দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরই মধ্যে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। এ অসহনীয় গরম থেকে স্বস্তি পেতে প্রাপ্তবয়স্করা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করলেও শিশু ও নবজাতকরা তাদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। তাই গরমের সময় তাদের বিভিন্ন রোগ-বালাই থেকে সুরক্ষিত রাখতে অভিভাবকদের বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে।
বছরের উষ্ণতম মাস এপ্রিল। গরমে ভাইরাস বেশি জন্মায়। এ সময় শিশুরা ডায়রিয়াসহ ভাইরাস জ্বর, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও নানা ধরনের চর্মরোগে আক্রান্ত হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এ সময় খাবারে অল্পতেই পচন ধরে। সে খাবার যখন কেউ খেয়ে ফেলে, তখন তার ডায়রিয়া হয়ে যায়। বিভিন্ন চর্মরোগও বেশি ছড়ায় এ সময়ে। কারণ এগুলো ছোঁয়াচে রোগ। গরমে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্যারাসাইটজনিত রোগ বাড়ে। কারণ তাপমাত্রার সঙ্গে এগুলোর সংক্রমণ বাড়ার একটি সম্পর্ক আছে। ভাইরাল ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার বাইরেও বাংলাদেশে এ সময় চিকেন পক্স বা জলবসন্ত, রুবেলা, মাম্পস, স্ক্যাবিস বা খোঁসপাচড়া ইত্যাদি ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
শিশু ও নবজাতকরা যাতে এ ধরনের রোগে আক্রান্ত না হয়, তাই বাবা-মায়েদের কিছু বিষয়ে এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
শিশুদের বেশি রোদে ঘরের বাইরে যেতে দেয়া উচিত নয়। তারা ঘরের বাইরে ঘুরে বেড়ালে খুব সহজেই হিটস্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেজন্য শিশুদের জন্য ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা করা যায়। কোনো কারণে বাইরে যেতে হলে তাদের সানস্ক্রিন ও সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা দেবে এমন পোশাক পরানো উচিত। সেই সঙ্গে তাদের ছাতার নিচে রাখতে হবে।
গরমকালে শিশু কী ধরনের পোশাক পরছে, সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় শিশুদের ঢিলেঢালা পাতলা সুতি কাপড় পরানো ও নবজাতকদের কাপড়ে মুড়িয়ে না রাখার পরামর্শ দেন এ চিকিৎসক। সবচেয়ে ভালো হয় সাদা কাপড় পরালে।
কারণ শিশুর শরীরে র্যাশ এড়াতে বা ঘামাচির কষ্ট লাঘব করতে এটা সহায়ক।









