দেশের এনবিএফআই খাতে ১৮ বছর ধরে কাজ করছেন মো. কায়সার হামিদ। তিনি বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যাশার নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে।
আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক
প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যাশা কী? আপনারা কেমন
বাজেট চাইছেন?
বাংলাদেশে বিশেষ ধরনের ফাইন্যান্সিং, ইনোভেটিভ ফাইন্যান্সিং
ও প্রায়োরিটি সেক্টরের অর্থনৈতিক উন্নয়নের
জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি। সেক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি
বিভিন্ন প্রজেক্ট, লিজ ফাইন্যান্সিং,
সিন্ডিকেশন, ফ্যাক্টরিং, এফোরডেবল হোম-লোন, এসএমই এ সেক্টরগুলোয় ফোকাস করে।
প্রথমত, ব্যাংকের সঙ্গে বড় দাগের পার্থক্য হচ্ছে আর্থিক
প্রতিষ্ঠানের কোনো ফি বেইসড ইনকাম,
ফরেন কারেন্সি বিজনেস থেকে কোনো ইনকামসহ অন্য
কোনো লো-কস্ট ফান্ডিংয়ের কোনো অ্যাকসেস নেই। কিন্তু বাংলাদেশে একই ট্যাক্স পলিসির মধ্যে
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিচালিত হতে হয়, যেখানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা
করার সুযোগ খুবই সংকীর্ণ। সেক্ষেত্রে
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ট্যাক্সের হার ব্যাংকের থেকে কমপক্ষে ৫ শতাংশ কম হওয়া উচিত।
দ্বিতীয়ত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানির
মাধ্যমে পুঁজিবাজারে একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর
ওপরও অনেক সময় ডাবল ট্যাক্স ধরা হয়, যা বন্ধ করা গেলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর
বিকাশ ঘটবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু বিশেষ প্রডাক্ট আছে, যেখানে কাস্টমারের কর অবচয়ের সুবিধা
ছিল, যেমন হোম লোনের ২০ লাখ টাকার
ইন্টারেস্ট, লিজ ফাইন্যান্সিং ইত্যাদিকে ডিসকন্টিনিউ করা হয়েছে। সেগুলো যদি আবার ফিরিয়ে আনা যায় তাহলে
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখবে।
সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে এনবিএফআইগুলো পুঁজিবাজারভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এক্ষেত্রে
আপনারা বাজেটে কোনো করছাড় প্রত্যাশা করছেন কি?
এক্ষেত্রে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। সাবসিডিয়ারি আয় মূল কোম্পানির লভ্যাংশ হিসেবে আসছে। এক্ষেত্রে দেখা যায় দ্বৈত কর চলে আসছে। একবার সাবসিডিয়ারি নিজের ট্যাক্স দিচ্ছে আবার এ একই ইনকামের যখন প্যারেন্ট কোম্পানির ব্যালেন্স শিটে আসছে তখন আবার ট্যাক্স চার্জ হচ্ছে। এ জায়গায় আমাদের দীর্ঘদিনের অপ্রাপ্তি আছে। বিষয়টি যদি এবার এনবিআর বিবেচনা করে তাহলে পুঁজিবাজারে আমাদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করা যায়। এতে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, নতুন আইপিও নিয়ে আসা লেনদেন ও ব্যবসা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। পুঁজিবাজারের আয়ের ওপর কর কমানো গেলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে এবং মার্কেটকে একটি শক্ত জায়গায় দাঁড় করানো যাবে। এমনিতেও আমাদের পুঁজিবাজারে গুজবের প্রভাব ব্যাপক। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা অনেক ক্ষেত্রেই এর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিনিয়োগ করছে, যা পরবর্তী সময়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলে। আমার মনে হয় বাজারকে চাঙ্গা এবং স্থিতিশীল একটা অবস্থান তৈরি করতে এবারের বাজেটে বিশেষ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন। আইপিও ছাড়াও সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ যাতে উৎসাহিত হয় সেটিও যাতে থাকে এবারের বাজেটে। পাশাপাশি সাবসিডিয়ারির করও আলাদা হওয়া উচিত। বিগত সময়ে লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপক কমে গেছে, সেক্ষেত্রে প্রণোদনা দেয়ার জন্য করহার পরিমাণ কমানো উচিত।
বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ চান কি? কোন খাতে
এ সুযোগ দেয়া হলে অর্থনীতির জন্য ভালো হবে বলে মনে করেন?
অপ্রদর্শিত অর্থ আমাদের দেশের অর্থনীতিতে একটি বাস্তব
সমস্যা, বলতে কঠিন মনে হলেও অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে আমাদের জনগণের কাছে ব্যাপক পরিমাণ অপ্রদর্শিত অর্থ অথবা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত
অর্থ রয়েছে। এর একটি বড় অংশ হয়তো আছে নগদ টাকা আকারে। এটি আমাদের মেনে নিতেই হবে
কিন্তু এর জন্য আজীবন যদি সুযোগ দেয়া হয় তাহলে যারা বৈধ করদাতা, তাদের জন্য এটি হতাশাজনক।
সুতরাং এটি দীর্ঘমেয়াদে চলতে পারে না, কিন্তু যদি আপনি কার্যকর একটি মডেল তৈরি করে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার
মতো সুযোগ করে না দেন তাহলে বছরের পর বছর অর্থ বৈধ
করার সুযোগ দিয়ে লাভ হবে না এবং মডেলটি যদি যুগোপযোগী না হয়, তবে সরকারও বিশাল রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত
হবে, যা পরবর্তী সময়ে আমাদের অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল
করতে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করতে পারে। অর্থ বৈধ করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মেয়াদে পুঁজিবাজারে
বিনিয়োগ করার সুযোগ দেয়া যেতে পারে, এক্ষেত্রে
এটাও নিশ্চিত করতে হবে ভবিষ্যতে সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে বিনিয়োগকারীকে প্রশ্ন
করবে না। যদি তা নিশ্চিত করা যায়, তবে অপ্রদর্শিত
আয় বৈধ করার একটি আগ্রহ লক্ষ করা যাবে, পাশাপাশি এ মডেল কার্যকরী করতে একটি
নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করে দেয়া যেতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে এ সময়ের পর আর কখনো
এমন সুযোগ দেয়া হবে না। প্রয়োজনবোধে অর্থের পরিমাণের ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন করহার নির্ধারণ করেও এ সুযোগ
দেয়া যেতে পারে।
এনবিএফআই খাতে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের পরিবর্তন বা
উন্নয়ন করলে জাতীয় রাজস্বে আপনাদের অবদান বাড়বে বলে মনে করেন?
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য কার্যকরী ভিন্ন মডেল বা আইন
থাকা দরকার। একই ধরনের ব্যবসায় যদি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে করে, সেক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না। আমাদের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত ও শ্রীলংকায়ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিজনেস মডেল আলাদা। যেখানে
যে কাজগুলো ব্যাংক করতে পারে না, সেগুলো আর্থিক
প্রতিষ্ঠান করতে পারে। আবার যেগুলো আর্থিক প্রতিষ্ঠান করতে পারে না, সেগুলো ব্যাংক করতে পারে। আমাদের এখানে
সীমারেখাটা নেই। সরকারের উচিত প্রথমেই এ বিজনেস মডেলের রেস্ট্রিকশনগুলো সেট করা আর্থিক
প্রতিষ্ঠানগুলো কোন ধরনের ব্যবসার জন্য স্পেশালাইজড হবে, কোন কাজগুলো করতে পারবে এবং
আইনগত কী কী ধরনের সুবিধা
সেখানে পাবে, যেটা ব্যাংকগুলো সাধারণত করতে পারবে না; এ বিষয়গুলো আসলে পরিষ্কার হওয়া দরকার। তহবিলের
উৎস হিসেবে পৃথিবীর সব দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত কাস্টমার ডিপোজিটের ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদি বন্ড এবং সরকারের বিভিন্ন
ধরনের প্রণোদনা স্কিমের আয়তায় তারা
ফান্ড পায়। এখানে বাংলাদেশে মার্কেটটা খুবই সংকীর্ণ হওয়ায় পুরোপুরি ব্যাংক
ঋণ ও কাস্টমার ডিপোজিট
নির্ভর একটি বিজনেস মডেল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চালাতে হয়, যেটা তাদের বড় হতে বাধার সৃষ্টি করে।
অন্যথায় তারা এদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের রাজস্ব আরোহণে ভূমিকা পালন করতে পারত।
২০০৮ সালে
লিজ ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে বিশেষ কর সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ
মোকাবেলা করতে হচ্ছে?
একটি দেশের অর্থনীতির জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুটিরই গুরুত্ব রয়েছে,
কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে ব্যাংক
ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান উভয়েরই কিছু সামঞ্জস্যপূর্ণ
প্রডাক্ট এবং সার্ভিস থেকে
থাকে। এতে অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহক কনফিউজড
হয় যে তিনি আসলে সেবাটা কার থেকে গ্রহণ করবেন। ২০০৮ সালে লিজ ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে
বিশেষ কর সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এতে প্রডাক্টটি
তার বিশেষত্ব হারিয়েছে বলে আমি মনে করি। এখন
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
উভয়ই গ্রাহককে এ সেবা দিতে
পারে। ফলে এ স্পেসিফিক প্রডাক্টের ক্ষেত্রে কোনো ইনসেন্টিভ কাস্টমার আর পেয়ে থাকে না এবং এটি এখন একটি সাধারণ
টার্ম লোন হিসেবে রূপান্তর হয়েছে। ফলে এ বিশেষ
আর্থিক সেবাটির অবমূল্যায়ন ঘটেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান উভয়েই এ ধরনের সেবা
প্রদান করে মার্কেটটা বেশ কম্পিটিটিভ করে ফেলেছে। এতে কারো পক্ষেই আর এ মার্কেটে এ
ধরনের প্রডাক্ট ও সার্ভিস দিয়ে ব্যবসা করে টিকে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কিছু নীতিগত পার্থক্য রয়েছে। এ পার্থক্যগুলো
মাথায় রেখেই তাদের নিজ নিজ প্রডাক্ট কিংবা
সেবা ডিজাইন করা হয়। যদি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
একই ধরনের সেবা সব ক্ষেত্রে প্রদান
করা শুরু করে কিংবা একই প্রডাক্ট ও সার্ভিস প্রদান করা শুরু করে, তবে গ্রাহকের জন্য যেমন কনফিউজিং, ঠিক তেমনি ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান
উভয়ের জন্যই একটি প্রডাক্ট থেকে ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখাও কঠিন। তাই আমি মনে করি, ২০০৮ সালে লিজ ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে
যে বিশেষ কর সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে এতে আলটিমেটলি গ্রাহকের ক্ষতি হয়েছে
বেশি। সেই সঙ্গে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান উভয়ই প্রডাক্ট নিয়ে
কম্প্লিট করে দুজনের কেউই প্রডাক্টটিকে একটি
ইউনিক জায়গা ধরে রাখতে পারেনি।
খেলাপিদের
বিষয়ে এবারের বাজেটে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেন কিনা?
খেলাপি ঋণের বিষয়ে এবারের বাজেটে আমরা অবশ্যই শক্ত নীতিগত
সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করছি। বিগত বছরগুলোয় আমরা দেখেছি
বিশেষ কিছু শিল্পগোষ্ঠী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ
নেয়ার পরে সে ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যে কোনো ধরনের চেষ্টা না করে কীভাবে সে অর্থ আত্মসাৎ করা যায় সেদিকে বেশি মনোযোগী ছিল।
ফলে আমরা সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু
ব্যাংক ও ফাইন্যান্স
কোম্পানিকে দেখেছি তাদের মূলধন ঘাটতিতে পড়তে। আশার বিষয় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের বিভিন্ন মহল এ ব্যাপারে বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে স্বেচ্ছায় ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা, বিদেশ ভ্রমণে বাধা, ট্রেড
লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ এবং
সুদ মওকুফ না করাসহ বেশকিছু কঠোর নীতিমালা জারি করেছে। আমরা আশা রাখি, সরকারের দায়িত্বশীল
বিভাগগুলো এ নীতিমালা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
এতে ব্যাংক খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে আসবে এবং দেশের সামগ্রিক
অর্থনীতি উন্নয়নে দৃঢ় ভূমিকা রাখবে। তাই এবারের বাজেটে আমরা আশা করছি সরকার অবশ্যই
কঠোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবেন এবং এর বাস্তবায়নে
জোর দেবেন। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তবে আমরা আরো বেশকিছু সবল ব্যাংককেও দেখব
দুর্বল ব্যাংকে পরিণত হবে। এতে একদিকে
যেমন জনগণের আস্থা ব্যাংক খাত থেকে সম্পূর্ণরূপে উঠে যাবে, ঠিক তেমনি আমরা ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপের
মধ্য দিয়ে যাব।
এছাড়া যদি ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে চলা মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির
ব্যবস্থা করা যায়, তবে ঋণখেলাপিদের
হার বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করি। ঋণখেলাপিরা শুধু কোনো একটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যই ক্ষতিকর নয়, তারা সামগ্রিক অর্থনৈতিক সর্বোপরি দেশের
জন্য ক্ষতিকর। এদের পক্ষে বিন্দু পরিমাণ ছাড় না দিয়ে
কীভাবে একটি কার্যকর ও টেকসই মডেলের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় এনে অর্থ উদ্ধার
করা যায় কিংবা ভবিষ্যতে ঋণখেলাপি হওয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহ তৈরি করা যায়, সেক্ষেত্রে নজর দিলে আর্থিক খাত এবং
সর্বোপরি দেশের উন্নয়ন সম্ভব।





