২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লক্ষ্যাভিলাষী ধারণা থেকে সরে এসে সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর জোর দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ। গতকাল এক বিবৃতিতে বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানিয়েছে সংগঠনটি।

এতে বলা হয়, বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে পোশাক কর্মীসহ স্বল্প আয়ের মানুষ উপকৃত হবেন। কিছু কর্মসূচিতে ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

আরো বলা হয়, এলএনজি আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম ও ডিজেলের আমদানি শুল্কও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে এর সুফল পৌঁছবে এবং প্রত্যক্ষভাবে উৎপাদন ব্যয় কমবে। নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন সুদৃঢ় করতে, ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বিজিএমইএ এগুলোকে স্বাগত জানায়।

তবে বিজিএমইএর কিছু প্রস্তাব বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে কারখানাকে আধুনিক, নিরাপদ, ঝুঁকিমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব এবং পরিচালনা ব্যয় সাশ্রয় করতে কিছু যন্ত্রপাতি ও উপকরণ শুল্কমুক্ত/রেয়াতি হারে আমদানির অনুমোদন দেয়া; পোশাক খাতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ভ্যাটমুক্ত রাখা; এইচএস কোড সহজীকরণ, বন্ডেড প্রতিষ্ঠান থেকে নন-বন্ড প্রতিষ্ঠানে পণ্য ও সেবা সরবরাহ, সাব-কন্ট্রাক্ট, স্থানীয় নন-বন্ড প্রতিষ্ঠানে পণ্য ও সেবা সরবরাহ, বার্ষিক প্রাপ্যতা সীমা নির্ধারণ, কন্টিনিউয়াস বন্ড-সংক্রান্ত কার্যক্রম সহজীকরণ এবং সার্কুলার ফ্যাশন ও রিসাইকেল পণ্যকে উৎসাহিত করতে রিসাইক্লিং শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া, পণ্য ও সেবাকে শুল্ক ও ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা।