বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গেরিলা সংগঠক মৌলভী সৈয়দ আহমদ। তার জন্ম ১৯৩৮ সালের ৪ মার্চ চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল-লাল জীবন গ্রামে। তাঁর পিতার নাম একরাম মিয়া সিকদার, মাতার নাম উম্মে উমদা খাতুন। দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট ভাই। তার পারিবারিক শিক্ষক ছিলেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, পীরে কামেল হযরত শাহ সুফি মৌলানা এলাহী বক্স (র. আ.) এবং মাওলানা আব্দুল লতিফ। তিনি পার্শ্ববর্তী পুইছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন। ইজ্জতীয়া জুনিয়র হাই স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন। মৌলভী সৈয়দ আহমদ স্কুলে পড়ার সময়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম সিটি কলেজে পড়ার সময় তিনি ছাত্র সংসদের জিএস ছিলেন। ১৯৬৭-৬৮ সালের তৎকালীন মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজনৈতিক সংগ্রাম আন্দোলনের কারণে পাকিস্তান সরকারের রোষানলে পড়ে তিনি গ্রেফতার হন। জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি ডিগ্রি পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি পাস করেন। পরে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৬৯-এর গণআন্দোলনে তিনি প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেন।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদান: ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বক্ষণে সব আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সফলভাবে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিলগ্নে ‘জয় বাংলা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী’ গঠন করা হয়। জয় বাংলা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সহসভাপতি ছিলেন আলহাজ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে অর্থাৎ মার্চের শেষে ও এপ্রিলের প্রথম দিকে বর্বর পাকিস্তানি দখলদার সৈনিকরা যখন নির্বিচারে বাঙালি হত্যাযজ্ঞে মত্ত তখন এই বিপ্লবী মৌলভী সৈয়দ আহমদ চট্টগ্রামের ছাত্র যুবকদের সংগঠিত করে গেরিলা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণার ইঙ্গিত পেয়ে এই তরুণ সাহসী রাজনৈতিক নেতা পাহাড়তলী এলাকার ঢাকা ট্রাঙ্ক রোডের পাশে অবস্থিত নিজ ‘সাইকেল পার্টস’-এর দোকানে শেল্টার গড়ে তুলেছিলেন। স্বাধীনতাকামী কয়েকজন যুবককে নিয়ে এক গোপন স্কোয়াড গঠন করেন। বিষয়টি পাক বাহিনীর নজরে এলে তারা স্থানীয় দালাল ও স্বাধীনতাবিরোধীদের মাধ্যমে জায়গাটি শনাক্ত করে মৌলভী সৈয়দ আহমদকে গ্রেফতার করেন। পরে গ্রেফতার থাকা অবস্থায় তিনি ভাগ্যক্রমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ট্রাক থেকে লাফ দিয়ে রাস্তার পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়তে সক্ষম হন এবং রাতের আঁধারে পুকুরের পানিতে ডুব দিয়ে পালিয়ে যান।

হাজার হাজার তরুণ ছাত্র যুবক চট্টগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নিরাপদ আশ্রয় কিংবা মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতের উদ্দেশে গেলেও তরুণ ছাত্রনেতা মৌলভী সৈয়দ আহমদ ঝুঁকি নিয়েই শত্রু পরিবেষ্টিত চট্টগ্রাম শহরের স্থানীয় দেশপ্রেমিক যুবকদের সংগঠিত করে অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহপূর্বক (তার মধ্যে বেশির ভাগ অস্ত্রশস্ত্র ছিল নিয়মিত বাহিনীর পরিত্যক্ত অস্ত্রশস্ত্র) চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ এলাকার আধা শহর আধা গ্রামীণ পরিবেশে স্থিত পানওয়ালা পাড়া গ্রামের সবুজবাগে গড়ে তুলেছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের এক দুর্ভেদ্য ঘাঁটি।

মুক্তিযোদ্ধাদের এক বিশাল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন মৌলভী সৈয়দ আহমদ। চট্টগ্রাম শহরের অভ্যন্তরে তার এই বিশাল গেরিলা নেটওয়ার্কের বিস্তৃত ছিল উত্তর আগ্রাবাদ, দক্ষিণ আগ্রাবাদ, পাঠানটুলী, রামপুর, গোসাইলডাঙ্গা, হালিশহর ওয়ার্ডে গ্রামীণ জনপদে। চৌমুহনী থেকে হালিশহর রোডটা পুরোটাই ছিল সার্বক্ষণিক নজরে। এজন্য হালিশহর রোডের দুই পাশের গ্রামগুলোতে স্থাপিত মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় কেন্দ্রগুলো নিরাপদ রাখার স্বার্থে এ রাস্তার দুই পাশের বাড়িগুলোর ছাদে কিংবা উঁচু স্থানে স্থাপন করেছিলেন কয়েকশ ‘অবজারবেশন পোস্ট’, যেখানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতেন দিবারাত্রি পালাক্রমে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা। শত্রুর আনাগোনা টের পেলেই তারা বিনা টেলিফোনে মুহূর্তের মধ্যে সাংকেতিক ভাষায় একে অন্যের মাধ্যমে খবর পৌঁছে দিতেন সুনির্দিষ্ট স্থানে।

১৯৭১ সালের মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মৌলভী সৈয়দ আহমদ ভারতের আগরতলা অবস্থানরত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দেশের অভ্যন্তরে শত্রু পরিবেষ্টিত অবস্থায় থেকে তিনি ইতিমধ্যে যে কাজগুলো করেছিলেন সেগুলো বিস্তারিত উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ চট্টগ্রাম পাঠানোর জন্য আবেদন জানান। সেখান থেকে নির্দেশ আসে, দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত আগ্রহী স্বাধীনতাসংগ্রামী যুবকদের স্থানীয়ভাবে সংগঠিত করে প্রয়োজনীয় সংক্ষিপ্ত গেরিলা ট্রেনিং দিয়ে যেন যথেষ্ট সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রহ করা হয় এবং অস্ত্রশস্ত্রসহ ভারতীয় ট্রেনিংপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশের পর মৌলভী সৈয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

১৯৭১ সালের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে প্রথম দলটি গ্রুপ কমান্ডার আ. রহমানের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম শহরে মৌলভী সৈয়দ আহমদের বেজ কমান্ডে আসে। এরপর পর্যায়ক্রমে বেশির ভাগ ভারতীয় ট্রেনিংপ্রাপ্ত গেরিলা গ্রুপগুলো মৌলভী সৈয়দ আহমদের নেতৃত্বে শতাধিক গেরিলা অপারেশনে অংশ নেন এবং শহর গেরিলা বাহিনীর প্রধান হিসেবে মৌলভী সৈয়দ আহমদকে মেনে নেন। মৌলভী সৈয়দ আহমদ শহরের কেন্দ্রস্থলে স্থানীয় উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যে বিশাল সাংগঠনিক ভিত গড়ে তুলেছিলেন তা গড়তে দেরি হলে বা গড়ে না তুললে ভারত থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত আগত মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আনীত অস্ত্রশস্ত্রসহ শত্রু অবরুদ্ধ চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করার পর প্রয়োজনীয় শেল্টার পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হতো এবং তাদের গেরিলা কার্যক্রম হয়তো অনেকটা বিঘ্নিত হতো।

অস্ত্র সংগ্রহ: প্রথমেই বিদ্রোহী বাঙালি ইপিআর সৈনিকদের পরিত্যক্ত অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ সংগ্রহ শুরু করা হয়। এমনকি অবাঙালিদের মজুদ অস্ত্রশস্ত্র ও দু-চার জায়গা থেকে উদ্ধার ও সংগ্রহ করা হয়। স্বাধীনতাকামী তরুণদের এ উদ্যোগ আয়োজন ও সাংগঠনিক তত্পরতা স্থানীয় অধিবাসীরা প্রথমে খুব একটা পছন্দের চোখে দেখেননি কারণ, তারা ভেবেছিলেন আধুনিক ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত সুসংগঠিত পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর পরিকল্পিত যুদ্ধের সঙ্গে স্থানীয় সাধারণ যুবকরা এমন কী আর প্রতিরোধ করতে পারবে।

গোপন প্রচার ও প্রচারণা: এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় জনগণকে আস্থায় নিতে গোপন প্রচারপত্রের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। এসব প্রচারপত্র যেহেতু কোনো ছাপাখানা থেকে ছাপানো সম্ভব নয়, তাই পুরনো একটি সাইক্লোস্টাইল মেশিন সংগ্রহ করে নিজেরাই এসব প্রচারপত্র মুদ্রণ করে স্থানীয় রিকশাওয়ালা, ফেরিওয়ালা, দোকানদার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের মাধ্যমে তা বিলির ব্যবস্থা করা হয়। অচিরেই ভালো সাড়া পাওয়া যায়। ব্যাপক গোপন প্রচারণার ফলে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীসহ স্বাধীনতার পক্ষের অনেকেই এই গোপন ঘাঁটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং উৎসাহ ও সাহসিকতার সঙ্গে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন। এ পর্যায়ে দলে দলে আশেপাশের গ্রামসহ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র, যুবক, জনতা এ তত্পরতার সঙ্গে যুক্ত হন। কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে, কেউ মুক্তিযোদ্ধার ট্রেনিং নিতে চান আর কেউ কেউ ভারতে গিয়ে ট্রেনিং গ্রহণের সুযোগ পান। সাইক্লোস্টাইল মেশিন ব্যবহার করে পরবর্তীকালে আবু সাঈদ সরদার ও মঈন উদ্দিন খান বাদলের সম্পাদনায় অনিয়মিতভাবে একটি সাপ্তাহিক বুলেটিন ‘আগুন’ নামে প্রকাশ করা হতো। যাতে স্থানীয় জনগণ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত খবরাখবরসহ রণাঙ্গনের যাবতীয় খবর পেয়ে যেত।

অস্ত্র মজুদের ডাম্ব স্থাপন: প্রতিষ্ঠিত ঘাঁটি বা বেজ ক্যাম্পের জন্য প্রথমে পানওয়ালা পাড়া, মুহুরীপাড়া, হাজীপাড়া, ছোটপোল, রামপুর, আনন্দীপুর, মিস্ত্রিপাড়া, মুহুরীপাড়া প্রভৃতি স্থানের অভ্যন্তরীণ কবরস্থানগুলোতে অস্ত্র মজুদের জন্য ডাম্ব স্থাপন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে কবর আকৃতির মাটি খুঁড়ে যে কাটা ড্রাম পুঁতে তার ওপর পলিথিনের বড় টুকরো লাগিয়ে প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে গ্রিজ ইত্যাদি দিয়ে প্রতিটি ডাম্বে অন্তত দশজন গেরিলা যোদ্ধা ব্যবহার করতে পারেন পরিমাণ অস্ত্র মজুদ করে তা আবার কবর আকৃতি করে ঢেকে দেয়া হতো। অস্ত্র মজুদ ও সংরক্ষণের জন্য কিছু মুক্তিযোদ্ধার ওপর দায়িত্ব অর্পিত হতো। কোন কবরস্থানে কী আছে শুধু তারাই জানত।

নির্দিষ্ট অপারেশনের আগে সংশ্লিষ্ট টিমের ২-৩ জন যোদ্ধাকে রাতে চোখ বেঁধে তাদের অপারেশনের নিকটস্থ অস্ত্র মজুদের স্থানে নিয়ে যাওয়া হতো এবং তাদের প্রয়োজনীয় অস্ত্র হস্তান্তর করে আবার নির্দিষ্ট জায়গায় এনে চোখ খুলে দেয়া হতো, ফলে তারা নিজেরাও জানত না কোথা থেকে অস্ত্র দেয়া হতো বা তার লোকেশনটা বা কোথায়, তারা জানতে চেষ্টা করত না। কারণ যেকোনো একজন শত্রুসেনার হাতে ধরা পড়লে অকথ্য নির্যাতনে হয়তো অস্ত্রের খবর বলেও দিতে পারেন। এই সাবধানতা এ জন্যই অবলম্বন করা হতো। আগ্রাবাদে গেরিলা ঘাঁটির অধীনে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কবরস্থানে ন্যূনতম এরূপ ৩০টির অধিক অস্ত্র সংরক্ষণের ডাম্ব ছিল।

রঙ্গিপাড়ায় গোয়েন্দা সেল স্থাপন: আগ্রাবাদ রঙ্গিপাড়ার পরিত্যক্ত নাপিত বাড়ির মাটির ঘরগুলোতে স্থাপন করা হয় ‘বেজের’ গোয়েন্দা সেল। একদল চৌকস মুক্তিযোদ্ধা এ গোয়েন্দা সেলটি পরিচালনা করলেও গোয়েন্দা হিসেবে নিয়োজিত হতেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সাধারণ মানুষ যেমন: রিকশাওয়ালা, ফেরিওয়ালা, মুচি, হকার, ছোটখাটো দোকানের মালিক যারা খুবই সাধারণ শ্রেণীর। তারা কেউ গোয়েন্দা সেলের ঠিকানা জানত না। এমন কি ‘বেজের’ অধীনের মুক্তিযোদ্ধারাও এই সেলের ঠিকানা জানত না। গোয়েন্দা সেলের কাজ ছিল দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর চলাচল ও তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন লোক পাঠিয়ে তাদের কার্যকলাপের আগাম খবরাখবর সংগ্রহ করা।

বেজ কমান্ডের প্রধান দপ্তরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা: আগেই উল্লেখ করা হয়েছে আগ্রাবাদ, পানওয়ালা পাড়া, ‘সবুজবাগে’ স্থাপন করা হয় মৌলভী সৈয়দ বেজের হেড কোয়ার্টার, যা ছিল খুবই সুরক্ষিত পরিবেশ। উল্লেখ্য, গেরিলা যুদ্ধ উপযোগী স্থান পানওয়ালা পাড়া হেড কোয়ার্টারের সঙ্গে উল্লেখিত ট্রেনিং ক্যাম্প ও গোয়েন্দা দপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য এমন সব চোরা বহুমুখী অলিগলি ছিল, যা মুক্তিযোদ্ধাদের চলাচলের জন্য নিরাপদ।

স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে রাজনৈতিক ভূমিকা: স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে ১৯৭২-৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী যুবলীগের মৌলভী সৈয়দ আহমদ ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি। অতঃপর কৃষক, শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হলে তাকে চট্টগ্রাম দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় ও ঘনিষ্ঠ অনুসারী।

 

আবু সাঈদ সরদার: গেরিলা যুদ্ধে মৌলভী সৈয়দ আহমদের সহযোগী ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক