এ কর্মসূচির আওতায় বেসরকারি চাকরিজীবীরা অবসর গ্রহণের সময় নিজেদের জমা করা মোট অর্থের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে পাবেন।
গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় তিনি এ প্রস্তাব রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য চালু করা সর্বজনীন পেনশন তহবিলের আওতায় অবসর গ্রহণকালে মোট সঞ্চিত অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি হিসেবে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাজেটে এ প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে বেসরকারি চাকরিজীবীরা অবসরের পর নিয়মিত পেনশনের পাশাপাশি এককালীন একটি উল্লেখযোগ্য অর্থ হাতে পাবেন, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।’
এদিকে এবারের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, নারী ও প্রবীণদের সহায়তা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানো এবং সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এছাড়া বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা অব্যাহত রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে।
সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়। বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা।










