প্রস্তাবিত বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় অর্থ অধ্যাদেশ-২০২৫-এর প্রশংসার পাশাপাশি বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা জানিয়েছে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)।

গতকাল এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, নির্মাণ কোম্পানি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ওপর উৎস কর হ্রাস করা একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ, যা গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলোর জন্য স্বস্তি প্রদান করবে। জয়েন্ট ভেঞ্চার বা যৌথ উদ্যোগ থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর উৎস কর আরোপ না করা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সুসংবাদ। আমরা আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্বৈতকর পরিহার চুক্তিকে আয়কর আইন ২০২৩-এর ওপর প্রাধান্য দেয়ার উদ্যোগ সাধুবাদ জানাই।

এফআইসিসিআই জানিয়েছে, পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানিগুলোর জন্য যাদের শেয়ারের ১০ শতাংশের কম আইপিওর মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব উদ্বেগজনক। এছাড়া ব্যাংকিং মাধ্যমে লেনদেন নিশ্চিতে হ্রাসকৃত করহার লাভের যে সুবিধা ছিল তাও বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে করহার ২৭ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব আনুষ্ঠানিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জাতীয় প্রচেষ্টার বিপরীত। আরেকটি হতাশাজনক দিক হলো বেতনভোগী করদাতাদের ওপর প্রভাব। প্রাথমিক স্তরে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করা হলেও সামগ্রিক পরিবর্তন বিবেচনায় প্রবর্তিত পরিবর্তন মধ্য আয়ের করদাতাদের ওপরে অতিরিক্ত করের বোঝা সৃষ্টি করবে।

এতে আরো বলা হয়, অনলাইন বিক্রয়ের ওপর ভ্যাট ৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা অনলাইন ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবে, ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করবে।

এফআইসিসিআই বলছে, যাদের শেয়ারের ১০ শতাংশ এর কম আইপিওর মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব উদ্বেগজনক। বর্ধিত হারে এই করের প্রভাব বৈষম্যমূলক।