মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিপ খাতে শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে তাইওয়ানের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরির সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন দক্ষিণ কোরিয়া। গতকাল এক রেডিও সাক্ষাৎকারে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইও হান-কু এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্স।

হান-কু বলেন, ‘‌যেহেতু তাইওয়ানও এ বিষয়ে আলোচনা করছে, সেহেতু সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের জন্য সবচেয়ে অনুকূল সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।’

চলতি মাসেই দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করে। এতে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত খাতে বড় আকারের দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগের বিনিময়ে শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্যদিকে তাইওয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা এখনো চলমান।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ভবিষ্যতে কোনো দেশের সঙ্গে শর্ত ঠিক করা হলে দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিকন্ডাক্টর চিপ বাণিজ্য সুবিধা তার চেয়ে কম হবে না। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জানান, এ অংশে মূলত তাদের প্রধান প্রতিযোগী তাইওয়ানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন সেমিকন্ডাক্টর খাতে শুল্ক দ্রুত কার্যকর নাও হতে পারে। এতে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার একটি বড় অংশ বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তাইওয়ানের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা, এ প্রশ্নে দক্ষিণ কোরিয়া মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

কাস্টমস ডাটা অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জন্য ব্যবহৃত উন্নতমানের চিপের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিকন্ডাক্টর রফতানি ৫১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।