 শিশুর লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

 জন্ডিসে আক্রান্ত হতে পারে

 রক্তচাপ বাড়তে পারে

 পেটে তরল জমা হয়ে তা ফুলে যেতে পারে

 খাদ্যনালির আস্তরণ ফুলে যেতে পারে

 এটি নির্ণয় করতে বিশেষ পরীক্ষার প্রয়োজন হয়

 লিভারের ক্ষতি কমাতে যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচার করা জরুরি

 লিভার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়

অন্যান্য জটিলতার মধ্যে রয়েছে

শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয় : বুকের দুধে বা ফর্মুলা দুধে চর্বি থাকে। এটি হলে শিশু চর্বি হজম করতে পারে না। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক সময় শিশুকে বিশেষ ধরনের খাবার দেয়া হয়, যা সহজে হজম হয়। অনেক সময় ফিডিং টিউবের মাধ্যমে খাবার দেয়া হয়।

ভিটামিনের ঘাটতি: বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়ায় ভিটামিন এ, ডি, ই ও কের ঘাটতি হয়। আলাদা ওষুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরের এ ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়।

চুলকানি: লিভারের রোগের কারণে শিশুর খুব চুলকানি হতে পারে। জন্ডিস আক্রান্ত সব শিশুর এ সমস্যা হয় না, তবে এটি বেশ কষ্টকর হতে পারে। চুলকানি সারাতে শিশুর ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

শিশুরা কেন এ রোগে আক্রান্ত হয়, তার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে এটি নিয়ে গবেষণা চলছে। বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়ায় আক্রান্ত হলে সম্ভাব্য জটিলতাগুলো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। লক্ষণগুলো তাড়াতাড়ি শনাক্ত করা জরুরি। সার্জারির মাধ্যমে ভালো না হলে অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা জরুরি।