বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ে স্বল্প সুদে ব্যাংক থেকে ঋণ পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। দেশের যেকোনো স্থানে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট ক্রয়ে এ ঋণ দেয়া হবে। ঋণের প্রকৃত সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করবে। এর মাধ্যমে সেবা প্রদানে সরকারি কর্মচারীরা আরো উদ্যমী ও সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হবেন বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ঋণকে বাস্তবসম্মত পর্যায়ে উন্নীত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারি কর্মচারী বিশেষত নবীন কর্মকর্তারা যেন একটি ফ্ল্যাট বা গৃহের মালিক হতে পারেন, সেদিকে লক্ষ রেখে আমরা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদানের বিষয়ে একটি নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছি। আগামী অর্থবছরেই তা কার্যকর হবে বলে আশা রাখি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো স্থানে গৃহ নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য ঋণ নিতে পারবেন। সহনীয় ও পরিশোধযোগ্য সুদে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এ ঋণ সরকারি কর্মচারীদের দেয়া হবে। ঋণের প্রকৃত সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি বাবদ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করবে। আশা করি, এ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর সরকারি সেবা প্রদানে কর্মচারীরা আরো উদ্যমী হবেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ সুদে নিজ ব্যাংক থেকে গৃহঋণ সুবিধা পান। সরকারি কর্মচারীরাও ব্যাংক হারেই গৃহঋণ পাবেন। যদিও দেশের ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে গৃহঋণের সুদহার প্রায় ১৫ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৫ সালে সরকারি কর্মাচরীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল চালু করা হয়েছে, যা পূর্বতন বেতন স্কেলের দ্বিগুণ।