গহনা থেকে শুরু করে জুতা পর্যন্ত পরিধেয় অনেক জিনিসেই স্বর্ণের ব্যবহারের কথা হয়তো আমরা শুনেছি। স্বর্ণের কাঠামোর তৈরি মোবাইলও হয়তো অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু এবার সবকিছু ছাপিয়ে কম্পিউটার কিবোর্ড পর্যন্ত পৌঁছে গেছে স্বর্ণ। যদিও বিশেষ কিছু কিবোর্ডের কন্টাক্ট এরিয়ায় স্বর্ণ ছাড়াও বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আস্ত একটা কম্পিউটার কিবোর্ডই স্বর্ণের! সেটাও আবার গেমিং কিবোর্ড! বিশ্বের নামকরা একটি ব্র্যান্ড স্বর্ণের এ কিবোর্ড তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
নতুন বছরে তাইওয়ানিজ ব্র্যান্ড অ্যাডাটা একটি এক্সপিজি সামনার সংস্করণ গেমিং কিবোর্ড প্রদর্শন করেছে। কিবোর্ডটি ২৪ ক্যারেট স্বর্ণে আবৃত। স্বর্ণ দিয়ে তৈরি করা হলেও অনেকেই কিবোর্ডটি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, এটি অদ্ভুত পণ্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই এটাকে কুিসত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
টেক-বিষয়ক ওয়েবসাইট টমস হার্ডওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোনা আচ্ছাদিত
কিবোর্ডটি বর্তমানে বিক্রয়ের জন্য নয় (ধন্যবাদ)। এটা কোম্পানির অংশীদার কর্তৃক ভিআইপিদের জন্য উপহার দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে টেক কয়েকটি ওয়েবসাইট বলছে, কোম্পানিটি স্বর্ণের কিবোর্ডটি থাই রাজপরিবারের একজন সদস্যকে উপহার দেয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
যান্ত্রিকভাবে কিবোর্ডটি এক্সপিজি সামনার কিবোর্ডের পরিবারের সদস্য। আরজিবি ব্যাকলাইটিং, মিডিয়া কন্ট্রোল বোতাম ও মাউস সংযুক্ত করার জন্য একটি ইউএসবি পোর্টসহ কিবোর্ডটিতে ১০৪টি কি রয়েছে। কিবোর্ডের বেসসহ কি-ক্যাপগুলো ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্লেটযুক্ত। এমনকি হাতের কব্জিকে বিশ্রাম দিতে নিচের দিকে স্বর্ণের বিশেষ নকশায় কিবোর্ডটি শেষ করা হয়েছে।
অ্যাডাটার এক প্রতিনিধি টমস হার্ডওয়্যারকে বলেছেন, স্বর্ণের কিবোর্ডটি তৈরি করতে ২ হাজার ৫০০ ডলারের মতো খরচ হয়েছে। তবে সংস্থাটি যদি এমন কিবোর্ড বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটির দাম ধরা হবে প্রায় ১০ হাজার ডলার। যদিও এখন পর্যন্ত সেটি বিক্রির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশী টাকায় কিবোর্ডটির দাম প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার। অথচ এ পরিমাণ টাকা দিয়ে ওই কিবোর্ডটির সাধারণ সংস্করণ কেনা যাবে ১০টি। তবুও বলা হয়, শখের দাম লাখ টাকা। এমন অনেকেই আছেন, যারা শখ করে এ কিবোর্ড কেনার আশা করতে পারেন।
সূত্র: লাক্সারি লঞ্চেস





