ঢাকা শহরের বহু মানুষ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি। এ দুই রোগে জ্বর, গায়ে প্রচণ্ড ব্যথা, শরীরে ফুসকুড়ি বা র্যাশ হয়ে থাকে। খুব দুর্বল লাগে, মাথা ঘোরে, কারো কারো বমি হয়। রক্তচাপও কমে যেতে পারে। খাওয়ায় অরুচিও দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষকে নিয়ে সমস্যা বেশি হয়। না খেতে পারার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় রোগীদের যে ধরনের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় সেগুলো হলো—
১. জ্বর হলে শরীরে ক্যালরির চাহিদা বাড়ে। কারণ তখন বিপাক বেড়ে যায়, বেশি পুষ্টির দরকার হয়। তাই খাওয়া বন্ধ করে দিলে বিপদ বাড়বে। রুচি কমে গেলে এমন খাবার বেছে নেয়া জরুরি, যা অল্প খেলেও বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়।
২. ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও সবজি বেশি করে খেতে হবে। যেমন পেঁপে, কমলা, লেবু, জাম, মাল্টা, আমলকি, কাঁচামরিচ, পালংশাক, লালশাক, গাজর, মিষ্টিকুমড়া, করলা। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর থেকে টক্সিন বের করে।
৩. হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে। যেমন খিচুড়ি, ভাত-ডাল, ভাপা সবজি, স্যুপ, ওটস। এগুলো হজমে সহায়ক, দুর্বল শরীরে শক্তি জোগায়।
৪. পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন বিশুদ্ধ পানি, ডাবের পানি, ইলেকট্রোলাইট দ্রবণ (ওআরএস), স্যুপ, লেবু পানি। এ ধরনের খাবার ডিহাইড্রেশন রোধ করে, জ্বরের সময় শরীর ঠাণ্ডা রাখে।
৫. প্রোটিনসমৃদ্ধ হালকা খাবার। যেমন ডিম সেদ্ধ, মাছের ঝোল, মুরগির স্যুপ, ডাল এগুলো দুর্বলতা কাটায় ও ক্ষয়পূরণ করে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে:
অতিরিক্ত তেল-ঝাল, ভাজা-পোড়া খাবার
ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার
ঠাণ্ডাপানীয় বা বরফ দেয়া জিনিস
ক্যাফেইন জাতীয় পানীয়। যেমন—চা, কফি










