খুব কমসংখ্যক সেনানীই গোড়া থেকে একটি যুদ্ধের তাত্ত্বিক কাঠামো নির্মাণ, যুদ্ধ উপকরণ জোগানো, একটি অনুমিত সময়ের সংঘাতের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস অবকাঠামো তৈরি, যুদ্ধ শুরু ও শেষের সুনির্দিষ্ট সময়ক্ষণের ইঙ্গিত দেয়া এবং যুদ্ধের ঐতিহাসিক পরাজয় নিশ্চিতের পরবর্তী প্রতিকূলতা সামলানোর ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করার সুযোগ পায়। সুখবর হলো, ইস্টার্ন ফ্রন্টে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএফআর জ্যাকব ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে এমন এক অনিবার্য পোস্টের প্রধান ছিলেন। ইস্টার্ন ফ্রন্টে চিফ অব স্টাফ হিসেবে সম্ভবত তার বড় অবদান ছিল সংশ্লিষ্ট তিনটি সেনা ডিভিশনের কমান্ডারদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সমন্বয়পূর্ণ যোগাযোগ নিশ্চিত এবং সবাইকে একটি একক এজেন্ডার ওপর ফোকাস রাখা। এটিই ছিল সবচেয়ে বড় উইনিং কার্ড, যা পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর তুমুল বিজয়ে সাহায্য করে। রাজনৈতিক পর্যায়ে এই বিজয়ের একক কৃতিত্ব ভারতের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর। আর সামরিক দিক থেকে এ কৃতিত্ব প্রধানত ফিল্ড মার্শাল এসএইচএফ মানেকশের (পিভিএসএম, এমসি)। তবে নেতৃত্বের দ্বিতীয় স্তরে পশ্চিম ফ্রন্টে লেফটেন্যান্ট জেনারেল কেপি ক্যানেথ এবং পূর্ব ফ্রন্টে মেজর জেনারেল জ্যাকব নিজেদের অবদানের জন্য কখনো বিস্মৃত হবেন না।

এ নিবন্ধে জেনারেল জ্যাকবের কীর্তি কৌশলগত ইস্যু, পুরনো স্থাপত্য পুনরুদ্ধার, প্রকৃতি চিন্তা ও মানবীয় সৌকর্যসহ নানা দিক থেকে মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। প্রথমে কৌশলগত ইস্যুতে তার অবদানে নজর দেয়া যাক। ইস্টার্ন আর্মির জিওসি হিসেবে জ্যাকবের স্বাভাবিক অগ্রগমন বা পদায়ন পুরো ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল উভয়ের জন্য ছিল আশীর্বাদস্বরূপ। জন্মগতভাবে একটু ব্যঙ্গ ও কৌতুকপূর্ণ চরিত্রের ব্যক্তিটি আর্মি কমান্ডার হিসেবে পশ্চিমবঙ্গসহ উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক সৃষ্টিতে বরাবরই সাফল্য দেখিয়েছেন। উল্লিখিত রাজ্যগুলোর ভেতরে ও বাইরে সম্প্রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা বা নীরব পুনর্মিলনের অঘোষিত কারিগর ছিলেন জ্যাকব। যার ফলে গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অন্তত ১০ বছরের জন্য বাধাহীন শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল; সেখানে বিরাজ করেছিল এক স্থিতিশীল রাজনৈতিক বাস্তবতা।

ভারতের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত গুরুত্বের ওপর একটি বেশ দূরদর্শী ডকুমেন্ট তৈরি করেছিলেন জেনারেল জ্যাকব। ওই ডকুমেন্টে তিনি বলেছিলেন, মালাক্কা প্রণালির পশ্চিমে ভারতকে অবশ্যই শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এটি না করলে সেখানে হয় চীন পরোক্ষভাবে তাদের সামরিক উপস্থিতি বিস্তৃত করবে অথবা আমাদের অনুপস্থিতি কাজে লাগিয়ে দেশটি নিজেদের নৌঘাঁটি তৈরির পথ সন্ধান করবে। এতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় চীনা আধিপত্য সম্প্রসারিত হবে। আর্মি হেডকোয়ার্টারের মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটে আমরা দেখেছি জেনারেল জ্যাকবের ভবিষ্যদ্বাণীকে ব্যাপক গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল এবং স্বাভাবিক কারণেই আলোচ্য দ্বীপপুঞ্জের জন্য ট্রাই-সার্ভিস কমান্ড সৃষ্টির ধারণাটি ভারত সরকার কর্তৃক গৃহীত হয়েছিল। অবশ্য বাহিনী কাঠামোর সুনির্দিষ্টকরণ ও বাস্তবায়নের সময়সীমার বিষয়টি সাধারণীকরণের এক অদ্ভুত চক্রে পড়ে গিয়েছিল। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি চলছিল ঢিলেঢালাভাবে। এই দীর্ঘসূত্রতায় জ্যাকব মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। আর্মি কমান্ডারদের এক সম্মেলনে নিজস্ব কৌশলগত ভিশনের ওপর তিনি একটি তেজস্বী প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন। তবে কোনো দৃঢ় অঙ্গীকার না পাওয়ায় তিনি সম্মেলন ত্যাগ করেছিলেন। মেজর জেনারেল এমএল ছিব্বার, ডিজিএমও (ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস) এবং আমি দ্রুত তার সঙ্গে গিয়েছিলাম তাকে নিয়ে আসতে। কিন্তু আমরা তাকে ওই সম্মেলনে ফেরাতে অসমর্থ হয়েছিলাম। কৌশলগত ইস্যুতে সাড়ামূলক ত্বরিত পদক্ষেপের ঘাটতিতে তিনি বরং ফোর্ট উইলিয়ামে ফিরে দুর্গপ্রাকারের বিশাল ঐতিহ্য-অবকাঠামোর নবরূপ দিতে মনোযোগী হয়েছিলেন। তার ইতিহাসজ্ঞান ও চেতনা ছিল গভীরপ্রসারী। কাজেই তিনি ঐতিহ্য স্থাপত্যের মেরামতের চেয়ে অতীতে অবহেলার কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিপুল কাঠমো পুনরুদ্ধারে বরাবরই আগ্রহী ছিলেন। তার নেয়া কয়েকটি পুনরুদ্ধার উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় পুরনো স্থাপত্যিক নিদর্শন সুরক্ষায় গতি এনেছিলেন। তার গৃহীত উদ্যোগের সর্বোত্তম প্রচেষ্টা নিহিত রয়েছে ফোর্ট উইলিয়ামের ভেতরে অবস্থিত সেন্ট পিটার্স চার্চের এক্সটেরিয়র আর্কিটেকচারাল ভিজুয়াল পুনরুদ্ধারে। কারণ জ্যাকব ভারতের সব স্থাপত্যের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে চমত্কার গথিক স্থাপত্য মনে করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহার না হওয়ায় এক্ষেত্রে তার প্রথম কাজ ছিল গির্জাটি যাজকীয় আওতাবহির্ভূত করা। চার্চ অব ইন্ডিয়া দ্বারা যথাযথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কাজটি তিনি সুষ্ঠুভাবে করেছিলেন। এরপর তিনি ১৮৩৫ সালের চিত্রকর্মের নিরিখে গির্জাটির মূল সম্মুখভাগের সঙ্গে মিলিয়ে ধ্বংস হওয়া স্থাপত্যিক নিদর্শন পুনরুদ্ধার করেন। এক্ষেত্রে উইলিয়াম প্রিন্সেপের নির্মাণকৃত ইমারতের মূল অবয়ব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালান তিনি। সর্বোপরি একজন সর্বভুক পাঠক হিসেবে গির্জাটির সুউচ্চ খিলানযুক্ত ছাদের নিচে একটি কমান্ড লাইব্রেরি স্থাপন করেন!

উদ্ধার প্রক্রিয়ায় এটি বের হয়ে এসেছিল যে, অল্টার-টেবিলের উপরে একটি দেয়ালচিত্র ছিল। কিন্তু বহু বছরের পুঞ্জীভূত ছত্রাকের স্তরে সম্পূর্ণভাবে ছেয়ে যাওয়ায় ওই চিত্রকর্মের সবিস্তার অস্পষ্ট থেকে গিয়েছিল। এটি বিস্তারিতভাবে খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ জেনারেল জ্যাকব নিলেন এবং এটি লাস্ট সাপারের অনুকৃতি (ডেপিকশন) ছিল বলে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি জাতীয় গ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘরের অভিলেখাগার অনুসন্ধান অব্যাহত রাখেন; যদিও এত প্রচেষ্টার পরও শিল্পীর নাম রয়ে যায় অজানা। এসব কাজ তিনি হাতে নেন মূলত চাকরি থেকে অবসরের পর। এক দশক পর ফোর্ট উইলিয়ামে গেলে আমাকে তিনি শিল্প-ঐতিহ্যের তাত্পর্য সম্পর্কে ব্যাপকভাবে আলোকিত করেন এবং চিত্রকর্ম পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান। সৌভাগ্যক্রমে সেই সময়ে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ (আইএনটিএসিএইচ) পুরো আর্মি হেরিটেজ নিজস্ব চৌহদ্দীর মধ্যে নিয়ে আসে এবং এক বছরের শ্রমসাধ্য প্রচেষ্টায় ওই পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এক যৌক্তিক পরিণতি পায়।

শুধু উইলিয়াম প্রিন্সেপের মৌলিক স্থাপত্যের অবয়ব ফিরিয়ে আনা নয়, জ্যাকব ব্রিটিশ রাজ আমলের শিল্প ও স্থাপত্যকর্ম পুনরুদ্ধারেও অনেক সময় ব্যয় করেন। তার পুনরুদ্ধার করা অন্য কাজের মধ্যে রয়েছে একটি ব্যতিক্রমী স্ট্যাটিউটরি, এক জোড়া এশিয়াটিক লায়ন। পরে ওই এশিয়াটিক লায়ন দুটি কমান্ড অফিসার্স মেসের প্রবেশদ্বারে স্থাপন করেছিলেন। ফলে মনে হতো সেগুলো যেন চিরন্তন প্রহরায় নিয়োজিত! পরবর্তী সময়ে মেসটি ব্যবহার উপযোগী হলে জ্যাকব সেখানে চেয়ারসহ একটি সুরম্য ডাইনিং টেবিল উপহার দেন, যাতে এক পরিবারের মতো ৪০ জন মানুষ একত্রে বসে আহার করতে পারে। ওই মেসে কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল রবার্টসের একটি অনিন্দ্যসুন্দর অশ্বারোহী মূর্তি ছিল। আলোচ্য স্থাপত্যে দেখা যায়, রবার্ট তার প্রিয় ঘোড়া ভোনলেলের পিঠে সওয়ার হয়ে আছেন। জেনারেল জ্যাকবের প্রজন্মে জেনারেল রবার্টস ‘ববস অব কান্দাহার’ নামে পরিচিত ছিলেন। কাজেই ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় স্বাভাবিক কারণে আলোচ্য মূর্তি নাসিক রোডে অবস্থিত আর্টিলারি সেন্টারে স্থাপন করেন তিনি। জ্যাকব কলকাতার কাশীপুর গান ফ্যাক্টরি পুনরুদ্ধারেও প্রচুর সময় ব্যয় করেন। দীর্ঘ কর্মযজ্ঞের পর সেখান থেকে চমত্কার ঐতিহ্যবাহী কামানগুলো উদ্ধার করেন এবং কমান্ড হেডকোয়ার্টারস বিল্ডিংয়ের হলরুমের বাইরে সেগুলো স্থায়ী প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন। এর মধ্যে কিছু কামান নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইউনাইটেড সার্ভিস ইনস্টিটিউশন অব ইন্ডিয়ার মতো অন্য আর্মি এস্টাবলিস্টমেন্টগুলোয়ও স্থাপন করা হয়।

জ্যাকবের সঙ্গে আমার পরবর্তী সম্পৃক্ততা ঘটে অনেক পরে। সেটা হবে ১৯৯৮-৯৯ সালে; যখন গোয়াকে রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে আনা হয় এবং তাকে করা হয় গভর্নর— রাজ্যের আইনগত প্রধান। তার গভর্নর হওয়ার কয়েক বছর পর প্রকৃতিবাদীরা জানতে পারেন যে, সারা বিশ্বে বেঁচে থাকা রওটনের (বিশেষ প্রজাতির বাদুড়) মধ্যে প্রায় ৪০টি বাদুড় বরপেদা গুহায় আটকে আছে। আমাদের অভিপ্রায় ছিল এই বিরল প্রাণিকুলকে অবশ্যই যেকোনো মূল্যে বাঁচাতে হবে। এক্ষেত্রে আগ্রহের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল আমার ভালো বন্ধু ও খ্যাতনামা প্রকৃতিবিজ্ঞানী প্রয়াত জেসি ড্যানিয়েল (বোম্বে ন্যাচারাল হিস্ট্রি সোসাইটির সদস্য)। ড্যানিয়েল আমাকে গভর্নরের সঙ্গে তার এক বৈঠক আয়োজন করে দেয়ার অনুরোধ জানায়। উল্লেখ করা দরকার, বরপেদা গুহা মাত্র ৪০ মিটার গভীর, ২৫ মিটার প্রশস্ত এবং ছয়-সাত মিটার উঁচু। তবে গুহাটিতে স্থায়ীভাবে একটি জলের স্তর থাকে, পর্যাপ্ত কীটপতঙ্গ জন্মানোর জন্য যা যথেষ্ট। মূলত ওই জীব-অনুজীবই আলোচ্য পতঙ্গভুক বিরল প্রজাতির বাদুড়ের খাদ্য। অবশ্য কল্পনা করতে পারি, এটি কোনো বড় পাথরের চেয়ে খুব একটা বড় পরিসরের হবে না। আবার দোলাচল রয়েছে, গুহাটির অবস্থান গোয়ায় না কর্ণাটকে। এমন এক পরিস্থিতিতে আমি গভর্নরের সঙ্গে জেসি ড্যানিয়েলের বৈঠক করিয়ে দেয়াই জুতসই মনে করেছি, যাতে ড্যানিয়েলের প্ররোচনা দক্ষতার মাধ্যমে জ্যাকব বিষয়টি বোঝেন ও বিরলপ্রায় প্রজাতি সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেন। যেহেতু পাঞ্জাবে একই অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য গোয়ার গভর্নরের পদ থেকে প্রস্থানের মাত্র আগের দিন জ্যাকব ও ড্যানিয়েল দুজনের মধ্যকার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেহেতু জরুরি নির্বাহী পদক্ষেপের প্রয়োজন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। কাজেই সেদিক থেকে আমাদের এক ধরনের তাড়াহুড়োও ছিল। বৈঠকে ড্যানিয়েলের কথা শেষ হলে গভর্নর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যগুলো দেখার জন্য গোয়ার মানচিত্র দিতে বললেন। মানচিত্রে যখনই তিনি দেখলেন যে বরপেদা গুহা মাহাদেই অভয়ারণ্যের সন্নিকটবর্তী, তখন তিনি আলোচ্য গুহাটিকে ওই অভয়ারণ্যের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য একটি নির্দেশনা তৈরির আদেশ দিলেন। এটি এজন্য করলেন যেন ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন কার্যকরের মাধ্যমে আলোচ্য বিরল প্রজাতির বাদুড়গুলো রক্ষা পায়। ওই নির্দেশনায় অবশেষে তিনি সই করেন এবং তার এক কপি জেসি ড্যানিয়েলের কাছে হস্তান্তর করেন। সুতরাং ওই বিশেষ প্রাণিকুলকে ‘অটোমপস রওটনি জ্যাকবি’ শীর্ষক এক যৌগিক নাম দেয়ার মাধ্যমে জেনারেল জ্যাকবকে সম্ভবত আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে স্মরণ করতে পারি।

 

লেখক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

স্কলার ওয়ারিয়র থেকে সংক্ষেপে ভাষান্তর হুমায়ুন কবির