ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গায় গ্যাসের সংকট এখন নিত্যদিনের ঘটনা। দিনে দিনে এ সমস্যা আরো তীব্র হয়ে উঠছে। কখন গ্যাস আসবে আর কখন যাবে— এ অনিশ্চয়তায় নির্ভর করে থাকা বেশ চ্যালেঞ্জিং। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই খুঁজছেন বিকল্প সমাধান, আর ঠিক সেখানেই উঠে এসেছে একটি আধুনিক গ্যাজেটের নাম—মাল্টিকুকার।
এটি একটি বৈদ্যুতিক রান্নার যন্ত্র। এর সাহায্যে একই যন্ত্রে ভাত, মাছ, মাংস, সবজি এমনকি পিঠা-মিষ্টি পর্যন্ত রান্না করা যায়। এতে থাকে স্বয়ংক্রিয় সময় ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, যা রান্নাকে করে তোলে সহজ, নিরাপদ ও তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর। অনেক মডেলে আবার ভাপে রান্নার ব্যবস্থাও থাকে, যেটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণে সহায়ক।
গ্রামে বা দেশের বাইরে বেড়াতে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার জন্য বাইরে গেলে শুধু একটি মাল্টিকুকার থাকলেই সহজে রান্না করা সম্ভব। বিশেষ করে যারা একা থাকেন বা কর্মজীবী নারী, তাদের জন্য মাল্টিকুকার এখন কার্যকর একটি সঙ্গী হয়ে উঠছে। তবে এতে রান্নার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার।
যেহেতু মাল্টিকুকারে গ্যাস বা মাটির চুলার তুলনায় ধীর তাপে রান্না হয় তাই সময় একটু বেশি লাগে। সেক্ষেত্রে ভাত রান্নার আগে চাল ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে রান্নায় সময় কম লাগে।
তেমনি মাছ-মাংস রান্নার আগে তা লবণ-মসলা মেখে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিয়ে, অল্প পরিমাণ পানিতে রান্না করতে হয়। একসঙ্গে বেশি পানি দিলে রান্নার স্বাদ নষ্ট হতে পারে।
মাল্টিকুকারে ভাপে রান্নার ব্যবস্থাও থাকে, তাই পিঠা ও মিষ্টি তৈরিতেও এটি কাজে আসে। তবে ভাপে রান্নার আগে পানির পরিমাণ ও টাইমার ঠিকঠাক সেট করা জরুরি।
মাল্টিকুকার কেনার সময় পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী আকার বুঝে কেনা উচিত। সেইসঙ্গে কুকারে কয়টি পাত্র আছে, ভাপে রান্নার সুবিধা আছে কিনা এসব বিষয়ও নিশ্চিত হতে হবে।










