মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেটে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি বলে তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজেট-পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানিয়েছেন সংস্থাটি। এতে বলা হয়, মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেটে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ঘাটতি বাজেট মেটাতে গত বছরের চেয়ে বেশি মাত্রায় ব্যাংকনির্ভর হওয়া নেতিবাচক দিক। বরং করজালের আওতা বাড়িয়ে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন।
এবারের বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকট বিবেচনায় করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত রাখা হতাশাজনক। আমরা করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা করার দাবি করছি। আয়কর হিসাবে বিয়োজনের পরিমাণ বাড়ানোকে ইতিবাচক মনে করছি। প্রত্যাশিত করের বিধান ইতিবাচক, তবে কর স্ল্যাবে পরিবর্তন মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীদের ওপর করের বোঝা বাড়বে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফোন তৈরিতে ভ্যাট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদনে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে স্থানীয় শিল্প ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এলএনজি আমদানি পর্যায়ে গ্যাসের উৎসে কর কমানো ও ভ্যাট প্রত্যাহারের ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতে ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান নয়।
উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি ও বিকল্প অর্থায়ন উৎস তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে ঢাকা চেম্বার মনে করে, একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গঠনে এ বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য। তবে বিনিয়োগ, ব্যবসার পরিবেশ, সিএমএসএমই ও ব্যাংক খাত সংস্কার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। এসব পদক্ষেপ বাজেটে বিবেচনা করা হলে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ইতিবাচক ধারায় ফিরত।










