বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন জ্বালানি তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের তুলনায় ডাটা সেন্টারে বিনিয়োগ অনেক বেশি হচ্ছে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর বিশ্বব্যাপী ডাটা সেন্টারে ব্যয় হবে ৫৮ হাজার কোটি ডলার, যা জ্বালানি তেল অনুসন্ধান খাতের মোট আয়তনের চেয়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার বেশি। খবর টেকক্রাঞ্চ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ডাটা সেন্টারের বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। আগামী দশকের শেষে এসব ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার পাঁচ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা বর্তমানে সব ধরনের ডাটা সেন্টারের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বিগুণ। সামনের দিনগুলোয় প্রচলিত ডাটা সেন্টারের বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে, তবে সে গতি এআই ডাটা সেন্টারের তুলনায় অনেক কম।
আইইএ জানায়, বিশ্বব্যাপী ডাটা সেন্টারের বিদ্যুতের চাহিদা প্রবৃদ্ধির অর্ধেকই আসবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। বাকি প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আসবে ইউরোপ ও চীন থেকে। নতুন ডাটা সেন্টারের বেশির ভাগই ১০ লাখেরও বেশি জনসংখ্যার বড় শহরগুলোয় গড়ে উঠছে। আসন্ন প্রকল্পগুলোর প্রায় অর্ধেকেরই সক্ষমতা ২০০ মেগাওয়াট বা তার বেশি এবং বেশির ভাগ নির্মাণ হচ্ছে আগে থেকেই বিদ্যমান ডাটা সেন্টার ক্লাস্টারের পাশে।
তবে এ দ্রুত সম্প্রসারণ নানা চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে। অনেক অঞ্চলে বিদ্যুৎ গ্রিডে জট তৈরি হচ্ছে এবং সংযোগ পেতে দীর্ঘ সময় লাগছে।
আইইএ আশা করছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে ডাটা সেন্টারের অতিরিক্ত বিদ্যুতের বেশির ভাগই আসবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে।









