পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধের বিপরীতে ৫ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা দেয়ারও প্রস্তাব করা হয়েছে। গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এসব প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশে রেয়াতি সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানির ওপর প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর শূন্য শতাংশ করার জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সুবিধা ৩০ জুন ২০৩১ পর্যন্ত কার্যকর রাখার কথা বলা হয়েছে।

দেশীয় শিল্পের বিকাশে উৎসাহ দিতে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে দেয়া রেয়াতি সুবিধা ২০২৮ সালের ৩০ জুনের পর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রতি বছর এ খাতে দেড় থেকে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। দেশে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে করছাড় এ খাতকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্টরা।