১৯২৭ সালে কার্তিয়ের আর্ট ডেকো ব্রেসলেট তৈরি করে। সংবেদনশীল বার্মিজ ক্যাবোচন নীলকান্তমণির ব্রেসলেটটির ওজন ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ ক্যারেট। ব্রেসলেটটি ৮ দশমিক ৬০ ও ৯ দশমিক ২৭ ক্যারেট ওজনের দুটি নাশপাতি আকৃতির হীরা দ্বারা সজ্জিত
প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ নিজের সৌন্দর্য নিয়ে বেশ সচেতন। সাজতে, সাজাতে ভালোবাসে সবাই। তাই নিজেকে সাজিয়ে তুলতে প্রচেষ্টার অন্ত থাকে না। আর সাজগোজের কথা উঠলে প্রথমেই আসে অলংকারের কথা। সাজিয়ে তোলার ক্ষেত্রে অলংকার অনেক বড় দায়িত্ব পালন করে। দুনিয়াজুড়ে বিভিন্ন সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যবাহী গহনার প্রবল চাহিদা রয়েছে। এর পেছনে রয়েছে গহনার নকশা ও শৈলীর আভিজাত্য। কোটি কোটি টাকা খরচ করে মানুষ অভিনব শৈলীর নান্দনিক গহনা সংগ্রহে রাখে। আমাদের আজকের আয়োজন বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় গহনাগুলো নিয়ে। সে সময়ের দুর্দান্ত কয়েকটি গহনা নিউইয়র্ক থেকে প্যারিস ও সাংহাই পর্যন্ত আলোড়ন তুলেছিল। এর মধ্যে রয়েছে ১৯২০-এর দশকের অত্যাশ্চর্য নকশার নীলকান্তমণির একটি ব্রেসলেট।
আর্ট ডেকোর টুকরোগুলো এখন পর্যন্ত ঐতিহাসিক হয়ে আছে। ফলে বিশ শতক গহনা তৈরির স্বর্ণযুগ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড কার্তিয়ের, ভ্যান ক্লিফ অ্যান্ড আর্পেলস, দ্য কিং অব ডায়মন্ডস ব্র্যান্ড মিলে এশিয়ান-আমেরিকান গুরুত্বপূর্ণ গহনাগুলো তৈরি করে। এ গ্রুপটির নেতৃত্বে ১৯২৭ সালে কার্তিয়ের আর্ট ডেকো ব্রেসলেট তৈরি করে। সংবেদনশীল বার্মিজ ক্যাবোচন নীলকান্তমণির ব্রেসলেটটির ওজন ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ ক্যারেট। ব্রেসলেটটি ৮ দশমিক ৬০ ও ৯ দশমিক ২৭ ক্যারেট ওজনের দুটি নাশপাতি আকৃতির ডি কালার হীরা দ্বারা সজ্জিত।
১৯২০-এর দশকের গ্ল্যামার
প্রতীকী নকশা, অ্যাভেন্ট-গার্ড ম্যাটারিয়াল ও গ্ল্যামারে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে খ্যাতির ছাপ রেখেছে ১৯২০ থেকে ১৯৩০-এর দশকে তৈরি গহনাগুলো। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৩০-এর দশকে তৈরি করা ব্যাংকার স্যার জন স্মিথ ও তার স্ত্রীর কার্তিয়ের ব্র্যান্ডের একটি হীরার টায়রা। আরো আছে ১৯২৯ সালের অত্যাশ্চর্য হীরা ও রক ক্রিস্টালের নেকলেস। এছাড়া ১৯২৭ সালের চমত্কার পান্না ও হীরার মিশ্রণে তৈরি দুল রয়েছে। এ দুল তৈরিতে কলম্বিয়ার ক্যাবোচন পান্না ব্যবহার করা হয়। কার্তিয়ের ব্র্যান্ড সম্পর্কে হ্যান্স নাদেলহফার রচিত ‘সেমিনাল ১৯৮৪’ বইয়ে এ গহনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা এসেছে।
দুঃসাহসিক সুন্দরের দশক ১৯৭০
জুয়েলারির দুনিয়ায় ১৯৭০-এর দশক দুঃসাহসিক সুন্দরের দশক হিসেবে পরিচিত। কলম্বিয়ান পান্না ও হীরা খচিত হ্যারি উইনস্টনের কানের দুল জোড়া এ দশকের দুঃসাহসিক সুন্দর রত্নগুলোর মধ্যে অন্যতম। কানের দুলগুলোয় ১১ দশমিক ৩৩ ও ১১ দশমিক ৯৪ ক্যারেট ওজনের ঝোলানো ক্যাবোচন পান্না এবং ২১ দশমিক ৬৪ ও ২২ দশমিক ২৯ ক্যারেট ওজনের পানির ফোঁটার মতো পান্না যুক্ত করা আছে।
এছাড়া রয়েছে সবচেয়ে জনপ্রিয় কলম্বিয়ার পান্না ও হীরা দিয়ে তৈরি কার্তিয়ের নেকলেস। ১৯৭০-এর দশকে বুলগারির নীলকান্তমণি ও হীরার তৈরি নেকলেসটি নকশা ও শৈলীতে এক কথায় অনন্য। নেকলেসটি আগে আমেরিকান অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর সং??





