ব্যক্তিগত জার্নি
আমি মূলত
তাইওয়ান সরকারের
প্রেস্টিজিয়াস বৃত্তি
নিয়ে একটা
বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে
গবেষণার সুযোগ
পেয়েছিলাম। সুতরাং
তাইওয়ানে আমার
জার্নিটা খুব
সহজ ছিল।
বাংলাদেশীদের সংখ্যা
বাংলাদেশীদের সংখ্যা
কেমন বলতে
গেলে আবারো
বলতে হয়,
যেহেতু এখানে
অবৈধভাবে বহু
মানুষ বাস
করে, সুতরাং
সঠিক সংখ্যা
বলা মুশকিল।
তার পরও
বাংলাদেশী কমিউনিটির
সঙ্গে কথা
বলে যতটা
আইডিয়া পাওয়া
যায় সংখ্যাটি
১৫০০-২০০০-এর
বেশি হবে
না।
বাংলাদেশীদের পেশা
তাইওয়ানে শ্রমিক
কিংবা মাইগ্রেশনের
বৈধ কোনো
সুযোগ নেই।
এখানে অধিকাংশ
বাংলাদেশীই অবৈধভাবে
এসে পরবর্তী
সময়ে অনেকেই
বৈধ হয়েছেন।
পেশা বলতে
গেলে অধিকাংশই
এখানে বিভিন্ন
ছোট-বড়
ব্যবসা ও
শ্রমিকের কাজ
করেন। অবশ্য
ইদানীং বহু
বাংলাদেশী তরুণ
উচ্চশিক্ষার জন্য
তাইওয়ান এসে
গবেষণা ও
ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো
পজিশনে কাজ
করছেন। এটা
খুব আশার
কথা।
বাংলাদেশীদের কমিউনিটি লাইফ
পিএইচডি করতে
আমি যখন
তাইওয়ানে আসি,
তখন উচ্চশিক্ষায়
আসা ছাত্রছাত্রী
ছিল হাতেগোনা।
আমি বাংলাদেশী
কমিউনিটি লাইফ
খোঁজার জন্য
মসজিদ কিংবা
সামাজিক প্রোগ্রামে
গেলে বুঝতে
পারি, আসলে
এখানে কমিউনিটি
লাইফটা অতটা
ভালো নেই।
যেহেতু মানুষ
কম, সুতরাং
কমিউনিটি গেদারিং
কম। তার
পরও ঈদ
কিংবা জাতীয়
দিবসে আমরা
চেষ্টা করেছি
কমিউনিটি গেদারিং
করার। আশা
করি সেটা
অব্যাহত থাকবে।
তবে এখানে
বাংলা ভাষার
চর্চার কোনো
সুযোগ নেই।
আমি শুরু
থেকেই কমিউনিটির
সঙ্গে মিশতাম।
বাংলাদেশী কমিউনিটির
বিশেষ দিক
বলতে আসলে
এভাবে বলার
কিছু নেই।
তবে হ্যাঁ,
যেহেতু বাংলাদেশীদের
সংখ্যা এখানে
খুবই কম,
সুতরাং কোথাও
কারো সঙ্গে
দেখা হলে
সবাই খুব
আপন হয়ে
যেত, সুখ-দুখের
গল্প কিংবা
সহজ করে
বললে আমাদের
চিরাচরিত ভ্রাতৃত্ববোধের
প্রবল টানটি
অনুভব করা
যেত।
তাইওয়ানে বাংলাদেশীদের
খুব ভালো
একটা ইম্প্রেশন
আছে। তারা
আমাদের খুব
ভালোভাবেই গ্রহণ
করে। খুব
আন্তরিক আমাদের
ব্যাপারে। আমি
যদি এক
কথায় বলি
তাহলে বলতে
হয়, তাইওয়ান
সব বিদেশী
নাগরিকের জন্য
একটা ওয়েলকামিং
জায়গা।
স্থানীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা
এখানের অর্থনীতিতে
বাংলাদেশীদের অবস্থান
রয়েছে। স্থানীয়
অর্থনীতিতে অবশ্যই
ভূমিকা রাখছে
বাংলাদেশীরা। সেটা
শুরুতে বলেছিলাম,
বহু বাংলাদেশী
এখানে ব্যবসার
সঙ্গে সঙ্গে
আরো অনেক
পেশায় জড়িত।
এছাড়া গবেষণাসহ
বহু একাডেমিক
কাজেও জড়িত
হচ্ছে ইদানীংকালে।
সুতরাং এটা
আমরা বলতেই
পারি।
ড. মো. তরিকুল ইসলাম: রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, মিড-ফ্লোরিডা রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টার, ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র। সাবেক পিএইচডি রিসার্চ ফেলো, একাডেমিয়া সিনিকা, ন্যাশনাল চুং শিং ইউনিভার্সিটি, তাইওয়ান।





