‘ব্যঞ্জনার প্রজ্বালন’ শিরোনামে আগামীকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মো. জহিরুল ইসলামের প্রথম একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। একুশের চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় (গ্যালারি-৭, ৪র্থ তলা, লিফট-৩) পাঁচ দিনব্যাপী এই শিল্প প্রদর্শনী চলবে আগামী ২১ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামীম রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি থাকবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুর রহমান, প্রো উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, চারুকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম.এম. ময়েজউদ্দীন এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পরিচালক মোস্তফা জামান।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ‘ব্যঞ্জনার প্রজ্বালন’ শিরোনামে প্রদর্শনীটি শিল্পীর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও সাধনার ফসল। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের মাধ্যম পাতিনা, কাঠ খোদাই এবং ট্যাপেস্ট্রির সূক্ষ্ম বুননে সমাজের নীরব আর্তনাদ ও অন্তর্নিহিত বেদনাগুলোকে প্রকাশের চেষ্টা করা হয়েছে, যা আমাদের সমাজের নারী ও শিশুদের নির্যাতনের গল্প বলে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীরা কারুশিল্পের ঐতিহ্যবাহী এবং সমসাময়িক ধারার এক অসাধারণ সংমিশ্রণ দেখতে পাবেন। এটি শুধুমাত্র একক প্রদর্শনী নয়, বরং এক ধরনের শিল্প আন্দোলন, যা শিল্পের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা পৌঁছানোর এক নীরব শক্তি বহন করে।
এই আয়োজনের বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রতীক, যা স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। ‘ব্যঞ্জনার প্রজ্বালন’ প্রদর্শনী নির্যাতিত নারী-শিশুদের জীবনের বাস্তবতা তুলে ধরে, যা সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকারের বার্তা দেয়। দুটির মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে— ভাষা আন্দোলন আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার সংগ্রাম, এবং শিল্পীর কাজ সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতিফলন।










