মূল: সাংখ্যায়ন ঘোষ। অনুবাদ: জাহিদুর রহিম
কলকাতার এসএফ (সায়েন্স ফিকশন) ক্লাবের যাত্রা বেশ জাঁকজমকের সঙ্গেই শুরু হয়েছিল। একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র ক্লাবের পক্ষে যা অকল্পনীয়, তেমনি সাড়া ফেলেছিল। ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনিল্যান্ড থেকে ওয়াল্ট ডিজনি এই ক্লাবকে ‘সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসি’ ফিল্ম পূজারিদের সংঘ বলে অভিহিত করে অভিনন্দন বার্তা পাঠায়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উৎসাহব্যঞ্জক বাণী দেন এবং সায়েন্স ফিকশন সাহিত্যের কিংবদন্তি লেখক আর্থার সি ক্লার্ক ও রে ব্রাডবারি শুভেচ্ছা জানান। কলকাতার সেই সময়ের অন্যতম পত্রিকা দ্য প্রেস ট্রাস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং রেডিওতে পরদিন সকালে বিশেষ সংবাদ ‘কণিকা’ প্রচারিত হয়। ২৬ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে মানুষ সারিবদ্ধভাবে ফাইন আর্ট একাডেমির চত্বর হতে বার্ষিক ৬ রুপি ফির বিনিময়ে মেম্বারশিপ কার্ড সংগ্রহ করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৬০০ অভ্যাগতর মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাসের প্রতিনিধি ও কলকাতার সংস্কৃতিসেবীরা।
এ উপলক্ষে ব্রুশিয়র ও স্যুভেনিয়র বের করা হয়। ক্লাবের লোগো থেকে শুরু করে ব্রুশিয়রের প্রচ্ছদ এমনকি ছাপা ফ্রন্টের টাইপসহ সব ডিজাইন করেছিলেন সত্যজিৎ রায়, যিনি সারা জীবন কল্পবিজ্ঞান ও কাল্পনিক বিষয়নির্ভর চলচ্চিত্রের গভীর অনুরাগী ছিলেন। সেই সময়ই তার অমর কীর্তি যেমন— অপু ট্রিলজি (১৯৫৫-৫৯), মহানগর (১৯৬৩), চারুলতা (১৯৬৪) এবং নায়ক (১৯৬৬) তাকে বিশ্বচলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ নির্মাতাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সত্যজিৎ প্রথম জীবনে বেশকিছু সায়েন্স ফিকশন লিখেছিলেন, যার মধ্যে ‘প্রফেসর শঙ্কু’ সিরিজ অন্যতম। এ চরিত্রকে সত্যজিৎ গড়েছেন প্রচণ্ড রসবোধের আদলে মোড়া এক ‘আত্মভোলা জিনিয়াস’ হিসেবে, যে ‘স্নাফ গান’ তৈরি করেছিল যাতে আক্রান্ত মানুষ একনাগাড়ে ‘৫৬ বার হাঁচি’ প্রদান করবে। স্কুলের ছাত্র থাকাকালে সত্যজিৎ এইচজি ওয়েলস ও জুল ভার্নের লেখা পড়েছিলেন। তিনিই এ সায়েন্স ফিকশন ক্লাবটির সভাপতি হন।
৩০ বছর ধরে নিজেকে সায়েন্স ফিকশনে আসক্ত উল্লেখ করে ব্রুশিয়রে সত্যজিৎ লেখেন, ‘এসএফ ক্লাব বিশেষ ধরনের চলচ্চিত্র ক্লাবের মধ্যে দেশে ও দেশের বাইরে অগ্রগণ্য হতেই পারে।’
সেই বছরেই সত্যজিৎ তার কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক চলচ্চিত্র স্ক্রিপ্ট ‘দি এলিয়েন’-এর বক্তব্য দিতে হলিউড যান। কিন্তু সেটা পৃথক এক গল্প। হারপার্স কলিন্স ইন্ডিয়ার নতুন বইয়ে ‘সত্যজিতের ট্রাভেলস ও এলিয়েন: যে চলচ্চিত্র কখনো নির্মিত হয়নি এবং সায়েন্স ফিকশনের রোমান্স’ নামক লেখায় এসবের বিস্তারিত আছে। সেসঙ্গে সেখানে এসএফ ক্লাবের অপ্রকাশিত স্মারক নিয়েও বিশেষ প্রতিবেদন আছে।
উদ্বোধনের সন্ধ্যায় প্রথম চলচ্চিত্র ছিল একটি ব্রিটিশ গ্রামীণ চলচ্চিত্র, যার নাম ‘অভিশপ্তদের গ্রাম’ Village of the Damned। যেখানে গ্রামের চারজন অধিবাসী অদৃশ্য এলিয়েন দ্বারা গর্ভবতী হয়ে অদ্ভুত সোনালি চুলের বাচ্চার জন্ম দেয়, যা ইংল্যান্ডের মিডউইচের সেই গ্রামকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলে।
প্রদর্শনীতে দ্বিতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে দেখানো হয় ‘অবিশ্বাস্য সংকুচিত মানুষ’ The Incredible Shrinking Man। সেখানে একজন মানুষের গল্প দেখানো হয়, যিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরে ইয়ট ভ্রমণের সময় তেজস্ক্রিয় ধোঁয়া দ্বারা আক্রান্ত হন এবং ক্রমেই সংকুচিত হতে থাকেন। দৈনন্দিন জিনিসগুলো অতিবৃহৎ হয়ে গল্পের নায়কের সামনে হুমকি হয়ে উঠছে। এই রোমাঞ্চকর আর উদ্ভাবনী চলচ্চিত্রে কখনো দেখা যায় স্টোর রুমে বিষধর মাকড়শার সঙ্গে তিনি লড়ছেন, কখনো নিজের পোষা বিড়ালের থাবা এড়িয়ে পালাচ্ছেন। সেই বছর, দক্ষিণ কলকাতার প্রিয়া সিনেমা হলে মার্চের রোববার সকালে এ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।
গত শতকের পঞ্চাশের দশক ছিল কার্যত আমেরিকান সায়েন্স ফিকশন মুভির সোনালি সময়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেটা ছিল এক ‘পারমাণবিক অধ্যায়’, চলছিল স্নায়ুযুদ্ধ আর চাঁদে মানুষের যাওয়া যখন অসম্ভব বলে আর মনে হচ্ছে না। কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের ওপর ভিত্তি করে তখন অনেক সায়েন্স ফিকশন মুভি তৈরি হয়। ১৯৫৪ সালে জাপান ‘গডজিলা’ তৈরি করে। সোভিয়েত বলয়ের দেশগুলো যেমন— চেকোস্লোভাকিয়া তাদের নিজেদের মতো করে সায়েন্স ফিকশন মুভি বানায়।
সত্যজিৎ রায়ের ফিল্ম ক্লাবের হয়ে কাজ করা নতুন ছিল না। ১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতীয় চলচ্চিত্র সংসদের তিনি সহপ্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনিই প্রদর্শনীর চলচ্চিত্রগুলো বাছাই করছিলেন। বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাস ও বড় বড় স্টুডিও (যেমন— মেট্রো গোল্ড উইন অ্যান্ড মেয়ার, কলম্বিয়া, প্যারামাউন্ট) থেকে অদ্ভুত আর অসাধারণ সব চলচ্চিত্রের তালিকা তিনি পেয়েছিলেন। ফিল্মক্লাবের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে সত্যজিৎ এসব ফিল্ম দেখতেন এবং ঠিক করতেন প্রদর্শনীতে কোনটি প্রদর্শিত হবে। কখনো কখনো কোনো ফিল্ম ৫ মিনিট দেখেই তিনি বাতিল করে দিতেন।
চেকোস্লোভাকিয়ার কনস্যুলেট থেকে তিনটি ফিল্মের প্রস্তাব করা হয়েছিল কিন্তু কেবল ‘ম্যান ইন আউটার স্পেস’ (১৯৬২) প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয়। কারণ বাকি দুটির [ডেভিলস ট্র্যাপ (১৯৬২), ক্রিয়েশন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (১৯৫৮)] সাবটাইটেল ছিল না। সত্যজিৎ ‘ফ্যান্টাস্টিক ভয়েজ’ (১৯৬৬) ফিল্ম প্রদর্শনীর জন্য Twentieth Century Fox-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এটি ছিল এক ঘোর সৃষ্টিকারী রোমাঞ্চকর মুভি, যেখানে দেখানো হয় একজন বিজ্ঞানীর ব্রেনকে ধ্বংস হওয়া থেকে বাঁচাতে চিকিৎসাবিদদের বানানো একটি সাবমেরিনের শরীরের ভেতরের যাত্রা। ফিল্মটি তখনো ভারতের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের জন্য মুক্তি পায়নি, কিন্তু তারা এই সিনে ক্লাবে প্রদর্শনের জন্য সহজেই অনুমতি দেয়।
১৯৬৭ সালে সত্যজিৎ স্ট্যানলিল ক্রুব্রিকের 2001: A Space Odyssey-এর সঙ্গে জ্যা লুক গ্যদারের Alphaville (১৯৬৫) ও ফ্রাসোয়া ত্রুফোর Fahrenheit 451 (১৯৬৬) ফিল্ম প্রদর্শনীর জন্য আনতে ব্যর্থ হলেন। বিষয়টি তাকে চিন্তায় ফেলে দেয়, তিনি বুঝতে পারলেন মূলধারার নির্মাতারা সায়েন্স ফিকশন থেকে নিজেদের কতটা বিচ্ছিন্ন ভাবছেন। তিনি তাদেরকে বিষয়টি বোঝানোর জন্য বোম্বে যান। হিচককের ‘বার্ড’ মুভিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল, যা ‘ম্যাজেটিক সিনে হলে’ প্রায় ১ হাজার ৬০০ সদস্যের সামনে প্রদর্শিত হয়।
এই সিনে ক্লাবটি আসলে গত শতাব্দীর ষাটের দশকের সায়েন্স ফিকশন পূজারি কিছু মানুষের চেষ্টার ফসল। এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অদ্রীশ বর্ধন, যিনি এই সিনে ক্লাবের সেক্রেটারি। তিনি এ সিনে ক্লাব করার চিন্তা সত্যজিৎকে বলেছিলেন। বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক প্রেমেন্দ্র মিত্র সহসভাপতি ছিলেন। বর্ধন কলকাতা কেমিক্যালের সচিবের একান্ত সহকারী পদে দিনে কাজ করতেন। সায়েন্স ফিকশনকে ‘কল্পবিজ্ঞান’ অভিধা দেয়ার কৃতিত্বটি একান্তই তার। তিনি তার পৈতৃক নিবাস ৯৭/১, সুপেন্টিন লেন (যেটি সিনে ক্লাবের অফিস হিসেবেও ব্যবহূত হয়েছিল) হতে ১৯৬৩ সাল থেকে ‘আশ্চর্য!’ নামে কল্পবিজ্ঞানের একটি ম্যাগাজিন বের করেন স্থানীয় বাঙালি লেখকদের নিয়ে। এ ম্যাগাজিনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও কন্ট্রিবিউটর ছিলেন সত্যজিৎ রায়। সত্যজিৎ ও বর্ধন—দুজনে মিলে এরপর রেডিওর জন্য কল্পবিজ্ঞানের নাটক তৈরি শুরু করেন।
এই সিনে ক্লাবটি বাংলার কল্পবিজ্ঞান নিয়ে তিন প্রজন্মের প্রচেষ্টার এক ফলাফল, যার শুরু হয়েছিল ১৮৯৬ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু লিখিত ‘পলাতক তুফান’-এর মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায় একটি সাইক্লোন কলকাতা অতিক্রমের সময় ‘কেশরি কুন্তল হেয়ার অয়েল’-এর বোতলে বন্দি হয়ে স্তব্ধ হয়ে যায়। ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘আশ্চর্য!’তে বর্ধন রাজনৈতিক দলের ইশতেহারের মতো বৈপ্লবিক সম্পাদকীয় লেখেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘মাসিক পত্রিকা, রেডিও এবং সিনেমা তিন মাধ্যমেই কল্পবিজ্ঞানের বিজয় তোরণ নির্মিত হবে।’ এ সংখ্যায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিত ছিল। পরবর্তীতে প্রদর্শিত মুভির বিশদ সারসংক্ষেপ ‘আশ্চর্য!’র শেষ অংশে রাখা হয়।
সিনে ক্লাবের অনেক ঘটনা গত বছর একটি নরওয়েজিয়ান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল ‘বাংলায় কল্পবিজ্ঞান আন্দোলন’ শিরোনামে। এটি লিখেছিলেন রনেন ঘোষ, যিনি অদ্রীশ বর্ধনের একজন সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। আশ্চর্য!, বিস্ময় ও ফ্যান্টাস্টিকের পর প্রকাশিত এই তিনটি সায়েন্স ফিকশন ম্যাগাজিনের তিনি অবিচ্ছেদ্য অংশ। রনেন বহু ছদ্মনাম ব্যবহার করে গল্প লিখতেন। সেক্ষেত্রে তিনি পরিবারের লোকদের নাম ব্যবহার করতেন। সিনে ক্লাবের সক্রিয় সদস্যদের মধ্যে তিনি অন্যতম, যিনি এখনো জীবিত। তিনি আমাকে ফোনে বলেছেন, একই সঙ্গে তিনি ও তার স্ত্রীর একটি কাপল মেম্মারশিপ কার্ড ব্যবহার করতেন এবং বেশির ভাগ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। ৮২ বছর বয়সী রনেন সেই দিনগুলোর বিস্তারিত ভুলে যেতে শুরু করেছেন, কিন্তু এখনো মনে করতে পারেন সেই উত্তেজনাকর অনুভূতি, যা তিনি ও তার সঙ্গীরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে উদযাপন করেছিলেন। তাদের মনে হয়েছিল সেই দিন, ‘আমরা বাংলায় এমন কিছু করতে যাচ্ছি, যেটা পৃথিবীতে কোথাও কখনো হয়নি। আমরা বাঙালিরা আসলে এক পাগুলে জাত!’
আপাতদৃষ্টিতে সফল সিনে ক্লাবটি কীভাবে উদ্যম হারাতে শুরু করল আর প্রতিষ্ঠার তিন বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে বন্ধ হয়ে গেল? সত্যজিৎ রায় তখন হলিউডে ‘এলিয়েন’ তৈরি করার বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং সঙ্গে গোপী গাইন বাঘা বাইন (১৯৬৯), অরণ্যের দিনরাত্রি (১৯৭০), প্রতিদ্বন্দ্বী (১৯৭০) এসব মুভি তৈরি করা নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। অদ্রীশ বর্ধনের নিজস্ব সমস্যা ছিল। ‘আশ্চর্য!’ মাগাজিন বের করার বিষয়ে আর্থিক সমস্যা তো ছিলই এবং সে সময় তার স্ত্রীও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
রনেন ঘোষ বলছেন, ‘আমি মনে করি নির্দিষ্ট সময় পরে সত্যজিৎ রায় এই বিষয়ে আগ্রহ হারাতে শুরু করেন, তা না হলে যে করেই হোক তিনি এ ক্লাবটি সচল রাখতেন।’ তিনি আরো বলেন, দর্শক কমে যাওয়া শুরু করে। অনেক সদস্যই ইংরেজি ভাষায় নির্মিত এসব ফিল্ম দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন না। এসব চলচ্চিত্রে জটিল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যানির্ভর কথোপকথন ছিল, যা তারা বুঝে উঠতে পারতেন না। এসব সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছিল। মিটিংয়ে আলোচনাও হতো (এসব মিটিংয়ে বেশির ভাগ সময় সত্যজিতের উপস্থিত থাকার সময় হতো না) কিন্তু সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। রনেন লিখেছেন, এই ‘বন্ধ দরজা নীতি’ই ক্লাবটির যবনিকাপাতে সাহায্য করেছে।
সত্যজিৎ রায়ের ছেলে সন্দীপ তার ‘Travails with the Alien’ বইয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন কীভাবে তার বাবা তার প্রতি জন্মদিনে ১৬-মিমি সায়েন্স ফিকশন ফিল্মের প্রদর্শনী করতেন, যার মাঝে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র গড়গো ছিল। সন্দীপ লিখছেন, ‘আমার ও আমার বন্ধুদের জন্য এটা খুব আকর্ষণীয় বিষয় ছিল।’ বাবার সঙ্গে তার সিনে ক্লাবের প্রদর্শনীর অনেক প্রিয় স্মৃতি আছে। তিনি ফোনে বলেছেন, বাবা এই ফিল্ম ক্লাবে অনেক সময় দিতেন। কিন্তু ক্রমেই বড় স্টুডিওগুলোর আঞ্চলিক অফিস থেকে চলচ্চিত্র সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে যেতে লাগল। যার ফলে একপর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে হয়ে যায়। সন্দীপ প্রফেসর শঙ্কু ও এলদারেডোর নির্মাণে হাত দিয়েছেন। এটি ব্রাজিল ও ভারতে শুটিং হবে। প্রথমবারের মতো সত্যজিৎ রায়ের কোনো কল্পকাহিনী বড় পর্দার জন্য নির্মিত হচ্ছে।






