হাইসেন্স ২০২৫ সালের ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের অফিশিয়াল স্পন্সর। বিশ্বে ১০০ ইঞ্চি প্লাস টিভি ক্যাটাগরিতে নাম্বার ওয়ান পজিশনে থাকা হাইসেন্সের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে কনজিউমার ইলেট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সের অত্যাধুনিক পণ্য। হাইসেন্স টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন ও ওভেন বাংলাদেশে এরই মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বর্তমানে এ পণ্যগুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার ফেয়ার ইলেকট্রনিকস স্মার্ট প্লাজা, অথরাইজড ডিলার ও পার্টনার আউটলেট এবং অনলাইনে ঈদের আকর্ষণীয় অফারসহ পাওয়া যাচ্ছে।
টিভি: রফতানির দিক থেকে বিশ্বে ২ নম্বর অবস্থানে থাকা হাইসেন্স, বাংলাদেশে FHD, UHD এবং অত্যাধুনিক কিউলেড গুগল টিভি নিয়ে এসেছে। হাইসেন্স কিউলেড টিভির কোয়ান্টাম ডট কালার, ফোরকে এআই আপস্কেলার এবং ডলবি ভিশন অ্যান্ড অডিওর মতো প্রযুক্তি গ্রাহকদের আধুনিক এবং প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা দেয়। এছাড়া শিগগিরই হাইসেন্স বাংলাদেশের বাজারে ১০০+ ইঞ্চি টিভি আনতে যাচ্ছে। হাইসেন্স টিভিতে পাচ্ছেন চার বছরের প্যানেল ও স্পেয়ার পার্টস ওয়ারেন্টি ও ফ্রি সার্ভিস।
রেফ্রিজারেটর: ইনভার্টার টেকনোলজির ও গ্লাস ডোরসহ বিভিন্ন মডেলের হাইসেন্স রেফ্রিজারেটর একই সঙ্গে এলিগ্যান্ট ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী। প্রিমিয়াম রেঞ্জের প্রডাক্টের মধ্যে রয়েছে হাইসেন্স ক্রস ডোর রেফ্রিজারেটর (৬৬৪ লি.): চার দরজার অত্যাধুনিক ও প্রিমিয়াম মেটাল গ্লাইড টেকনোলজির কারণে ড্রয়ারগুলো সহজে খোলা বা আটকানো যায়। নতুন প্রিমিয়াম ব্ল্যাক গ্লাস ডোর ডিজাইন আপনার ঘরের সঙ্গে হবে মানানসই। রয়েছে ট্রিপল জোন, তা হলো ফ্রিজ, ফ্রিজার ও মাই ফ্রেশ চয়েস। প্রতিটি জোনে নিজস্ব তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে।
সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর (৫৬৪ লি. ও ৫৮০ লি.): হাইসেন্সের রয়েছে দুটি ভিন্ন রঙের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর। এ ফ্রিজে ওয়াটার ডিসপেনসার থাকায় ফ্রিজের দরজা না খুলেই আপনি ঠাণ্ডা পানি পান করতে পারবেন। আর অভিজাত ডিজাইনের এ ফ্রিজ আপনার বাসার লুকই বদলে দেবে। আপ্রাইট প্রিমিয়াম সিঙ্গেল ডোর (৩০০ লি.): এই নো ফ্রস্ট ফ্রিজ ডিফ্রস্ট করার ঝামেলা নেই। খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না। এর এলইডি লাইট ফ্রিজের ভেতরে কোনো প্রকার হিট তৈরি করে না, যার ফলে খাবার ভালো থাকে দীর্ঘদিন। এছাড়া মেটাল টেক কুলিং, ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল সিস্টেম, বড় বাক্সের সুবিধা তো আছেই।
এছাড়া রয়েছে সবার উপযোগী ফ্রস্ট ও নো ফ্রস্ট ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন মডেলের রেফিরজাটের। হাইসেন্স টপ মাউন্ট (২৩৮ লি. ও ২৭৭ লি.) এবং বটম মাউন্ট (২৫৯ লি. ও ২৭০ লি.) রেফ্রিজারেটরের গ্লাস ডোর ডিজাইন যা আপনার ঘরকে করে তুলবে আকর্ষণীয়। ফ্রিজার চেম্বার বড় হওয়ায় অধিক পরিমাণ মাছ-মাংস রাখা যায়। এর ফুড গ্রেড ম্যাটেরিয়াল আপনাকে দেয় সতেজ খাবারের নিশ্চয়তা। এ ফ্রিজের ভেতরে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী ABS liner যা ফ্রিজকে করে দীর্ঘস্থায়ী ও মজবুত। এর গ্লাস শেলফগুলোর রয়েছে ৪০ কেজি পর্যন্ত ধারণক্ষমতা। এর ইনভার্টার প্রযুক্তি অধিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নিশ্চয়তা দেয়। এ গরমে ঠাণ্ডা পানির সমাধানে হাইসেন্স বটম মাউন্ট রেফ্রিজারেটরও যুক্ত হয়েছে ওয়াটার ডিসপেন্সার প্রযুক্তি। আর এর ফ্রিজার অংশে শেলফের পাশাপাশি দেয়া হয়েছে আকর্ষণীয় ড্রয়ার।
হাইসেন্স কনভারটেবল ও গ্লাস ডোর চেস্ট ফ্রিজারে সুন্দর ডিজাইনের পাশাপাশি বার হ্যান্ডেলের মতো অতিরিক্ত অংশ বের হয়ে থাকে না। ফ্রিজার থেকে ফ্রিজে কনভার্ট করতে পারবেন। রয়েছে ডোর লক সুবিধা। সব ফ্রিজে রয়েছে ১২ বছরের কম্প্রেসর ওয়ারেন্টি।
ওয়াশিং মেশিন: ইনভার্টার টেকনোলজির হাইসেন্স ওয়াশিং মেশিনের ফ্রন্ট লোড মডেলে রয়েছে পিউর স্ট্রিম টেকনোলজি, অ্যালার্জি স্টিম কেয়ার এবং ড্রাম ক্লিন ফিচার। অন্যদিকে টপ লোড মডেলে বাবল ক্লিন, কুইক ওয়াশ, সফট ক্লোজিং ও অটো টাব ক্লিন প্রযুক্তি রয়েছে, যা গ্রাহকদের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি নানা রকম সুরক্ষাও দিচ্ছে। আর গ্রাহকদের জন্য আছে ১২ বছরের ইনভার্টার মোটর ওয়ারেন্টি।
হাইসেন্স ওভেন: হাইসেন্সের সলো (২০ লি. ও ২৫ লি.), গ্রিল (২৬ লি.) ও কনভেকশন (২৮ লি.)—এই তিন ক্যাটাগরিতে আকর্ষণীয় ডিজাইন ও আধুনিক প্রযুক্তির ওভেন রয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের সুবিধার কথা ভেবে এর দামও রেখেছে নাগালের ভেতরেই।
এসি: ফুল ডিসি ইনভার্টার প্রযুক্তির হাইসেন্স এসিগুলো ৬৫% পর্যন্ত বিদ্যুৎসাশ্রয়ী। এই এসি মডেলগুলো এক, দেড় ও দুই টনের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। হাইসেন্স অস্ট্রেলিয়ায় গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে এয়ারকন্ডিশনার ক্যাটাগরিতে ১ নম্বর অবস্থানে আছে। এছাড়া ইংল্যান্ড, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া ও চেক দেশগুলোয় হাইসেন্স এসি ১ নম্বর পজিশনে আছে। হাইসেন্স দিচ্ছে ১২ বছরের কম্প্রেসর ওয়ারেন্টি।
প্রডাক্ট রেঞ্জের বৈচিত্র্য, টেকনোলজি এবং বিভিন্ন সময়ের স্পন্সরশিপ বিশ্বজুড়ে গ্রাহকদের কাছে হাইসেন্সের অন্য রকম আবেদন তৈরি করেছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। তাই দিন দিন গ্রাহকদের মাঝে নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে ছড়িয়ে যাচ্ছে হাইসেন্সের নাম।










