২০১৮-১৯ অর্থছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে মোট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৬ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভর্তুকি হিসেবে ৯ হাজার কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও চলতি অর্থবছরের ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার মূল বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকির প্রস্তাব রাখা হয়েছিল ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

বাজেটে কৃষি খাতের প্রধান উপকরণ বিশেষ করে সার, বীজ, কীটনাশক ইত্যাদি আমদানিতে ‘শূন্য’ শুল্কহার অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গম, ভুট্টা, আলু ও কাসাভা থেকে উৎপাদিত স্টার্চের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ এবং রেগুলেটরি ডিউটি ১০ শতাংশ হারে নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন তিনি।

সংশোধিত বাজেটের তুলনায় কৃষি খাতে ভর্তুকি বাড়ানো হয়েছে, যা মোট বাজেটের প্রায় ২ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ভর্তুকির পরিমাণ বাড়েনি। চলতি অর্থবছরের মতো আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও ৯ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, কৃষি ভর্তুকি, সার-বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণে প্রণোদনা ও সহায়তা কার্ড, সেচ সুবিধা ও খামার যান্ত্রিকীকরণ, শস্য বহুমুখীকরণ প্রণোদনা ও সহায়তা কার্ড সুবিধা ও খামার যান্ত্রিকীকরণ, শস্য বহুমুখীকরণ ও বিপণন, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা ইত্যাদি সফল কার্যক্রমগুলো আমরা প্রয়োজনীয় মাত্রায় অব্যাহত রাখব। তবে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এক্ষেত্রে দক্ষতা আরো বাড়ানো হবে।