চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞেস করা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে ঠিক কী পরিমাণ পানি খরচ হয় তা জানিয়েছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্যাম অল্টম্যান। তার ভাষায়, প্রতি কমান্ডে এক চা চামচের ১৫ ভাগের এক ভাগ পানি ব্যবহার হয়। খবর দ্য ভার্জ।

ব্লগ পোস্টে গত মঙ্গলবার অল্টম্যান জানান, প্রতিটি চ্যাটজিপিটি প্রশ্নে ব্যয় হয় দশমিক ০০০০৮৫ গ্যালন পানি, যা এক চা চামচের প্রায় ১৫ ভাগের এক ভাগের সমান। তাছাড়া প্রতি প্রশ্নে দশমিক ৩৪ ওয়াট-আওয়ার বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়, যা একটি ওভেন এক সেকেন্ডে বা একটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্ব ২ মিনিটে খরচ করে।

তিনি আরো জানান, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) খরচ বিদ্যুতের খরচের কাছাকাছি চলে আসবে।

চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবটের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে যে কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার হয়, তার পেছনে রয়েছে বড় মাপের সার্ভার। এসব সার্ভার ঠাণ্ডা রাখতে ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। ফলে সম্প্রতি এআই প্রযুক্তির পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। গবেষকদের আশঙ্কা, ‍চলতি বছরের শেষ দিকে এআই প্রযুক্তি বিটকয়েন মাইনিংয়ের চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে।

গত বছর ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জিপিটি-৪ মডেল ব্যবহার করে লেখা ১০০ শব্দের ই-মেইলে এক বোতলের সমপরিমাণ পানি খরচ হয়। এছাড়া ডাটা সেন্টার কোথায় অবস্থিত তার ওপর পানি ব্যবহারের পরিমাণ অনেকাংশে নির্ভর করে।

অল্টম্যান কীভাবে এ হিসাব করেছেন ‍তা ওপেনএআই এখনো প্রকাশ করেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার ‍এসব তথ্য উপস্থাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে সমালোচনার জবাব দেয়া ও প্রযুক্তির দক্ষতা তুলে ধরা।