সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা

 

ক্যাশবিহীন ও নিরাপদ: এ পরিষেবায় অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকরা মুক্তি পাচ্ছেন ক্যাশ নিয়ে ঘোরার ঝামেলা থেকে। ফলে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন যেকোনো অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে।

ডিজিটাল পেমেন্ট: ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহকরা কিউআর কোড ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে পেমেন্ট করার সুবিধা পাবেন।

রিভলভিং ক্রেডিট: কিছু ক্রয় করতে গিয়ে গ্রাহককে থমকে যেতে হবে না। এ পরিষেবায় সবসময়ই থাকবে ক্রেডিট।

ক্রয়ক্ষমতা: এই পরিষেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা পেতে পারেন বাড়তি ক্রয়ক্ষমতা।

সুদ থেকে মুক্তি: নির্ধারিত দিনের আগে গ্রাহক সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ করে ক্রেডিট কার্ডের কেনাকাটায় সুদমুক্ত থাকতে পারবেন।

বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার: এ পরিষেবার মাধ্যমে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ব্যুফে অফার রয়েছে দেশের সব প্রথম সারির রেস্টুরেন্টে।

সময়: কার্ডধারী কোনো রকম বাড়তি সুদ ব্যতিরেকে বকেয়া পরিশোধের জন্য ৪৫ দিন সময় পাবেন।

ইএমআই (ইকুয়াল মান্থলি ইনস্টলমেন্ট): কার্ডধারী কোনো বড় আকারের ক্রয় করলে, সে বকেয়া পরবর্তী সময়ে মাসিক কিস্তির ভিত্তিতেও পরিশোধের সুযোগ থাকবে। সিটি ব্যাংকে সুদবিহীন মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুবিধাও রয়েছে।

অটো ডেবিট: ক্রেডিট কার্ডে পেমেন্টের জন্য অটো ডেবিট সবচেয়ে সুবিধাজনক। এর মাধ্যমে কার্ডহোল্ডার ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে বিল পরিশোধ করতে যেকোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টকে যুক্ত করতে পারেন। 

বিল ও টিউশন ফি পেমেন্ট: কার্ডধারী তার ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসের বিভিন্ন বিল ও টিউশন ফি পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। 

সাবস্ক্রিপশন ফি: ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিনোদন পরিষেবা, জার্নাল ও সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশনের ফি পরিশোধের সুযোগ থাকবে কার্ডধারীর জন্য।

এমএফএস: ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীর জন্য দারুণ এক পরিষেবা হলো বিভিন্ন এমএফএস ওয়ালেটে মানি অ্যাড করার সুযোগ।

কার্ড চেক: বাসা ভাড়া দেওয়ার মতো কিছু ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, সেসব ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে চেক ইস্যু তরে নিতে পারবেন কার্ড ব্যাবহারকারীরা।

বি১জি১ অফার: এ পরিষেবার মধ্যেই বাই ওয়ান, গেট ওয়ান ব্যুফে অফার রয়েছে দেশের প্রথম সারির রেস্টুরেন্টে।

লয়ালটি: ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে হওয়া প্রতিটি লেনদেনে যুক্ত হবে রিওয়ার্ড পয়েন্ট । পয়েন্টগুলো পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটা, ফি  ও চার্জ পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে অনায়াসে। 

লাউঞ্জ অ্যাকসেস: নির্ধারিত কিছু কার্ডধারীর জন্য থাকবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে অ্যাকসেস সুবিধা।

সেভিংস ও ক্যাশব্যাক: কার্ডের গ্রাহকরা নির্দিষ্ট আউটলেটে কেনাকাটা করে বছরব্যাপী সেভিংস ও ক্যাশব্যাক সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

 

রমজান ও ঈদুল ফিতরের জন্য যেসব অফার দিচ্ছে সিটি ব্যাংক

 

১. রিটেইল পার্টনার্স

     ক. লাইফস্টাইল পার্টনার্স: ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে তিন শতাধিক পার্টনার 

   খ. জুয়েলারি পার্টনার্স: ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে পঞ্চাশের অধিক পার্টনার

 

২. ডাইনিং

     ক. ডাইনিং সেভিংস পার্টনার্স: শতাধিক পার্টনার ছাড় দিচ্ছে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত

     খ. কমপ্লিমেন্টরি কম্পেনিয়ন ব্যুফে: ত্রিশের অধিক পার্টনার ইফতার ও ডিনার দিচ্ছে এ অফার

 

৩. ট্রাভেল: উড়োজাহাজের টিকিট ও হোটেল ভাড়া

     ক. দশের অধিক পার্টনার দিচ্ছে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

 

৪. অনলাইন

     ক. লাইফস্টাইল পার্টনার্স: ত্রিশের বেশি পার্টনার দিচ্ছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

     খ. গ্রোসারি ও ফুড ডেলিভারি: পাঁচের বেশি পার্টনার দিচ্ছে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

     গ. ডোনেশন: ১৫ পার্টনার দিচ্ছে ডোনেশন সুবিধা

 

৫. ফ্লেক্সিবাই পার্টনার্স: (কিস্তিতে পরিশোধ)

     ক. দেড় হাজারের বেশি ফ্লেক্সিবাই পার্টনার্স

 

৬.        কাস্টমার ক্যাম্পেইন: রমজানজুড়ে আরো বিভিন্ন পরিষেবায় যুক্ত করা হবে গ্রাহকদের। খরচের উপর ভিত্তি করে গ্রাহকরা পাবেন আকর্ষণীয় সব গিফট ভাউচার।