চৈত্রের মাঝামাঝি শনিবারের এক সাদামাটা দিন। রাতভর ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার পর চরাচর এখন নদী থেকে উঠে আসা শান্ত-সিগ্ধ অপরূপ এক গ্রাম্য ললনার মতো, যার বুক ঢাকে তো পিঠ উদাম হয়ে যায়, আর পিঠ ঢাকে তো বুক চড়াই-উতরাই দেখায়।
শনিবার হওয়ায় রাস্তাঘাট-মাঠ অনেকটাই সুনসান। গাড়ি-ঘোড়ার দাবড়ানি নেই, যানজট নেই; বিকট শব্দে ধেয়ে আসা লরির কচকচানিও নেই। আর থাকেই বা কী করে? অফিস-আদালত বাড়ি গেছে। বাড়ি যায়নি স্কুল-কলেজ আর স্বাস্থ্যকেন্দ্র। শিক্ষা আর মানবসেবার ব্রত নিয়ে তপস্বীর ন্যায় যেন দিনমান ধ্যানমগ্নরত আছে।
মিতু আজ প্ল্যান করে রেখেছে, আজ সে বেরোবেই। কী ধকলটাই না গেছে পুরো মাসজুড়ে তার ওপর দিয়ে। দম ফেলানোরও ফুরসত পায়নি! শুক্রবারে তো এমনিতেই পায় না। ছেলেমেয়ে দুটোকে নিয়ে কালচারাল অ্যাক্টিভিটিসে যায়। যে দিনকাল পড়েছে আজকাল! কালচারাল অ্যাক্টিভিটিসে না গেলে কী হয়? শেষমেশ দেখা গেল, জঙ্গিবাদ এসে দোরগোড়ায়, ‘জেহাদ, জেহাদ, জেহাদ চাই, জেহাদ করে বাঁচতে চাই’ অবিরাম শোনাতে শোনাতে নীরবে সদস্য কপ্ট করে ফেলেছে।
বাসায়ও কাজ জমে আছে এন্তার। এমনিতে তো প্রতিদিন ভোর পাঁচটায় উঠে ঘরদোর সামলে রান্নাবান্নার এন্তেজাম করে বুয়াকে ঘুম থেকে তুলত মিতু। এখন এই বুয়াকে নিয়ে হয়েছে এক যন্ত্রণা। আগে রাতে-বিরাতে ঘুম ভাঙত, তারপর রাত চারটার পর তো জিকির-আসকার শুরু হয়ে যেত। আর এখন ঘুম ভাঙতে ভাঙতেই ভোর ছয়টা-সাড়ে ছয়টা। নামাজই নেই, আর জিকির!
বড় মেয়ে রুচিরা থাকলে তো কথাই ছিল না। ভাইবোন দুটোকে মোটামুটি দাঁড় করিয়ে বুয়াকে দিয়ে স্টপেজে পাঠিয়ে তারপর মাকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত করত, ‘মা, বুয়া আইছে, তারা গাড়িত উটি (উঠে) গেছে।’
কত যে বললাম, সাস্টে পড়। না, তিনি সাস্টে পড়বেন না। ঢাকায় পড়বেন। ঢাকায় পড়বি তো পড়। হলে তো থাকবি। না, তিনি হলেও থাকবেন না। হলে রেস্ট্রিকশন। বাইরে থাকবেন। বাইরে হেব্বি মজা! বান্ধবীদের সঙ্গে রাত-বিরাতে ঘরে-বাইরে আড্ডা মেরে টাইম পাস করা ছাড়াও উপরি পাওনা হিসেবে ঘোরাঘুরিও করা যায়।
মিতু ফ্রিজ, মশারি আর ওয়াশরুম নিয়ে দুপুর বারোটা- সাড়ে বারোটা পর্যন্ত নিজেকে আজ ব্যস্ত রাখবে। তারপর গোসলটোসল করে সাফসুতরো হয়ে বন্দর-জিন্দাবাজারে কাজ সেরে যদি হাতে সময় থাকে, তাহলে মায়ের বাসায়ও ঢুঁ মারার প্ল্যান করে রেখেছে।
ফ্রিজ ধোয়ামোছা করার জন্য সরলাকে খবর দেয়া হয়েছে। সরলা এই এল বলে মনে হচ্ছে। বাইরে কার কথা যেন শোনা যাচ্ছে। একা একা নিজের সঙ্গে নিজের কথোপকথন করার অভ্যাস এই সরলার।
সরলা এলে ফ্রিজ ধোয়ামোছা করে ফ্যানেও হাত দিতে বলবে মিতু। মাস চারেক পেরোতে না পেরোতেই ফ্যানে ধুলোর আস্তরণ জমে গেছে।
রাতে নিজে মশারি ভিজিয়েছে। তাতেই কেল্লাফতে! এক বালতি ময়লা জমা হয়ে আছে তলানিতে! বেলি এলে কষে এক ধমক লাগাতে হবে। তিন কাজের বুয়া। কাজ তিনটিও ঠিকমতো করে না। ঘর মুছতে আবার শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে একদিন পরপর ঘর মোছে। একটু বেখেয়াল হলেই সোমবার মোছে তো বুধ, বৃহস্পতি পার করে শুক্রবার আবার হাত লাগায়। ফাঁকিজুকিতে মনে হয় বিশেষ ট্রেনিং নিয়ে এসেছে বুয়া ট্রেনিং সেন্টার থেকে! মিতু আগে রাগ করে দু-চারটি কথা বলত, এখন আর তেমন বলে না। বুয়াদের যুগ এসে গেছে। বেশি কথা বললে যদি কাজ ফেলে চলে যায়, তাহলে তো বিপদ। ঘরদোর সামলাবে কে? এমনিতে একদিন বলেছে, ‘কাজ যদি ফেলাই যাই, ঠেকবা তুমি, আমি না। আমার কাজের অভাব নাই। তুমার পাশের বাড়ির মোল্লা বেটার বউয়ে ডেলি ডেলি নয় মণ ঘি মাঞ্জে আমার পাছায়। আমি রা করি না। চুতমারানির পুয়া মোল্লা বেজায় খাচ্চর। দুধ-বুনি হাতাইবার চায়।’
মিতু চুপ করে শুনেছে। এমনিতে মিতু জাঁদরেল টাইপড মহিলা না। তবে, ক্ষেপে গেলে খবর আছে। জাঁদরেল-জবরদস্ত হলো রুচিরার বাবা ইমরোজ। মিতু কীভাবে যেন এই জবরদস্ত পুরষকে নিজ জিম্মায় নিয়ে এসেছে। এখন মিতু পানি উচ্চারণ করলে ইমরোজ উচ্চারণ করে পানি, দুধ উচ্চারণ করলে ইমরোজ পারে তো বুয়াকে দিয়ে দুধ আনতে পাঠায়।
ইমরোজ ঘুমাচ্ছে। ঘুমাক।
দিন তিনেক আগে কেবল ওয়েসিস থেকে ফিরল। হঠাৎ ডায়রিয়ায় বেচারা কাহিল হয়ে পড়েছিল।
শেষমেশ ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে ঝড়-বৃষ্টির রাতে হাসপাতালে পাঠিয়ে তবেই জীবন রক্ষা পেয়েছে।
মিতু হারপিক-স্যাভলন আর ন্যাকড়া একটি নিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকল। দিন সাতেক পরিষ্কার না করায় ময়লা হয়ে আছে ওয়াশরুম। ওয়াশরুম নিয়ে তার আবার শুচিবায়ুগ্রস্ততা আছে। সবকিছু পরিষ্কার না হলেও চলে, কিন্তু ওয়াশরুম ঝকঝকে-তকতকে হতেই হবে। না হলে কি গোসলটোসল সারা যাবে? মিতু ঘণ্টাখানেক ধরে দুই ওয়াশরুম পরিষ্কারটরিষ্কার করে সাফসুতরো হয়ে বেরোল।
আজ তার শাশুড়ি মায়ের মৃত্যুবাষিকী। দিন দ্রুত গড়ায়। গড়িয়ে গড়িয়ে রাতের আঁধারে নিজেকে হারায়। তারপর ভোর হয়। এভাবে দিন-মাস-বছর যায়।
মৃত্যুবার্ষিকীতে তাদের কোনো আয়োজন নেই। তবে কিছুদিন হয় ইমরোজ তার মায়ের নামে ‘আজিজুনন্নেসা লস্কর শিক্ষাবৃত্তি’ এ ধরনের কিছু একটা করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামীতে হয়তো মায়ের মৃত্যুর দিনে কিছু একটা করা যাবে।
মিতু বেরিয়ে গেল।
সময় মেইনটেইন করা যায় না। বের হওয়ার কথা ছিল বারোটা-সাড়ে বারোটার দিকে, আর এখন দেড়টার সেকেন্ডের কাঁটা সময়ের হার্টবিট গুনতে গুনতে সুদূর অসীমের পানে অবিরাম চলছে তো চলছেই।
আজ সবকিছুতে লেট।
কোর্টপয়েন্টের মাইকগুলো জ্বালাময়ী ভাষণের যন্ত্রণায় থরথর করে কেঁপে নিজের অস্তিত্ব বিলীন করতে অপেক্ষার প্রহর গুনছে। জিন্দাবাজার-বন্দরের রাস্তাগুলো যানজটের চাপে তারস্বরে হল্লা করে তীব্র প্রতিবাদের ভাষা বেছে নিয়েছে।
সিএনজি নিয়ে টিলাগড়-শাহি ঈদগাহ রোড ধরে কুমারপাড়া হয়ে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ক্রস করে চৌহাট্টা পয়েন্টে এসে ভাড়া চুকাতে না চুকাতেই মোবাইলের তীব্র ভাইব্রেশনে ভ্যানিটিব্যাগ কেঁপে উঠলে ফোন ধরে মিতু। ইমরোজের ফোন।
ইমরোজ শুয়ে শুয়ে সিগারেটের নিকোটিন গলাধঃকরণ করতে করতে মিতুকে শুধায়, ‘আরে আন্নে কোনাই?’
ইমরোজের এই এক মুদ্রাদোষ। মন বেশ ভালো থাকলে তার শৈশবের হাউজটিউটরের দেশের ভাষায় কথা বলে নিজেকে জানান দেয়; প্রকাশ করে। শৈশবে সে তার হাউজটিউটরের মাতৃভাষা বেশ ভালোভাবে রপ্ত করেছিল।
‘হ্যালো। জিন্দাবাজার। জিন্দাবাজার। আইচ্ছা হুনো, তুমি কিতা গুম (ঘুম) তাকি উটি গেছোনি?’
‘গুম তাকি না উটলে তুমার লগে বাদচিত অয় কিলা (হচ্ছে কীভাবে)?’
‘অয়, কথা তো ঠিক। আইচ্ছা হুনো, আমার একটু দেরি অইব। মাজনপট্টিত (মহাজনপট্টি) যেইতাম। স্কুলোর কাম আছে। তুমি খাইলে খাইলিও। বেলিরে (বেলিকে) কইও, বেলিয়ে দিব।’
কী কুলক্ষণেই না প্রাইমারির হেডমাস্টার হিসেবে যোগদান করেছিল মিতু! এখন সকাল-সন্ধ্যা সমান হয়ে গেছে। বাড়ি-স্কুল-মিটিং আর টিইও অফিসে দৌড়ঝাঁপ করতে করতে সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়। তার ওপর টিইওর যন্ত্রণা! এটিওরাও কম যান না! আর একেকজন তো ঘুষ-দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন! বদলি হতে টাকা, ইনক্রিমেন্টে টাকা, ফরোয়ার্ডিংয়ে টাকা, মাতৃত্বকালীন ছুটিতেও টাকা। টাকা, টাকা আর টাকা। সবকিছুতে টাকা! ভালো মানুষ যে নেই, তা নয়। আছে। তবে মহাসাগরে তা কয়েক ফোঁটা বিন্দুর মতো! দুদক যে কী করে? এদের ধরে ধরে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করলে তো লেটা চুকে যায়। কেসটেস পরবর্তী ধাপ। আপিল-হাইকোর্ট করতে করতে বছর বিশেক পার করে দিলেই তো কেল্লাফতে!
মিতু ফোন রেখে দিল।
রিফাত লেডিস টেইলার্সে একবার ঢুঁ মারতে হবে। এত কাপড় সেলাই করেছে! তাও সামান্য একটা রিফুর জন্য টেইলার বেটি ঘোরাচ্ছে! আজ না কাল। কাল না পরশু। বদমাশ বেটি। পেট আরেকবার বাধাস। তখন দেখা যাবে, মন্ত্র কে দেয়।
রোদও উঠেছে জবরদস্ত! তাপমাত্রা মনে হয় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে। রাস্তার দুই ধারে প্রচুর ডাব বিক্রি হচ্ছে। লোকে ডাবের পানি চুক চুক করে গলাধঃকরণ করছে। রিকশাওয়ালা দু-চারজন রিকশার হুড তোলে রিকশার ভেতরে জিরিয়ে নিচ্ছে।
মিতু ভ্যানিটিব্যাগের চেইন খুলে ফোল্ডিং ছাতা মেলে ধরল। গুগলে ওয়েদার ফোরকাস্ট ৩২ ডিগ্রি দেখাচ্ছে, তবে বলছে ফিলস লাইক ৩৫ ডিগ্রি। ঠাণ্ডা পানীয় কিছু একটা পান করতে হবে। তারপর আলহামরা, শুকরিয়া, হাসান মার্কেট পর্ব সমাপ্ত করে হীরা অ্যান্ড কোম্পানিতে ঢুঁ মেরে মহাজনপট্টি যেতে হবে।
স্কুলের জন্য ১০ঃ৬ মাপের জাতীয় পতাকা কেনা জরুরি হয়ে পড়েছে। লিস্ট অনুযায়ী আরও কিছু দ্রব্য ক্রয় করতে হবে।
রিফাত লেডিস টেইলার্সে ঢুঁ মারতেই, ‘আপা, আসসালামু আলাইকুম। আপা বসেন। এই জরিনা, আপার লাগি ঠাণ্ডা কিছু একটা লইয়া আয়।’ বলে টেইলার বেটি গল্প শুরু করল। মিনিট পাঁচেক রাজ্যির কথা বলে আসল কথায় এল। ‘আপা, খবর তো বালা নায়। আমি সময় করি আফনার লগে দেখা করমু। আর এই লইন আফনার চুড়িদার। আমি সুন্দর করি দিছি। একটু দেরি অইছে আপা। মাইন্ড করবা না আপা।’
বল তো এখন মিতুর কোর্টে। মিতুর ভাই ডাক্তার হলেও নিজস্ব ক্লিনিক রয়েছে। টেইলার বেটি ‘কত ধানে কত চাল’ এখন তুমি হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করবে।
মিতু ভ্যানিটিব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে ডাটা অন করে ফেসবুকে ঢুকল।
দিনটা পুরো কাজে লাগাতে হবে। কত কষ্ট করে মিথ্যে বলে একদিনের ক্যাজুয়াল লিভ নিয়েছে। নিয়ম হচ্ছে আজ অন ডিউটিতে থাকবে সে। স্কুলের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কিছু আইটেম খরিদ করতে হবে। তাও অন ডিউটি হয়নি। শেষমেশ মিথ্যে বলেছে। ছুটি নিয়েছে।
রিফাত টেইলার্সে বসে শাশুড়ি মায়ের ফটো একটা আপলোড করে ‘শ্রদ্ধা’ স্ট্যাটাস লিখে শিক্ষকদের ইনবক্সে ঢুঁ মারল মিতু। সবাই অফ। শুধু তরুণ ছোঁড়াটা সক্রিয় রয়েছে। দ্রুত মিনি রুটিন বের করে চোখ বুলাতেই কাঙ্ক্ষিত জায়গায় চোখ আটকে গেল, ক্লাস বাদ দিয়ে ছোঁড়াটা ফেসবুকিং করছে।
মিতু ফোন ঘোরাল।
‘আজগর, তুমি কী করছ?’
‘ক্লাস নিচ্ছি।’
‘ক্লাসে সক্রিয়, ফেসবুকেও সক্রিয়। একসঙ্গে দুই নৌকা কীভাবে চালাইতেছ?’
আজগর কথা বলল না। ফোন অফ করে দিল। ছোঁড়াটা একটা বেয়াদব। কোনো কথাই শোনে না। তর্ক করে। স্কুলে পৌঁছতে মিনিট ত্রিশেক দেরি হলে এটিওকে ফোন করে; লাগায়। স্কুলে নিজের ইচ্ছায় আসে, ফের নিজের ইচ্ছায় যায়। খুঁটির জোরে ছোঁড়াটা লাফায়। বাবা হেডমাস্টার, শিক্ষক নেতা। পোষ্য কোটার এই এক বারতা।
শ-দুইশ গজ হেঁটে শুকরিয়ার মহিলাঙ্গনের সম্মুখে আসতেই স্ক্রিনে ইমরোজ নামটি ভেসে উঠল। ইমরোজের ফোন। মিতু রিসিভ করল।
‘হ্যালো।
‘তুমি কুনআনো?’
‘শুকরিয়াত।’
‘ডাকাত (ঢাকায়) আগুন লাগছে। খবর লইছনোনি? ভয়াবহ আগুন চকবাজারো লাগছে।’
‘রুচিরারে ফোন দিছোনি?’
‘তাইরে ফোনো পাইরাম না (পাচ্ছি না)।’
‘আরেকবার দেও। খবর লও।’
‘কই উত্তরা, আর কই ডাকা?
‘তার পরও, খবর লও।’
রুচিরাকে ফোনে পাওয়া গেল না। সঙ্গে তার বান্ধবীকেও। দুজনেরই ফোন বন্ধ। দুঃখিত, কাঙ্ক্ষিত নম্বরটিতে এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরি...। গ্রামীণফোন তার রেকর্ডকৃত একই বক্তব্য বারবার প্রচার করে যাচ্ছে।
মিতুর আতঙ্ক বাড়ল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা মালিবাগ থেকে পুরান ঢাকার চকবাজারে যাওয়ার কথা না থাকলেও নিয়তি অনেক সময় ভিকটিমকে অবচেতন মনে তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নিয়ে যায়।
মিতু বাড়ির পথ ধরল।
শনিবারের বিকাল আজ থমকে গেছে। মিনিট-সেকেন্ডের কাঁটা যেন সময় নির্ণয় না করে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে সময়কে থমকে দিয়েছে।






