ভাইরাল জ্বরের কারণে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। সে সময় অতিরিক্ত ঘামার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তাই এ ধরনের জ্বরে আক্রান্ত হলে বেশি পরিমাণে পানি খেতে হবে। এছাড়া তরলজাতীয় বিভিন্ন খাবার বা জুস খাওয়া যেতে পারে। যেমন বিভিন্ন ফলের জুস বা স্যুপ।

এ ধরনের জ্বর হলে শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যার কারণে বিশ্রামের দরকার পড়ে। যতটা সম্ভব শারীরিক কার্যকলাপ এড়িয়ে চলতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো উচতি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে।

শরীর ঠাণ্ডা রাখা জরুরি। একটু পর পর গা মুছে দেয়া। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা। আরামদায়ক জমাকাপড় পরা। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন ঘরে থাকা।

জ্বর কমানোর ওষুধ খাওয়ার আগে নিচের তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি:

 শিশুদের কখনো অ্যাসপিরিন দেবেন না। এটি রেস সিনড্রোমের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। যার ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 প্রস্তুতকারকের সুপারিশের চেয়ে বেশি গ্রহণ করা যাবে না। এর ফলে পেটে রক্তপাত, লিভারের ক্ষতি বা কিডনির সমস্যা হতে পারে।

 চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে এ ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।