সাধারণত অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট ধুলাবালি, ফুলের পরাগ, গৃহপালিত পশুর লোম, কিছু খাবার বা ওষুধ শরীরে প্রবেশ করলে ইমিউন সিস্টেম সেটিকে ক্ষতিকর মনে করে প্রতিক্রিয়া দেখায়। ফলে হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো, ত্বকে র্যাশ বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দেয়।
আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় নাকের অ্যালার্জি (অ্যালার্জিক রাইনাইটিস), ত্বকের অ্যালার্জি (আটিকেরিয়া) ও একজিমা। অনেক ক্ষেত্রে খাবার বা ওষুধের প্রতিক্রিয়াও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
অ্যালার্জির সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো এর কারণ বা ট্রিগার শনাক্ত করে তা এড়িয়ে চলা। ঘরের ধুলাবালি কমানো, নিয়মিত বিছানার চাদর পরিষ্কার রাখা, ঠাণ্ডা ও ধোঁয়া থেকে দূরে থাকা এসব ছোট ছোট অভ্যাস বড় উপকার এনে দিতে পারে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ, নাকের স্প্রে বা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা দেয়া হয়। তবে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যালার্জিকে হালকাভাবে না নেয়া। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, আর অবহেলা করলে এটি দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে। সচেতনতা বাড়ান, সুস্থ থাকুন।
লেখক: জেনারেল ফিজিশিয়ান ও ডার্মাটোলজিস্ট
এমডি, মাদানী হসপিটাল লিমিটেড
ডিএমডি, ফরাজী হসপিটাল লিমিটেড বারিধারা










