ফ্রিজের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বড় হচ্ছে এর বাজারও। ঈদুল আজহার আগে আগে ক্রেতাদের বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতিও নিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান। সেসব নানা দিক নিয়েই বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন আরএফএল ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার প্রকৌশলী মো. নুর আলম
বর্তমানে বাজারে থাকা ফ্রিজগুলো কতটা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী?
বাজারে এখন
অনেক ব্র্যান্ডের,
অনেক ধরনের
ফ্রিজ রয়েছে।
সেগুলোর মধ্যে
ভিশন ফ্রিজ
একটি। আরএফএল
ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের
ফ্রিজটি ৬০
শতাংশ বিদ্যুৎ
সাশ্রয়ী ও
পরিবেশবান্ধব।
ফ্রিজের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে,
বর্তমান চাহিদা পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দিন।
বর্তমানে দেশে
ফ্রিজের বাজার
কত বড়?
বাংলাদেশে ফ্রিজের
চাহিদা বর্তমানে
অনেক বাড়ছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে
বাংলাদেশে ফ্রিজের
বার্ষিক চাহিদা
২৫-৩০
লাখ ইউনিট।
নিয়মিত ফ্রিজ
সার্ভিসিংয়ের বিষয়ে
ব্যবহারকারীর সচেতনতা কতটুকু জরুরি?
যেকোনো কিছুই
সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ
করলে সেটা
আরো বেশি
টেকসই হয়।
একই বক্তব্য
ফ্রিজের ক্ষেত্রেও।
নিয়ম মেনে
রক্ষণাবেক্ষণ করলে
ফ্রিজ আরো
বেশি দীর্ঘস্থায়ী
হয়। রক্ষণাবেক্ষণ
সম্পর্কে ধারণা
দিতে আমরা
আমাদের ব্যবহারকারীদের
জন্য নিয়মিত
ভিডিও টিউটোরিয়াল
বানাচ্ছি। এসব
ভিডিওতে রক্ষণাবেক্ষণের
কিছু সহজ
সহজ প্রক্রিয়া
আমরা তাদের
দেখিয়ে দিচ্ছি।
তাহলে তারা
নিজেরাই ফ্রিজের
যত্ন নিতে
পারবেন।
বর্তমান বাজারে থাকা ফ্রিজগুলো কতদিন ব্যবহারের উপযোগী?
এখন বাজারে
যেসব ফ্রিজ
রয়েছে সেগুলোর
মধ্যে যেগুলোর
চাহিদা রয়েছে
সেগুলো ১৫-২০
বছর ব্যবহারের
উপযোগী।
প্রস্তাবিত বাজেটে রেফ্রিজারেটর ও
ফ্রিজার উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ভ্যাটের হার ৫
শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়া
হয়েছে আবার
ফ্রিজ তৈরির
উপকরণ ও
যন্ত্রাংশ আমদানি এবং স্থানীয় ক্রয়ের ক্ষেত্রে করছাড় সুবিধা ২০২৩ সালের
৩০ জুন
পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া
হয়েছে। এর
প্রভাব নিয়ে
কোনো মতামত
আছে?
যেহেতু আমরা
স্থানীয় প্রস্তুতকারক,
আমাদের এখানে
প্রচুর পরিমাণে
কাজের ক্ষেত্র
তৈরি হচ্ছে
এবং আমরা
দেশের ভেতরে
ভারী যন্ত্রপাতিতে
অনেক বড়
পরিমাণে বিনিয়োগ
করছি। আশা
করি সরকার
বিষয়টা বিবেচনায়
রাখবে এবং
ব্যবসা পরিচালনার
জন্য কিছু
নমনীয় নিয়মনীতি
চালু করবে।
দেশের বাজারে ফ্রিজ শিল্পের সম্ভাবনা কেমন?
শহুরে ব্যস্ত
জীবনে ফ্রিজের
চাহিদা ক্রমাগত
বাড়ছে। ব্যস্ত
জীবনকে অনেকটাই
সহজ করে
দিয়েছে এ
পণ্য। দেশে
প্রতি বছরই
ফ্রিজের চাহিদা
১২-১৫
শতাংশ ক্রমবর্ধমান
হারে বাড়ছে।
ভালো ফ্রিজ
বাছাইয়ে গ্রাহকদের কী পরামর্শ দেবেন? ফ্রিজে বাংলাদেশের বাজারে থাকা টেকসই
ব্র্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে
চাই।
ক্রেতাদের উদ্দেশে
আমি বলতে
চাই, শুধু
আকর্ষণীয় রঙ
আর ডিজাইন
দেখে ভুলবেন
না। গ্রাহকদের
অবশ্যই পণ্যটি
কেনার আগে
ভালো কুলিং
ব্যবস্থা, উন্নত
মানের কম্প্রেসর,
কপার কনডেন্সার,
পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট
ইত্যাদি ফিচার
নিশ্চিত করতে
হবে। তাহলে
ভালো মানের
পণ্য কেনা
নিশ্চিত করতে
পারবেন।
তাছাড়া এ
বাজারে টিকে
থাকার জন্য
কোম্পানিগুলোকেও গ্রাহকদের
সন্তুষ্টি নিশ্চিত
করতে হবে।
গ্রাহকদের জন্য
সবচেয়ে ভালো
মানের বিক্রি-পরবর্তী
সেবা দিলেই
তারা তা
পারবেন।
কভিড-১৯
ও ইউক্রেন যুদ্ধ এ
শিল্পে কেমন
প্রভাব ফেলেছে?
বিশ্বের সবকিছুর
ওপরই প্রভাব
ফেলেছে এ
দুটি ঘটনা।
এ শিল্পও
তার বাইরে
নয়। কভিড-১৯
ও ইউক্রেন
যুদ্ধের কারণে
সবচেয়ে বড়
যে সমস্যা
হয়েছে সেটা
হলো উপাদানের
দাম বেড়েছে
অনেক পরিমাণে।
ঈদুল আজহার
আগে ফ্রিজের চাহিদা বেড়ে
যায়। এক্ষেত্রে আপনাদের প্রস্তুতি কেমন?
আমরা যথেষ্ট
পরিমাণে প্রস্তুতি
নিয়েছি। এরই
মধ্যে আমরা
উৎপাদন সক্ষমতা
বাড়িয়েছি, বাজারে
এনেছি নতুন
নতুন মডেল
ও প্যাটার্নের
পণ্য। আশা
করি গ্রাহকদের
চাহিদা অনুযায়ী
পণ্য সরবরাহে
আমরা সক্ষম
হব।
ক্রেতাদের কী
কী সুবিধা থাকছে?
ক্রেতাদের নজর আমাদের দিকে টানার জন্য আমরা নানা অফার নিয়ে এসেছি। এর মধ্যে ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় কিছু উপহার, মূল্যছাড় সুবিধা, ইএমআই, হায়ার পারচেজ, হোম ডেলিভারি, ১০ বছরের কম্প্রেসর রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি ইত্যাদি সুবিধা রয়েছে।





