গত কয়েক বছরের চেয়ে এবারের ঈদ জেমিমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি পাওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম ঈদ। তাই স্বপ্নটাও একটু বড়। বাবার জন্য ফতুয়া, মায়ের শাড়ি, ছোট ভাইয়ের শার্ট, বড় আপুর জামা আরও কতো কিছুই না কেনার পরিকল্পনা। অনলাইনে ঘুরে ঘুরে পছন্দের সব জামা-জুতা, প্রসাধনসামগ্রী অর্ডার দিলেন, পেয়েও গেলেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। পেমেন্ট নিয়েও ভাবতে হয়নি। হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট বিকাশ থেকেই পেমেন্ট করেন জেমিমা, সঙ্গে পান ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। রোজার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই তাঁর ঈদের কেনাকাটা শেষ। এখন মনের আনন্দে বাড়ি যাওয়ার দিন গুনছেন জেমিমা।
জেমিমার মতো অসংখ্য গ্রাহক এখন ডিজিটাল পেমেন্ট করে ঘরে বসেই ঈদের কেনাকাটা করছেন। সহজ পেমেন্ট ব্যবস্থার সাথে ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক তঁাদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতা করেছে মধুর, আনন্দ বাড়িয়েছে দ্বিগুণ।
জেমিমার মতে, জীবন এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। কেনাকাটা হোক বা অন্য কোনো সেবা, সব কিছুই এখন তাঁর হাতের মুঠোয়। ক্যাশ টাকা নিয়ে ঘুরতে হয় না, নেই নিরাপত্তার ঝুঁকি বা ভাংতির ঝামেলা। শুধু উৎসবের সময়ই নয়, সারা বছরই এখন বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটা করছেন তিনি।
বিকাশ-এর নিত্য-নতুন ফিচারও বেশ আগ্রহ নিয়ে ব্যবহার করছেন তিনি। সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে ভিসা কার্ড দিয়ে সরাসরি পেমেন্ট করার সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। এই সুবিধা তঁার মতো টেক-স্যাভি তরুণদের ডিজিটাল পেমেন্টকে আরো সহজ করেছে বলেই মনে করেন তিনি। তার মতে, এখন আর আগের মতো পেমেন্টের করার সময় বারবার অ্যাডমানি করা লাগছে না। যত টাকা প্রয়োজন ঠিক ততো টাকাই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ভিসা কার্ড থেকে পেমেন্ট হয়ে যাচ্ছে।
কেবল পণ্য কেনাকাটা নয় রাইড-শেয়ারিং সেবা, বাস, ট্রেন, লঞ্চ, বিমানের টিকিট কেনায় ক্রমে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বিকাশ পেমেন্ট। এছাড়া অনলাইনে খাবার অর্ডার করে বা বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট গিয়েও ডিজিটাল পেমেন্টে অভ্যস্ততা বাড়ছে। কিউআর কোড স্ক্যান করে বা পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে খুব সহজেই পেমেন্টের সুযোগ থাকায় বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহকদের মধ্যে এ অভ্যস্ততা তৈরি হচ্ছে।





