চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মুনাফা করেছে ইন্টেল। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী লিপ-বু টানের কঠোর কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ এ সাফল্য এনেছে বলে মনে করছে কোম্পানিটি। বড় প্রকল্পে ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগের মধ্যেও খরচ কমানোর পদক্ষেপগুলো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা মজবুত রাখতে সাহায্য করেছে। খবর রয়টার্স।
এনভিডিয়া, জাপানের সফটব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বড় বিনিয়োগের পর ইন্টেল প্রথমবারের মতো আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কয়েক বিলিয়ন ডলারের এসব বিনিয়োগে এক সময়ের শীর্ষ চিপ নির্মাতা ইন্টেলের নগদপ্রবাহ বাড়বে বলে আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে কোম্পানিটি জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের আয়ের নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করেনি এখনো।
জাপানের প্রযুক্তি খাতের বৃহত্তম বিনিয়োগ কোম্পানি সফটব্যাংক গত প্রান্তিকে বড় অংকের বিনিয়োগ করেছে ইন্টেলে। তবে এনভিডিয়ার অর্থ এখনো ইন্টেলের হাতে আসেনি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন কোম্পানির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) ডেভ জিনসনার।
বিশ্লেষকদের মতে, পিসি ও সার্ভারের প্রসেসর বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী এএমডির সঙ্গে টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে ইন্টেল। পাশাপাশি এনভিডিয়ার দখলে থাকা এআই চিপ বাজারে বারবার চেষ্টা করেও এখনো তেমন সাফল্য পায়নি কোম্পানিটি। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ইন্টেলের জন্য বড় সহায়তা হতে পারে।
ব্যবসা আগের মতো ভালো না যাওয়ায় ও কাজের মানে অবনতির উদ্বেগে গত বছর ইন্টেলের শেয়ারমূল্য প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। তবে চলতি বছর নতুন বিনিয়োগের ফলে শেয়ারদর প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এত এআই চিপ জায়ান্ট এনভিডিয়াকেও পেছনে ফেলেছে ইন্টেল।
রানিং পয়েন্ট ক্যাপিটালের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা মাইকেল শুলম্যান বলেন, ‘খরচ কমানো ও মুনাফার হার বাড়ানোর অগ্রগতি, এআই-পিসি নিয়ে বাজারের আগ্রহ এবং নতুন ১ হাজার ৫০০ কোটি কোটি ডলারের নতুন তহবিল মিলিয়ে ইন্টেলের আর্থিক অবস্থাকে আরো শক্ত করেছে।’










