স্পোর্টস মোটরসাইকেলের প্রতি তরুণ বাইকারদের আলাদা রকমের ফ্যান্টাসি কাজ করে। কিন্তু দেশে আমদানি কর অনেক বেশি এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার বাইক বৈধ নয়। ফলে এ সীমার মধ্যেই শখ মেটাতে হবে। এ সীমাবদ্ধতার মধ্যে দেশের বাজারে স্পোর্টস ও ন্যাকেড (বডি কিট ছাড়া) ভার্সন বাইক এনেছে এসিআই মোটরস, হোন্ডা বাংলাদেশ, র্যানকন ও টিভিএস। দামের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বাজারে সেরা পাঁচটি মোটরসাইকেলের তথ্য তুলে ধরা হলো—

কেটিএম আরসি ১২৫&dquote;&dquote;

 

অস্ট্রিয়ান মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কেটিএমের আরসি ১২৫ মডেলের স্পোর্টস বাইকটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাইকের ১২৫ সিসির ইঞ্জিন ১৪.৮ বিএইচপি এবং ১১.৮ এনএম আরপিএম উত্পন্ন করতে সক্ষম। ৬ গিয়ারের এ স্পোর্টস বাইকটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২৫ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। বাইকটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। মোটরসাইকেল ওয়ার্ল্ড লিমিটেড এ বাইকের আমদানিকারক।

 

ইয়ামাহা আর১৫ ভি থ্রি&dquote;&dquote;

 

স্পোর্টস বাইক হিসেবে দেশের বাজারে কদর রয়েছে ইয়ামাহার। এসিআই মোটর ইয়ামাহার বাংলাদেশী পরিবেশক। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের বাজারে এসেছে ইয়ামাহা আর১৫ ভি থ্রি বাইকটি। কর্নারিং, কন্ট্রোলিং ও ব্রেকিং পারফরম্যান্স বিবেচনায় এ মোটরসাইকেল রয়েছে বাইকারদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। ১৫৫ সিসির লিকুইড কুলড ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে মোটরসাইকেলটিতে। সিঙ্গেল সিলিন্ডারের ইঞ্জিনের ইয়ামাহা আর১৫ ভি থ্রি স্পোর্টস বাইকটির সর্বোচ্চ টর্ক ১৫ এনএম। ১৭ পিএস ম্যাক্সিমাম পাওয়ারের বাইকটির ওজন ১৩৬ কেজি। ৬ গিয়ারের এ বাইকটিতে তেল ধারণক্ষমতা ১২ লিটার। এছাড়া বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিগার ডিস্ক ব্রেক, ফ্রন্ট ইউএসডি সাসপেনশন, এলইডি হেডলাইট ও টেইল লাইট। ইয়ামাহার এ স্পোর্টস বাইকের ইন্দোনেশিয়ান ভার্সনের দাম পড়বে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

 

হোন্ডা সিবিআর ১৫০ আর&dquote;&dquote;

 

হোন্ডার ফ্ল্যাগশিপ স্পোর্টস বাইক সিবিআর ১৫০ আর। বাইকটি দামের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ডাবল ডিস্ক ভার্সনের দাম ৪ লাখ ৫০ হাজার এবং এবিএস ভার্সনের দাম পড়বে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বাইকটিতে ১৫০ সিসি অয়েলকুলড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা থেকে ১২.৬ কেডব্লিউ পাওয়ার এবং সর্বোচ্চ ১৪.৪ এনএম টর্ক পাওয়া যাবে।

 

সুজুকি জিএসএক্স আর১৫০&dquote;&dquote;

 

সুজুকির ফ্ল্যাগশিপ স্পোর্টস বাইক হিসেবে বর্তমানে দেশীয় বাজারে রয়েছে জিএসএম আর১৫০ মডেলের মোটরসাইকেলটি। ১৫০ সিসি ফুয়েল ইনজেকশন ইঞ্জিন থেকে সর্বোচ্চ ১৮.৯০ বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৪এনএম টর্ক উত্পন্ন করতে সক্ষম। ৬ গিয়ারের বাইকটিতে টেলিস্কোপিক ফর্ক ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এ বাইকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, অন্যান্য স্পোর্টস বাইকের মতো এর আরপিএম লকড থাকে না। আনলকড আরপিএম থাকায় এ বাইকটিতে ইচ্ছেমতো স্পিড তোলা সম্ভব। বাংলাদেশের বাজারে বাইকটির দাম ভার্সনভেদে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত।

 

অ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ ফোর-ভি&dquote;&dquote;

২০০৬ সালে অ্যাপাচি আরটিআর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর প্রায় ১২ বছর পর এল ফোর-ভি সংস্করণ। লুক থেকে শুরু করে সবকিছুতেই মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে নতুনত্ব। এতে রয়েছে ১৫৯.৭ সিসি পাওয়ারফুল ইঞ্জিন। ১৬০ সিসি সেগমেন্টে সবচেয়ে পাওয়ারফুল এ ইঞ্জিন ৮০০০ আরপিএমে ১৬.৫ পিএস শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম, যা মাত্র ৪.৭৩ সেকেন্ডেই দেবে শূন্য থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৭০ এমএম রোটো পেটাল ফ্রন্ট ও ২০০ এমএম রিয়ার ডিস্ক ব্রেক, যা গাড়ির গতি কমিয়ে ঝুঁকিমুক্ত স্মুথ ব্রেক দেবে তাত্ক্ষণিক। বেস্ট ক্লাস ফোমে বানানো রেসিং সিট দেবে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য। সঙ্গে সুরক্ষাও। দাম প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা (ডাবল ডিস্ক)।