মেটা মালিকানাধীন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার ও থ্রেডস ব্যবহারে বুধবার সমস্যায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। কারিগরি ত্রুটির কারণে কয়েক ঘণ্টা ঠিকমতো ব্যবহার করা যাচ্ছিল না এসব মাধ্যম। বর্তমানে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। এর পরও পুরো বিষয় খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে মেটা। খবর এনগ্যাজেট।
মাধ্যমগুলোয় বিভ্রাটের বিষয় প্রথম সামনে আসার অন্তত ৪ ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে মেটা জানিয়েছে, ‘আমরা সমস্যার ৯৯ শতাংশ সমাধান করেছি। কেবল চূড়ান্ত কিছু বিষয় খতিয়ে দেখছি।’ যদিও সমস্যার উৎস বা কখন শতভাগ সমাধান হতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মেটার স্ট্যাটাস ড্যাশবোর্ডে বিজনেস ও ট্রান্সপারেন্সি টুলে ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঘাত’ উল্লেখ করা ছিল। তবে অন্যান্য পরিষেবার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বা হচ্ছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, থ্রেডস ও মেসেঞ্জার অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
এর আগে এক্স ও ব্লুস্কাইয়ে অসংখ্য ব্যবহারকারী মেটার অ্যাপগুলো ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান। বিভ্রাট ট্র্যাকিং ও রিপোর্টিং ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টরে ফেসবুকডটকম সম্পর্কে ৯০ হাজার রিপোর্ট দাখিল করা হয়। বিভ্রাট চলাকালে কিছু সময়ের জন্য মেটা কোম্পানির ওয়েবসাইটে ‘দিস পেজ ইজন্ট অ্যাভেইলেবল রাইট নাও’ বার্তা দেখা হচ্ছিল। সমস্যা সম্পর্কে মেটা এক্সে জানিয়েছে, টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে কিছু ব্যবহারকারী তাদের অ্যাপে প্রবেশ করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন।
বিবিসি বলছে, মেটার প্লাটফর্মগুলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে ফেসবুকে ৩০০ কোটির বেশি সক্রিয় মাসিক ব্যবহারকারী রয়েছে।
২০২১ সালে মেটা সবচেয়ে বড় আউটেজের সম্মুখীন হয়েছিল। ওই সময় ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম সেবা প্রায় ৬ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। সর্বশেষ বড় বিভ্রাটটি ঘটে ২০২৪ সালের মার্চে। তখন ব্যবহারকারীরা ২ ঘণ্টার জন্য প্লাটফর্মটির অ্যাপ ও পরিষেবা অ্যাসেস করতে পারছিলেন না। মেটার যোগাযোগ পরিচালক অ্যান্ডি স্টোন জানিয়েছিলেন, কারিগরি সমস্যার কারণে বিভ্রাটটি ঘটেছিল। একই কারণ সম্পর্কে এবারো জানিয়েছে কোম্পানিটি।










