গুগল ম্যাপের একটি বিশেষ ফিচার রয়েছে, যা কোনো মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়ক। নিরাপত্তা বিবেচনায় পরিবারের সদস্যের অবস্থান ট্র্যাক রাখতে অথবা হারিয়ে যাওয়া ডিভাইস খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে টুলটি। এক্ষেত্রে যে ফোনটি ট্র্যাক করা হবে ও যে ডিভাইসের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হবে, দুটোতেই কিছু বিষয় সেট করতে হবে। গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে কীভাবে একটি ফোন ট্র্যাক করা যায় সে সম্পর্কে জানিয়েছে গিজচায়না।

ডিভাইস ট্র্যাক করার আগে খেয়াল রাখা জরুরি, যে ফোনটি লোকেট করা হবে ওই ডিভাইসটির লোকেশন অন আছে কিনা। এবার গুগল ম্যাপে গিয়ে মেনু অপশন থেকে ‘লোকেশন শেয়ারিং’ নির্বাচন করতে হবে। এবার ‘শেয়ার লোকেশনে’ ট্যাপ করতে হবে। কতক্ষণ পর্যন্ত শেয়ারিং অপশনটি চালু থাকবে সে অপশনটি এখানে পাওয়া যাবে। লোকেশন শেয়ারিং সবসময় অন রাখতে ‘আনটিল ইউ টার্ন দিস অফ’ নির্বাচন করতে হবে। এবার যার সঙ্গে লোকেশন শেয়ার করতে চান তার কন্টাক্ট নির্বাচন করতে হবে। এটা হতে পারে নিজের কোনো গুগল অ্যাকাউন্ট অথবা ভরসা করা যায় এমন কেউ। এবার অন্য একটি ফোন (যে ফোন দিয়ে ট্র্যাক করা হবে) ব্যবহার করে গুগল ম্যাপে ঢুকতে হবে। নিশ্চিত হতে হবে, এ ফোনে যেন ওই গুগল অ্যাকাউন্টটি সাইন ইন করা, যার সঙ্গে আগের ফোনের অবস্থান শেয়ার করা আছে। এরপর এ ফোনের মেনুতে গিয়ে দেখতে পাবেন কে কে (ফোন) এ ডিভাইসের সঙ্গে লোকেশন শেয়ার করেছে। ওই ফোনগুলোর রিয়েল-টাইম অবস্থান ম্যাপে প্রদর্শিত হবে। এটি আপডেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিভাইসগুলোর গতিবিধি দেখতে পাবেন। এছাড়া গুগল ম্যাপের লোকেশন শেয়ারিংয়ে আরো কিছু ফিচার রয়েছে, যেমন ফোনটি যেখানে আছে, কারো যদি সে অবস্থানে যদি যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তিনি গুগল ব্যবহার করে ওই লোকেশনে যাওয়ার দিকনির্দেশনা পাবেন। আবার ফোনটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোথায় ছিল তা দেখতে অবস্থানের হিস্ট্রি পর্যালোচনা করা যাবে। তবে গুগল জানিয়েছে, ফোন ট্র্যাক করার ফিচারটি দরকারি হতে পারে, কিন্তু এটি দায়িত্বের সঙ্গে ব্যবহার করা ও ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ। নিশ্চিত করুন যাকে ট্র্যাক করছেন তার কাছ থেকে আপনার অনুমতি আছে।