নেফ্রোটিক সিনড্রোমের চিকিৎসায় ডায়েট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডায়েটে এমন খাবার রাখা জরুরি, যেখানে সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। যে কারণে খাবারে লবণের পরিমাণ কমাতে হবে।

সয়াবিন তেল খাওয়া পরিহার করতে হবে। তবে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলে রান্না করা খাবার খেতে হবে। রেস্টুরেন্টের খাবার পরিহার করা জরুরি। প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। কারণ অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

ডায়েটে যা রাখা জরুরি

 চর্বিহীন মাংস

 শুকনা মটরশুঁটি, মসুর ডাল, মটর, সয়া

 সয়া পণ্য (নাট্টো, টেম্পেহ, তোফু)

 বাদাম

 তাজা বা হিমায়িত ফল (আপেল, ব্লুবেরি, নাশপাতি, আনারস, পিচ, স্ট্রবেরি)

 তাজা বা হিমায়িত সবজি (সবুজ মটরশুঁটি, লেটুস, শসা, অ্যাসপারাগাস)

 কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার

 ধান

 পুরো শস্যের রুটি ও পাস্তা

 কম সোডিয়ামজাতীয় স্ন্যাকস (বাদাম, পপকর্ন)

 কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাতীয় পণ্য

 হার্ট-স্বাস্থ্যকর তেল (জলপাই, ক্যানোলা, কুসুম)

 ভেষজ, মসলা, ভিনেগার, লেবুর রস

সময়মতো চিকিৎসা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস ছাড়া এ রোগে কিছু জটিলতা দেখা দেয়। যেমন

 রক্ত জমাট বাঁধা

 উচ্চ রক্তচাপ

 উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডস ও কোলেস্টেরল

 মেনিনজাইটিস ও নিউমোনিয়া

 কিডনির কারণে ক্ষতি হয় রেনাল অপ্রতুলতা

 অপুষ্টি হতে পারে