হলফ
করেই বলা যায় কি-বোর্ড বাসায়
সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন বস্তু নয়। কাজের ফাঁকে বিস্কুট-চিপসের একটু-আধটু প্রায় কি-বোর্ডের ভেতরে
চলে যায়। এমনকি বাটনের ফাঁকে সেগুলোর স্তূপও তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত কি-বোর্ড পরিষ্কারের
প্রয়োজন আছে বৈকি! কেননা টাইমসের প্রতিবেদন বলছে, অফিসের কি-বোর্ডের এটিপি
কাউন্ট ৩০০ কিংবা তারও বেশি। এর অর্থ কি-বোর্ড থেকে রোগ সংক্রমণের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অফিস কক্ষ পরিষ্কারের সময় প্রায়ই এ ডিভাইস বাদ
পড়ে যায়। জেনে নেয়া যাক কীভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা
যেতে পারে কি-বোর্ড—
শুরুতেই কি-বোর্ডটি কম্পিউটার থেকে আনপ্লাগ করে সুবিধাজনক স্থানে নিতে হবে। এবার সাবধানে বাটনগুলো খুলে ফেলতে হবে। এরপর কিছু সাধারণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সহজেই কি-বোর্ড পরিষ্কার করা যেতে পারে।
কম্প্রেসড এয়ার ব্লো
ক্লিনিং স্লিম
স্লিম এক ধরনের থকথকে আঁঠালো পদার্থ। এটি এমন আঠালো যে কি-বোর্ডের ছোট-বড় ময়লা আঁকড়ে তুলে আনতে পারে; আবার এত আঁঠালো নয় যে তা ব্যবহারকারীর হাত কিংবা কি-বোর্ডকে আটকে ফেলে। সাধারণত গাড়ির ড্যাশবোর্ড বা এর আশপাশের সংকীর্ণ স্থান পরিষ্কার করতে স্লিম ব্যবহার করা হয়।
জীবাণুমুক্ত করতে রাবিং অ্যালকোহল
কি-বোর্ড জীবাণুমুক্ত করার জন্য ‘আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল’ ব্যবহার করা যেতে পারে। এজন্য হাত জীবাণুমুক্তকরণে ব্যবহৃত স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে থাকা অ্যালকোহল যেকোনো জীবাণু মেরে ফেলতে সক্ষম। কি-বোর্ডের সংকীর্ণ জায়গায় পর্যন্ত অ্যালকোহল পৌঁছতে কটন বাডের মাথায় অ্যালকোহল লাগিয়ে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।
ইউভি-সি স্টেরিলাইজিং ওয়ান্ড
বিশেষ ডিভাইসটি আলট্রাভায়োলেট আলো নির্গত করে, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস মেরে ফেলতে পারে। কি-বোর্ড জীবাণুমুক্ত করতে এটিও খুব কার্যকর হতে পারে। আমেরিকান জার্নাল অব ইনফেকশন কন্ট্রোল হাসপাতালে ডিভাইসটি ব্যবহার করে সাফল্য পেয়েছে। তাই কি-বোর্ড পরিষ্কার করতে এটি অনায়াসেই ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া ল্যাপটপে জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার করতে টুথপিক বা তুলোর বাড ব্যবহার করা যেতে পারে, এতে কি-বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে। কি-বোর্ড পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে সবসময় নরম ব্রাশ ব্যবহার করা জরুরি। হাতের কাছে ব্রাশ না থাকলে নরম সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা যায়। খবর মেক ইউজ অব।










