স্তন ক্যান্সার সাধারণত নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষদেরও এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে। পুরুষদের স্তনের টিস্যু অল্প পরিমাণে থাকে, যা স্তন ক্যান্সারের বিকাশ ঘটাতে পারে। এটি বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে যেকোনো বয়সের পুরুষদের মধ্যে এটি হতে পারে। পুরুষ স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় করা হলে নিরাময় হতে পারে। নারীদের স্তন ক্যান্সার যেভাবে নির্ণয় করা হয়। পুরুষদেরও একই পদ্ধতিতে ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়। তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে সমস্যা হলো তাদের কিছুটা দেরিতে ধরা পড়ে। যার কারণে চিকিৎসা শুরু হতে সময় লাগে।

পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ার কারণগুলো কী কী?

শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলে স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন জিনগতভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অবস্থা যেমন ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম, লিভার সিরোসিস, হরমোনের ওষুধ খাওয়া, যা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ায় ইত্যাদি।

  • স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস।
  • নারীদের ক্ষেত্রে যেমন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের ক্ষেত্রেও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে!
  • স্থূলতা

লক্ষণ

  • স্তনের মধ্যে পিণ্ড/ফোলা/ভর, স্তনের পেছনে ইত্যাদি।
  • স্তনের অভ্যন্তরীণ নড়াচড়া (প্রত্যাহার)
  • স্তনবৃন্ত থেকে রক্তের দাগ বা কালো স্রাব
  • স্তনবৃন্ত-এরিওলা কমপ্লেক্স বা স্তনের ওপর ক্ষত, যা নিরাময় হয় না।
  • আন্ডারআর্ম বা ঘাড়ে বর্ধিত লিম্ফ নোড

স্তন ক্যান্সারের একটি কথা আছে, প্রাথমিক শনাক্তকরণ জীবন বাঁচায় এবং এটি পুরুষ এবং নারী উভয়ের জন্যই সত্য। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে তা নিরাময় করা যায়। তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ইতাদির মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমানো যায়।