মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিজ্ঞানে সমৃদ্ধ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা খাতকে এগিয়ে নিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে নানা উদ্যোগ, শিক্ষার প্রসারে নেয়া হচ্ছে নানা পরিকল্পনা।
সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আলোকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ এবং প্রায় ১ লাখ ৪ জন শিক্ষকের চাকরি সরকারীকরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় ৫ হাজার ১০০ বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত করা হয়েছে, যার সুফল ভোগ করছেন প্রায় ৯৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় ১ হাজার ৪৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রাক্-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ি, দাখিল, দাখিল (ভোকেশনাল), এসএসসি (ভোকেশনাল) ও কারিগরি স্তরের শিক্ষার্থীর মাঝে ২৬০ কোটির বেশি কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। ২০২২ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৮৮ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ব্রেইল বই বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন জেন্ডার সমতা। ছাত্রী ভর্তির হার ২০২১ সালে মাধ্যমিক (ষষ্ঠ-দশম) স্তরে ছিল ৫৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিক (কলেজ) স্তরে ৫২ দশমিক ১৩ শতাংশ, যা নারী শিক্ষার প্রসারে ঐকান্তিক প্রচেষ্টার সার্থক প্রতিফলন।
কিছুদিন পরই নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে। শিক্ষা খাতে কেমন বাজেট প্রত্যাশা করছেন?
বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম যে বাজেট করেছিলেন, সেখানে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল শিক্ষা খাতে। তিনি শিক্ষিত জাতি গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন করতে চেয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও শিক্ষার বিষয়ে আন্তরিক। গত কয়েক বছরে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় একটি করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। সরকারি স্কুল-কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধুর সময়ের বাজেট এবং বর্তমান বাজেট তুলনা করলে দেখা যায় জিডিপির হিসেবে বরাদ্দ কমেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং শিক্ষা খাত প্রসারিত হওয়ায় বাজেটের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। যদি প্রতিষ্ঠানগুলোয় মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হয় তাহলে শিক্ষায় অবশ্যই পর্যাপ্ত বাজেট দিতে হবে এবং আমরা আশা করি বিগত বছরগুলোর তুলনায় আগামী বাজেটে শিক্ষা অধিক গুরুত্ব পাবে।
দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা খাতে বাজেটের অপ্রতুলতার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। শিক্ষা খাতের উন্নয়নকে বাজেট সংকট কতটা প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন?
শিক্ষার উন্নয়নে বাজেট বৃদ্ধি অবশ্যই প্রয়োজন। তবে এ খাতের উন্নয়ন শুধু বাজেট বরাদ্দের সঙ্গেই সম্পর্কিত নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় সেগুলো কতটা যথার্থভাবে ব্যয় করা হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেমন এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৫১টি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। অথচ এসব স্কুল যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয় তার জন্য সরকার কিন্তু তাদের এমপিওভুক্তকরণের মাধ্যমে অর্থ দিচ্ছে। এমন ফলাফলের পর সরকার এ প্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে যে অর্থ ব্যয় করেছে তার পুরোটাই ব্যর্থ হয়েছে বলা যায়। এছাড়া আমি নিজেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে দেখেছি ক্লাস টাইমে স্কুলে কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থী নেই, অথবা শুধু একজন শিক্ষক আছেন। অথচ সব শিক্ষকই কিন্তু সরকারি বেতন গ্রহণ করছেন। আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ দায়িত্ববোধের অভাব এবং সঠিকভাবে অর্থ ব্যয় না হওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে হলে বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই যে এ মনিটরিং করবেন তা নয়। এলাকার যেসব সচেতন নাগরিক, রাজনীতিবিদ আছেন তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আমাদের দেশে শিক্ষা খাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মানের আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি। গবেষণার চর্চা নেই, আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্থান পাচ্ছে না। গবেষণা বৃদ্ধিতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কোন পদক্ষেপগুলো জরুরি?
আমি দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জড়িত। নিজে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছি, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজেন্ট বোর্ড, সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে আছি। এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ঘটনা দেখেছি। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকাটা একটা বড় সমস্যা। যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করছে না সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। অথচ ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আমি আমার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে একটি নিয়ম করেছি, যদি শিক্ষার্থী ফেল করে তাহলে যে বিষয়ে সে ফেল করেছে ওই বিষয়ের শিক্ষকের একদিনের বেতন কেটে নেয়া হবে। ফলে আমার বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকরা তাদের দায়িত্বের বিষয়ে খুবই সচেতন এবং ফলাফলও বেশ ভালো। সরকারও যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় এ ধরনের ব্যবস্থা নিত তাহলে প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বে অবহেলা করত না। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতাবোধ, মূল্যবোধ জাগ্রত করাও কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায়ই নানা কারণে আলোচনায় আসছে। কখনো শিক্ষক ছাত্রকে মারছে, কখনো ছাত্র শিক্ষককে মারছে, আবার সহকর্মীরা মারামারিতে জড়াচ্ছে। এমনকি ধর্ষণ, যৌন হয়রানির মতো অপরাধও ঘটছে। এ সবকিছুর জন্য কিন্তু দায়ী নৈতিক অবক্ষয় এবং এ নৈতিক অবক্ষয় শিক্ষার পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে। যে ছাত্র শিক্ষককে আঘাত করার মতো অন্যায় করতে পারে সে ডিগ্রি অর্জন করে রাষ্ট্রকে কী দেবে? শিক্ষার উন্নয়নে আরো একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো পাবলিক-প্রাইভেট সমন্বয়। বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পাবলিক-প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এতে সরকারেরও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং দেশে শিক্ষার সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।
আর আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। এদিক থেকে আমাদের দেশ বেশ পিছিয়ে। গবেষণায় আমাদের বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলা হয়। তবে এক্ষেত্রে বরাদ্দ ছাড়াও একটি সমস্যা হলো শিক্ষকদের গবেষণায় আগ্রহের অভাব। যেমন অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে দেখা যায় তারা সকালে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন, বিকালে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিচ্ছেন, আবার সন্ধ্যায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ কোর্স করাচ্ছেন। এসব করে তিনি গবেষণা করবেন কখন? অনেক শিক্ষকই আছেন যারা এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। গবেষণায় সময় দেন না। আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি অনেক আগেই সান্ধ কোর্স বন্ধের বিষয়ে বলেছিলেন কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই তাহলে গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে এবং শিক্ষকদের জন্য গবেষণা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে সরকারের কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন?
আমরা যদি স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত দেখি তাহলে দেখা যাবে প্রতিটি ধাপেই কিন্তু সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহযোগিতা করছে। যেমন এমপিওভুক্তকরণের মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন-ভাতায় সহযোগিতা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভবন নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। ব্যতিক্রম শুধু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে। সরকারের উচিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আরো সহযোগিতাপরায়ণ হওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে অর্থ না দিলেও অন্তত গবেষণা ও গবেষণাগার উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বরাদ্দ দেয়া উচিত। এছাড়া পাবলিক-প্রাইভেট বৈষম্য কমানো উচিত। এমন অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যাদের হয়তো একজন অধ্যাপক আছে কিন্তু তাদের এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রির অনুমতি দেয়া আছে। অথচ র্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। এ বৈষম্য দূর হওয়া উচিত। প্রাইভেট কিংবা পাবলিক বিবেচনায় নয়, বরং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমফিল-পিএইচডির অনুমতি দেয়া উচিত।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর কর আরোপের বিষয়টিতে আপনারা আর কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি?
এটি যেহেতু সর্বোচ্চ আদালতের রায় এক্ষেত্রে আমাদের কিছু করণীয় নেই। আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে। তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি একটি বিরূপ প্রভাব ফেলবে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং এ কারণে শিক্ষাকে করমুক্ত রাখার কথা বলেছিলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সরকার কোনো অর্থ দেয় না। এর পরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিন্তু দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে তাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ দেয়। অর্থাৎ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিন্তু সব স্তরের মানুষের জন্যই শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করছে, তাই এ প্রতিষ্ঠানগুলো করমুক্ত থাকাই কাম্য ছিল। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যদি এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর দিতে হয় তাহলে আইনে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত করার বিষয়টি বাদ দেয়ার প্রয়োজন হবে। কারণ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান সাধারণত করমুক্ত থাকে। সব মিলিয়ে এ বিষয়ে আমরা এটুকুই বলব, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিষয় আরো আন্তরিকভাবে বিবেচনা করা উচিত। দেশের সামগ্রিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্যই এটি প্রয়োজন।
দেশে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে। এ বেকারত্ব দূর করতে পরামর্শ কী?
শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরির পেছনে ছুটলে হবে না। তাদের উদ্যোক্তা হতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন মেয়াদের লোন ও আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা আছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের উচিত সামনে এগিয়ে যাওয়া। একজন তরুণ যখন উদ্যোক্তা হবেন তখন তার নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা যেমন হবে, তেমনি তার প্রতিষ্ঠানে অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তাই আমার মতে বেকারত্ব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ উদ্যোক্তা বৃদ্ধি।





