বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন এলপিজির ব্যবহার এর বড় প্রমাণ। এর চাহিদা ক্রমবর্ধমান। আমি ব্যক্তিগতভাবে পরিবহন খাতে এর ব্যবহার বৃদ্ধি দেখতে চাই।
বিশ্ব বাজারের বর্তমান অস্থিরতা দেশে এর সরবরাহকে বিঘ্নিত করছে। এটি এলপিজির আমদানি উৎসকে ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক জোনে বিভক্ত করার গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের সচেতন করেছে।
একই সঙ্গে এলপিজি মার্কেটে সরকারের অংশ বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে। মাতারবাড়ী এলপিজি টার্মিনালের নির্মাণ দ্রুত সমাপ্ত করা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন হতে পারে।
দেশে এলপিজির পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সবার লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে এলপিজি অপারেটরদের অ্যাসোসিয়েশন লোয়াব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।





