জুনে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে নিজস্ব এআই সিস্টেম ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ আনার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ জুলাই প্রথম সংস্করণ উন্মোচন করে টেক জায়ান্টটি। অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের প্রথম সংস্করণটি আপাতত শুধু ডেভেলপারদের জন্য ছাড়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ছাড়া হবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য। তবে সেক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হবে।
এখন প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মাঝে প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে যে, অ্যাপলের এআই শুধুই যুক্তরাষ্ট্রে ও ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যাবে, নাকি অন্যান্য অঞ্চলেও পর্যায়ক্রমে ছাড়া হবে। এক্ষেত্রে অ্যাপলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে না বলা হলেও ধারণা করা হচ্ছে পরবর্তী সময়ে চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্যবহার করা যাবে। খবর টেকটাইমস।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণী প্রকাশ অনুষ্ঠানে চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদাহরণ টেনে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে আর কোনো অঞ্চল থেকে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা যাবে এমন প্রশ্ন করা হলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। বরং তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সবাই যেন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করতে পারে সে পরিকল্পনা রয়েছে টেক জায়ান্টটির। তারা চেষ্টা করছে যত দ্রুত সম্ভব বিশ্বে প্রযুক্তিটি ছড়িয়ে দিতে। তবে নির্দিষ্ট করে কোনো অঞ্চলের কথা তিনি বলেননি।
পাশাপাশি তিনি জানান, বর্তমানে অ্যাপল প্রযুক্তিটির জন্য বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে।
২৯ জুলাই প্রকাশিত সংস্করণে নতুন এই ফিচারে ডিজিটাল সহকারী সিরি ব্যবহার করার সময় পর্দার চারপাশে আলো জ্বলতে দেখা গেছে। সিরির আরো কিছু উন্নতি করা হয়েছে। সিরিকে নির্দেশনা দেয়ার সময় কথা যদি আটকেও যায় তবুও বুঝতে পারবে। পাশাপাশি অ্যাপলের পণ্যের সমস্যার সমাধান সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেবে সিরি।
অ্যাপল এআই এখন আরো উন্নত ছবি খুঁজে দিতে ও ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম। বিভিন্ন লেখা বা ই-মেইলের সারাংশ, ভয়েস মেইলের প্রতিলিপি তৈরি করে দেবে এবং লেখালেখিতে ব্যাকরণ ঠিক করে দেয়াসহ প্রফিংয়ের কাজ করবে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স।
তবে ছবি ও ইমোজি তৈরি, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি মুছে দেয়া, সিরির ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার এবং সে অনুযায়ী অন্যান্য অ্যাপে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দক্ষতা, ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি সংযোজনের মতো সুবিধাগুলো প্রথম সংস্করণে পাওয়া যায়নি।










