থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ আক্রান্ত হওয়ার পর সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হলে নানা জটিলতা দেখা দেয়। এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও বাড়তে পারে। মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচার উপায়—

 ঘুমানোর সময় মশারি খাটিয়ে ঘুমাতে হবে।

 মশার কামড় থেকে বাঁচতে নানা ধরনের রিপেলেন্ট বা মশা তাড়ানোর পণ্য ব্যবহার করা। যেমন বিভিন্ন কয়েল, স্প্রে, ক্রিম জাতীয় পণ্য ব্যবহার করা। তবে এর মাত্রা ও প্রয়োগ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।

তবে এগুলো সবই মশাবাহিত কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগের সতর্কতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। কোনো ব্যক্তি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে কিছু লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যায়।

এ রোগের প্রধান লক্ষণ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা। জ্বর ১০৫-১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে।

তবে অনেক সময় জ্বর আসা-যাওয়া করে নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে, যেমন একদিন পরপর জ্বর এসে তা ৩-৪ ঘণ্টা দীর্ঘ হতে পারে। এরপর ঘাম দিয়ে জ্বর কমে যায়। ম্যালেরিয়াবাহী মশা মূলত সন্ধ্যা থেকে ভোরের মধ্যে কামড়ায়।