২৪-২৫ আগস্ট ১৯৭১, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতদের একটি গোপন বৈঠক হয়। পররাষ্ট্র সচিব সুলতান এম খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওমর এবং তথ্য সচিব রোয়েদাদ খান। রাষ্ট্রদূত বৈঠকের সারাংশ ভারতের বামপন্থী সাপ্তাহিক ‘ফ্রন্টিয়ার’-এর ৩০ অক্টোবর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। এখানে সেই বৈঠকের সারাংশটির অনুবাদ তুলে ধরা হলো:
১৯৪৭-এর পর পাকিস্তান যত সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, ১৯৭১-এর সংকটই সবচেয়ে বড় এবং এজন্য দায়ী ভারত— পররাষ্ট্র সচিবের এ স্বীকারোক্তি দিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বৈরী গণমাধ্যম এবং তাদের সরকারের প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করলেন। তিনি মনে করেন, পাকিস্তানের বিষয়টি তাদের বোধগম্য হয়নি। ১৭ আগস্ট রাশিয়ার কোসিগিন প্রেরিত চিঠির কথা উল্লেখ করলেন, তাতে রাশিয়া পাকিস্তানকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিক্সনও পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও অন্যান্য সাহায্য অব্যাহত রাখতে সম্মত রয়েছে। চীনও পাকিস্তানের অখণ্ডতা ও সংহতি রক্ষা করতে আগ্রহী। অনেক আরব দেশ পাকিস্তানের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকতে ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে।
সুসংগঠিত সামরিক বাধা না থাকায় দেশের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওমর বিশ্বাস করেন। সেক্ষেত্রে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিহত করা এবং নাশকতামূলক কাজ ঠেকানো ছাড়া সংগঠিত সামরিক অপারেশনের প্রয়োজন নেই। নাশকতা ঠেকাতে বেসামরিক সশস্ত্র শক্তি ও রাজাকারদের সক্রিয় করা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস করা হয়েছে। আর তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় লাগবে। আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এ দলের কিছু সংখ্যক সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা তাদের সংসদ সদস্যপদ হারাবেন। তিনি বলেন, শিগগিরই প্রশাসনের কিছু বেসামরিকীকরণ করা হবে। সামরিক আইন বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে। খাদ্য ঘাটতি এলাকাগুলোয় খাবার পাঠানো হবে। আগামী দিনের সংবিধান স্বায়ত্তশাসন ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা উভয়ই নিশ্চিত করবে। তবে তিনি মনে করেন, রাজনীতিতে ধ্রুব বলে কিছু নেই।
তথ্য সচিব রোয়েদাদ খান বলেন, পাকিস্তানের ভাবমূর্তি বিশেষভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি মনে করেন, এটা মোকাবেলা করার জন্য আগ্রাসী প্রচারণা চালাতে হবে। আর তা করার জন্য পর্যাপ্ত জনবল ও তহবিলের সংস্থান করা হবে।
রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনারদের পর্যবেক্ষণ
যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত আগা হিলালির পক্ষে জেড এম ফারুকী বললেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতার কারণে পাকিস্তানের অভিপ্রায় প্রেসিডেন্ট নিক্সনের জানা। তিনি স্বীকার করলেন পূর্ব পাকিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং কংগ্রেস সদস্যরা সন্দিহান। তবে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে চালু সব প্রকল্পে সাহায্য অব্যাহত রাখবে। তিনি স্বীকার করলেন, আওয়ামী লীগ ও ভারতে অবস্থানকারী শরণার্থীদের প্রতি সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। তিনি মনে করেন, পূর্ব পাকিস্তানে বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে তাতে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি উন্নত হবে। তিনি চাইলেন পাকিস্তানের দুই অংশ থেকেই বুদ্ধিজীবী ও ছাত্ররা যুক্তরাষ্ট্রে আসুক এবং এখানকার সরকার ও জনগণের ধারণাকে প্রভাবিত করুক।
সোভিয়ত ইউনিয়ন: রাষ্ট্রদূত জামশেদ মার্কার মনে করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো ইচ্ছেই রাশিয়ানদের নেই; আর ভারত-সোভিয়েত চুক্তির মূল লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের প্রভাব বৃদ্ধি করা। তিনি এ চুক্তিকে যতটা চীনবিরোধী মনে করছেন, মোটেও ততটা পাকিস্তানবিরোধী নয়। পাকিস্তানের জন্য যে পরিমাণ অর্থনৈতিক সহায়তা বরাদ্দ, তা কমিয়ে দেয়া হবে এমন কোনো সংকেত তিনি পাননি।
যুক্তরাজ্য: হাইকমিশনার সালমান আলী বলেছেন, পাকিস্তানের কী অভিমত তা ব্রিটিশ সরকার জানে না। তিনি তুলে ধরেন, বিভিন্ন ধরনের বাংলাদেশী সংস্থার মোকাবেলা করতে হাইকমিশন পাকিস্তান সংহতি সংস্থা গঠন করেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে তিনি ইহুদি চক্র প্রভাবান্বিত বলে গাল দেন এবং তিনি মনে করেন, ১৯৪৭-এর অর্জনটা উল্টে দিতে লেবার পার্টি উঠে-পড়ে লেগেছে। হাইকমিশন বিভিন্ন দল ও ব্যক্তিকে পাকিস্তানি দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার জন্য অর্থের জোগান দিচ্ছে। তিনি সিলেটিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপনের প্রক্রিয়ার কথা বলেন। মিসেস গান্ধীর যুক্তরাজ্য সফরের সময় এবং জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় টাইমস ও অন্যান্য সংবাদপত্রে পাকিস্তানের পক্ষে বিস্তৃত ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞাপন দেয়ার ওপর জোর দেন। বাঙালিরা অবাঙালিদের যে হত্যা করেছে, তার ডকুমেন্টারি ছবি সেখানকার জনগণকে দেখাতে চেষ্টা করবেন বলে জানান।
চীন: রাষ্ট্রদূত কেএম কায়সার বলেন, চীন হস্তক্ষেপ না করার নীতি ধরে রেখেছে। পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রেখে রাজনীতির সমাধানের ওপর চীন জোর দিয়েছে। বাংলাদেশকে ভারতের সমর্থন চীন সন্দেহের চোখে দেখছে। পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য চীন সাহায্য দিতে প্রস্তুত। চীনের গণমাধ্যম ভারত-সোভিয়েত চুক্তি নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করেনি; চীন বিশ্বাস করে চুক্তিটি আসলে চীনের বিরুদ্ধে করা। চীন আফগানিস্তানের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। একইভাবে নেপাল ও বার্মার সঙ্গেও। ভারত-চীন রাজনীতিতে চীন পাকিস্তানকে সক্রিয় দেখতে চায়। যদি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ লেগে যায়, সেক্ষেত্রে চীনের সাহায্যের ধরনটা কেমন হবে— এ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত কায়সার নিশ্চিত নন। বেসরকারি উৎস থেকে তিনি যা জানেন, তাতে ২৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ শূন্যের কোটায়। পাকিস্তান যে চীনা অস্ত্র ব্যবহার করে, তার অধিকাংশ ১৯৬৫ সালের পর সংগৃহীত।
জাতিসংঘ: পাকিস্তানের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আগা শাহী বলেন, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের গত বৈঠকে পাকিস্তান কেবল প্রযুক্তিগত বিষয়ে সাহায্য পেয়েছে, অন্য কোনো বিষয়ে নয়। তিনি আশা করছেন, আসছে সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারত জোরদার সমর্থন পাবে। তিনি বলেন, এটা ঠেকাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। পূর্ব পাকিস্তানে বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠা, যথেষ্টসংখ্যক শরণার্থীর প্রত্যাবর্তন, বর্তমান সদস্য সংকট মোকাবেলা, শেখ মুজিবের বিচার স্থগিত করা— এগুলো তার প্রস্তাবিত ব্যবস্থা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তান বৈরী গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এবং ওয়াশিংটন পোস্ট; টাইম ও নিউজ উইক ম্যাগাজিনেও তিনি প্রচারণা বিজ্ঞাপন দেয়ার পরামর্শ দেন। সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনে যেকোনো মূল্যে পাকিস্তানের অভিমত দেখাতে হবে। তিনি মনে করেন, জাতিসংঘে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানিদের অন্তর্ভুক্ত করা দরকার।
ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত দেহলভি বলেন, ফ্রেঞ্চ গণমাধ্যম ও জনগণ পাকিস্তানি অভিমতের প্রতি সহানুভূতিশীল নয়। ফ্রান্স পাকিস্তানের সমস্যাকে একটি মানবিক সমস্যা বলে মনে করে।
পশ্চিম জার্মানি: রাষ্ট্রদূত জি কিউ খারাস বলেন, জার্মান সরকার সমস্যাটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে মনে করে, কিন্তু ভারত জার্মান গণমাধ্যমকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে এবং তাদের বোঝাচ্ছে সমস্যার মোকাবেলা এভাবে করতে হয়, ভারত যেভাবে করছে।
কানাডা: হাইকমিশনার সাজ্জাদ হাইদার বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের প্রভাবিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন না যে, ভারত-সোভিয়েত চুক্তির কারণে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া থেকে বিরত থাকবে। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ প্রশ্নে ভবিষ্যতে কিছু একটা করতে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কিছু একটা চুক্তি হয়েছে।
সুইজারল্যান্ড: রাষ্ট্রদূত আফজাল ইকবাল বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ যে দুর্দশায় পতিত হয়েছে, তাতে সুইস সরকার উদ্বিগ্ন ও দুঃখিত।
অস্ট্রিয়া: রাষ্ট্রদূত আনোয়ার মুরাদ বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে এত মৃত্যু এবং ভারতে যাওয়া বিপুলসংখ্যক শরণার্থী নিয়ে অস্ট্রীয় সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অস্ট্রীয় সংবাদপত্র পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করছে।
তুরস্ক: রাষ্ট্রদূত ইফতেখার আলী বলেন, যদিও তুর্কি সরকার পাকিস্তানকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তুর্কি সংবাদপত্র ও সেখানকার জনগণ পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত। পাকিস্তানের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গির সন্তোষজনক কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।
পোল্যান্ড: রাষ্ট্রদূত বশিরুল আলম বলেন (পূর্ব পাকিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে), পাকিস্তান সরকার যেসব ব্যাখ্যা দিচ্ছে, পোল্যান্ডের সরকার তা মানতে নারাজ। শরণার্থী সমস্যা নিয়ে তাদের সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পোল্যান্ড পাকিস্তানের ব্যাপারে অত্যন্ত সমালোচনামুখর এবং পূর্ব পাকিস্তান সংকটের জন্য তারা পাকিস্তান সরকারকে দায়ী করে। পোল্যান্ডের সরকার কিংবা গণমাধ্যমের পাকিস্তানের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন ঘটবে বলে তিনি মনে করেন না।
স্পেন: রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবিদ আলী বলেন, স্পেনের সরকার পাকিস্তানের অবস্থান স্পষ্টভাবে বুঝেছে। পাকিস্তান স্পেনকে অস্ত্র সরবরাহের যে ফরমায়েশ দিয়েছে, তা কেবল দ্রুততার সঙ্গে সম্পাদনই করেনি, অধিকন্তু সহজ ও পাকিস্তানের জন্য লাভজনক শর্তে অতিরিক্ত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে স্পেনের গণমাধ্যমের একটি অংশ পাকিস্তানের ব্যাপারে খুবই সমালোচনামুখর।
চেকোস্লোভাকিয়া: রাষ্ট্রদূত কামালউদ্দিন বলেন, চেক সরকার ও সেখানকার সংবাদপত্র পাকিস্তান ট্র্যাজেডি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের দাবি জানাচ্ছে।
সুইডেন: রাষ্ট্রদূত সাফকাত আলী আলোচনায় অংশগ্রহণ করেননি।
আর্জেন্টিনা: সভা শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রদূত আবদুল মমিন সেখানে এসে উপস্থিত হন।
ঘানা: হাইকমিশনার এসএ মঈদ বলেন, ঘানা সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান রক্ষা করে চলেছে।
বুলগেরিয়া: রাষ্ট্রদূত মোস্তাফা কামাল তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলেননি।
নেদারল্যান্ডস: রাষ্ট্রদূত আর এস চাতারি বলেন, মানুষের এ দুর্দশায় ডাচ সরকার অত্যন্ত ব্যথিত ও বিচলিত। পাকিস্তানের একপক্ষীয় ঋণ পরিশোধ বিলম্ব সিদ্ধান্তে সরকার অসন্তুষ্ট হয়েছে। তবে ২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করলে সাতটি কোস্টার লিজ দিতে সম্মত হয়েছে।
নাইজেরিয়া: যেহেতু নাইজেরিয়া নিজেই একই ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহের শিকার, রাষ্ট্রদূত সামিউল্লা কোরেশি বলেন, দেশটি গোড়া থেকেই পাকিস্তানকে সমর্থন জানিয়ে আসছে।
বেলজিয়াম: রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, সেখানকার সংবাদপত্র কিংবা সরকার কেউই পাকিস্তান সরকারের ভূমিকাকে সমর্থন করে না।
যুগোশ্লাভিয়া: রাষ্ট্রদূত আইএ আখুন্দ বলেন, যুগোস্লাভ সরকার পাকিস্তান সরকারের প্রতি প্রসন্নভাবাপন্ন ছিল, কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে বিদ্রোহ ভারত প্ররোচিত, এটা তারা বিশ্বাস করেন না। বেলগ্রেড ইউএনডিপিতে কর্মরত জনৈক মিস্টার বাম-এর সক্রিয় পাকিস্তানবিরোধী ভূমিকার কথা তিনি উল্লেখ করেন।






