&dquote;&dquote;কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি শস্য বহুমুখীকরণ, কৃষিপরিবেশ সুরক্ষা এবং কৃষকের সমৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। ছয়টি সংস্থা যথা— ডিএ (ইঅ্যান্ডএম), ডিএ (জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রীভূত করে বর্তমান ডিএই কার্যক্রম চালু হয়। মূলত খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কৃষি বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে পরিবর্তনশীল জলবায়ুতে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও টেকসই উৎপাদনক্ষম উত্তম কৃষি কার্যক্রম প্রবর্তন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষাসহ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এটির সৃষ্টি হয়। তবে গত সাড়ে তিন দশকে এসব লক্ষ্য অর্জনে কতটুকু ভূমিকা রেখেছে, তা এখন মূল্যায়নের সময় এসেছে।

গত কয়েক দশকে কৃষিতে যে সাফল্য, কৃষকের পাশাপাশি তার অন্যতম অংশীজন ডিএইর সম্প্রসারণ কর্মীরা। এ দুইয়ের সম্মিলনেই মুখ্যত বাড়ছে খাদ্যশস্যের উৎপাদন। খণ্ড খণ্ড জমি, উন্নত বীজ ও প্রযুক্তির অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ— সব প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেই এ সাফল্য আসছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিল যেখানে এক কোটি টন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সেখানে প্রধান পাঁচটি খাদ্যশস্যের উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ টন। পাশাপাশি সবজি, তেল ও ডালজাতীয় ফসল, ফলমূল, বিকল্প ফসল উৎপাদনে কাজ করে যাচ্ছে সংস্থাটি।

দপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আটটি উইং রয়েছে। সরেজমিন উইংয়ের আওতায় সারা দেশে ১৪টি অঞ্চল, ৬৪টি জেলা, ৪৮৬টি উপজেলা, ১৫টি মেট্রোপলিটন অফিস ও ১৪ হাজার ৩২টি ব্লক পর্যায়ে অধিদপ্তরের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত রয়েছে। প্রশিক্ষণ উইংয়ের আওতায় ১৬টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), হর্টিকালচার উইংয়ের আওতায় ৭৩টি উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র এবং উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের আওতায় ৩০টি উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। সৃজনকৃত পদসংখ্যা ২৬ হাজার ৪২। কৃষি কর্মকর্তারা সার্বিকভাবে দুটি কাজ করে থাকেন। এর একটি হলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন। অন্যটি কৃষককে সচেতন করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক তৈরি। এগুলোই নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন সম্প্রসারণ কর্মীরা। ফসল আবাদে নানা ধরনের পরামর্শ ও তথ্য দিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীরা। উচ্চফলনশীল শস্যের নতুন জাত ও আবাদের পদ্ধতি-সম্পর্কিত সব তথ্যই কৃষকরা সম্প্রসারণ কর্মীদের কাছ থেকে পাচ্ছেন। জানতে পারছেন মাটির গুণাগুণ, সার, কীটনাশক ও বীজ ব্যবহার এবং উৎপাদিত শস্যের বাজারজাতকরণের তথ্যও। এসব কাজের জন্য স্বীকৃতিও পাচ্ছেন তারা।

ক্যাটালিস্টের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩৫ শতাংশ কৃষক উচ্চফলনশীল জাত ও মাটির গুণাগুণ-সম্পর্কিত তথ্য সম্প্রসারণ কর্মীদের কাছ থেকে পাচ্ছেন। বীজ ও আবাদ পদ্ধতির তথ্য নিচ্ছেন ২০-২৫ শতাংশ কৃষক। আর সেচ ও সারের ব্যবহার-সম্পর্কিত তথ্য নিচ্ছেন ১২-১৬ শতাংশের কৃষক।

সম্প্রসারণ কর্মীদের কাজের আরো স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (বার্ড)। এক জরিপে তারা দেখিয়েছে, ৭৬ শতাংশ কৃষকই ডিএইর বিভিন্ন বিভাগের সেবা দুর্নীতিমুক্ত বলে মনে করেন। সেবাগ্রহীতার প্রায় ৯৬ শতাংশের মতে, সংস্থাটির কর্মকর্তারা গ্রামে ভ্রমণ করেন কিংবা কৃষকের সমস্যা সমাধানে সরাসরি কাজ করেন। গত বছর দেশের সাতটি বিভাগের ১৪টি জেলার ১৪টি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নে জরিপটি পরিচালনা করে বার্ড। সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে ডিএই ছাড়াও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (ডিএলএস) ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং সমাজ সেবা বিভাগকে বিবেচনায় নিয়ে আসা হয়। এসব বিভাগের যারা সরাসরি সেবা গ্রহণ করে থাকেন এবং যারা সেবা গ্রহণ করেন না, তাদেরকেও জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এভাবে কাজ করে গেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে, তা সহজেই পূরণ করা সম্ভব। দক্ষ, ফলপ্রসূ, বিকেন্দ্রীকৃত, এলাকানির্ভর, চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের মাধ্যমে সব শ্রেণীর কৃষকের প্রযুক্তিজ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। যাতে টেকসই ও লাভজনক ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণসহ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হয়। সেই মিশনের বেশ খানিকটাই অর্জন করা গেছে। তবে সামনের দিনে রয়েছে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ। দেশের কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে সামনে আরো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এর অন্যতম। এজন্য ঘাতসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, নির্দিষ্ট ফসল থেকে জমিকে দ্রুত অন্যান্য ফসলে স্থানান্তর করতে হবে। ধানভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা থেকে অন্যান্য ফসলে দ্রুত স্থানান্তরে সম্প্রসারণ কর্মীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। গবেষণা কার্যক্রমেও সম্প্রসারণ কর্মীদের আরো যোগসূত্র স্থাপন প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রজেক্টের অর্থায়নে বিশেষ কিছু অঞ্চলে মেলা না করে দেশব্যাপী সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে মেলা করা যেতে পারে। আর এগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা। এজন্য সামনের দিনে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সম্প্রসারণ কর্মীদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

দেশে এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ জমিতে ধানের আবাদ হচ্ছে। দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে জলবায়ু ও কৃষি আবহাওয়া। এতে সম্প্রসারণ কর্মীরা কতটুকু নিজেদেরকে মানিয়ে নিচ্ছেন, সেটির ওপর নির্ভর করছে আগামী দিনের খাদ্যনিরাপত্তা। কেননা অধিদপ্তরের সৃজনকৃত মোট পদের বিপরীতে হাজারখানেক পদ এখনো ফাঁকা রয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রসারণ কর্মীদের গত কয়েক বছরে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে তোলা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

আবার সম্প্রসারণ কর্মীদের আরো কৃষকের কাছাকাছি পৌঁছতে হবে। কেননা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠলেও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা থেকে বঞ্চিত দক্ষিণাঞ্চলের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষক। আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইএফপিআরআই) গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ শতকের নিচে জমি আছে এমন প্রান্তিক কৃষক মোট কৃষকের প্রায় ৩৩ শতাংশ, যারা মোট জমির ৮ শতাংশ আবাদ করেন। এসব কৃষকের মাত্র ১০ শতাংশ সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা পান। অন্যদিকে ৫০ শতকের ঊর্ধ্বে কিন্তু ১৪৯ শতকের নিচে এমন ক্ষুদ্র বা ছোট কৃষক মোট কৃষকের প্রায় ৪৪ শতাংশ, যারা মোট জমির ৩৭ শতাংশ আবাদ করে থাকেন। তবে সংখ্যায় ও আবাদে এ ধরনের কৃষক বেশি হলেও মাত্র ১৭ শতাংশ কৃষক সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা পাচ্ছেন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে মাঝারি কৃষক যাদের জমি ১৫০-২৪৯ শতকের মধ্যে রয়েছে, তাদের পরিমাণ মোট কৃষকের ১৫ শতাংশ। তারা মোট জমির ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ আবাদ করে থাকেন। এসব কৃষকের মাত্র ১৯ শতাংশ সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা পেয়ে থাকেন।

অন্যদিকে বড় কৃষক যাদের জমি ২৫০ শতকের উপরে রয়েছে, তাদের সংখ্যা মোট কৃষকের প্রায় ৮ শতাংশ। তারা ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ জমি আবাদ করে থাকেন। তবে এসব বড় কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি সেবা পেয়ে থাকেন। এদের মধ্যে ২৮ শতাংশ কৃষক সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা পেয়ে থাকেন। সব মিলিয়ে এ অঞ্চলের ১৬ শতাংশ কৃষক সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা পাচ্ছেন। বাকি ৮৪ শতাংশই বঞ্চিত থাকছেন।

বাংলাদেশে আধুনিক কৃষি সম্প্রসারণের পেছনে শতাধিক বর্ষের ঘটনাবহুল ইতিবৃত্ত রয়েছে। ১৮৬২-৬৫ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবেলার জন্য দুর্ভিক্ষ কমিশন প্রথম কৃষি বিভাগ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে। ফলে ১৮৭০ সালে রাজস্ব বিভাগের অংশ হিসেবে কৃষি বিভাগের জন্ম হয়। পরবর্তীতে ১৯০৬ সালে স্বতন্ত্র কৃষি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। একই সময়ে ঢাকার মণিপুরে (বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায়) কৃষি খামারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি এক হাজার একর জমি নিয়ে বিস্তৃত। খামারটি কৃষি বিভাগে সম্পৃক্ত করা হয়। ১৯০৯ সালে ওই খামারের কৃষি গবেষণার জন্য একটি ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়। ১৯১৪ সালে তত্কালীন প্রতিটি জেলায় একজন করে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। এদের মধ্যে কৃষিবিজ্ঞানে জ্ঞানসম্পন্ন কোনো কর্মকর্তা ছিলেন না। পরবর্তীতে ১৯৪৩ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ কৃষি কলেজ থেকে পাস করা গ্র্যাজুয়েটরা কৃষি বিভাগে যোগদান করেন এবং তখন থেকেই বস্তুত কৃষি সম্প্রসারণকাজ শুরু হয়।

১৯৫০ সালে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন (ভিএআইডি) প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সম্প্রসারণ শিক্ষা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালে উদ্ভিদ সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ১৯৬১ সালে বিএডিসি, ১৯৬২ সালে এআইএস, ১৯৭০ সালে ডিএইএম এবং ডিএআরই সৃষ্টি হলেও কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তেমন কোনো পরিকল্পিত সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭২ সালে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডকে জোরদার করার লক্ষ্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড, হর্টিকালচার বোর্ড এবং ১৯৭৫ সালে কৃষি পরিদপ্তর (পাট উৎপাদন), কৃষি পরিদপ্তর (সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনা) নামে ফসলভিত্তিক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু একই কৃষকের জন্য বিভিন্নমুখী সম্প্রসারণ বার্তা ও কর্মকাণ্ড মাঠপর্যায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থাকে একত্রিত করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

কৃষি বিভাগ ১৯৭৭-৯০ সাল পর্যন্ত প্রবর্তিত প্রশিক্ষণ ও পরিদর্শন (টিঅ্যান্ডভি) পদ্ধতির মাধ্যমে এবং ১৯৯০ সালের পর হতে অদ্যাবধি দলীয় সম্প্রসারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের কৃষি ও কৃষককে সেবা প্রদান করেছে। পরিকল্পিত এবং অংশীদারিত্বমূলক সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য ১৯৯৬ সালে নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতি (এনএইপি) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।

ঐতিহাসিক এ প্রতিষ্ঠানে এখন নানামুখী প্রতিবন্ধকতা এবং সংকট তৈরি হয়েছে। সরকার যদিও চেষ্টা করছে এগুলো দ্রুত মোকাবেলা করে ডিএইকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করার। সম্প্রসারণ কর্মী সংকট, প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধার অভাব, সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে কম মর্যাদা প্রদান ছাড়াও অভ্যন্তরীণ বেশকিছু প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে। তবে এসব প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে অন্যতম মাধ্যম হতে পারেন সম্প্রসারণ কর্মীরা। কৃষকদের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম আরো বেগবান করতে হলে অবশ্যই সম্প্রসারণ কর্মীদের আরো জোরালো ভূমিকা নিতে হবে। কেননা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, সম্প্রসারণ কর্মীর সেবা পেলে কৃষকরা শস্য আবাদে বহুমুখিতা, উৎপাদনশীলতা এবং আবাদে উন্নত প্রযুক্তি ও জাত ব্যবহারে আগ্রহী হন। ফলে সম্প্রসারণ কর্মীদের সেবা কৃষকের আয় ও সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এজন্য কৃষকের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তৈরিতে প্রত্যেক কৃষি কর্মকর্তার প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে হবে। তাছাড়া কৃষকের মধ্যে নতুন নতুন জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কর্মকর্তাদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৃষকের এ মেলবন্ধনে দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত করার পাশাপাশি রফতানিমুখীও করা সম্ভব।

 

লেখক: সাংবাদিক