সুমাইয়া আক্তার, চুয়াডাঙ্গার এক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নিজেই অনলাইন ভিত্তিক একটি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। পেমেন্ট গ্রহণে অসুবিধার কারণে তাঁর তৈরি করা পণ্যের বেশ চাহিদা থাকলেও সারাদেশের মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারছিলেন না। তবে এখন আর তাকে পেমেন্ট নিয়ে চিন্তা করতে হয়না, ফলে তাঁর তৈরি পণ্য পৌঁছে যাচ্ছে সারাদেশের মানুষের কাছে। পণ্যের অর্ডার নিয়ে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারছেন। সহজেই পেমেন্ট নিতে পারার এই সুবিধা সুমাইয়ার ব্যবসা যেমন বড় করতে সাহায্য করছে, তেমনি তাঁর লেনদেনের হিসাব করেছে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
লালমনিরহাটের আরেকজন ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান। কালীগঞ্জ উপজেলা বাজারের একটি দোকানে সব ধরনের পোশাক বিক্রি করেন তিনি। তার দোকানে মানুষ কেনাকাটা করে বিকাশে পেমেন্ট করেন।
আনিসুর বলেন, “এখন আমাদের এই ছোট্ট বাজারেও মানুষও ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিছু কিছু পেমেন্ট করছে। প্রথম প্রথম খুব বেশি মানুষ বিকাশ এ পেমেন্ট করতে আগ্রহী ছিলো না। ভাংতি টাকা না থাকলে, আবার টাকা কম থাকলে বিকাশে টাকা এনে তাঁরা পেমেন্ট করে। আর আমি এখন মোবাইলেই ঢাকায় পাইকারকে মালের অর্ডার দিয়ে দেই। টাকা বিকাশে পাঠাই, পাইকার মাল পাঠায় দেয়। এই পেমেন্ট আমার ঝামেলা অনেক কমিয়ে দিয়েছে।
ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকায় একটা হোটেল চালান আব্দুস সালাম। তিনি বিকাশের মার্চেন্ট সেবা নিচ্ছেন। সালাম বলেন ‘যারা দল বেঁধে দূর থেকে এইখানে বেড়াতে আসবে তাঁরা আগে থেকেই বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দেন। আমি অগ্রীম পেয়ে নিশ্চিন্তে তাঁদের জন্য খাবার বানিয়ে রাখি। বিকাশ পেমেন্টে যারা বেড়াতে আসে তাদের সুবিধা যেমন হইছে আমারও তেমন সুবিধা হইছে।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সুমাইয়া, আনিসুর, সালামদের মতো ৬ লাখ মার্চেন্টের ব্যবসাকে সহজ করে দিয়েছে বিকাশ পেমেন্ট। এসব মার্চেন্টরা বিকাশ অ্যাপে কিউআর কোড, ইউএসএসডি বা পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করছেন। খুচরা টাকার ঝামেলা এড়িয়ে ছোট থেকে বড়, যেকোনো অংকের পেমেন্ট তাদের ব্যবসায় সুবিধা এনে দিয়েছে। তাদের মতে, বিকাশের মতো ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবসায়িক লেনদেনকে সহজ করে দিয়েছে কয়েকগুণ।
কিউআর কোড, পেমেন্ট গেটওয়ে, পার্সোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট, ইউএসএসডি পেমেন্ট, ভয়েস নোটিফিকেশন সহ অসংখ্য সুবিধার কারণে সারাদেশের প্রায় সবশ্রেণীর উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিকাশ মার্চেন্ট
অ্যাকাউন্টের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পাশপাশি গ্রাহকদের ডিজিটাল পেমেন্টের সুযোগও বাড়ছে।





