মানুষকে উন্নতি করতে হলে পার করতে হয় চড়াই-উতরাই। তেমনই কোথাও পৌঁছতে হলে সে পথেও থাকে নানা বাঁক আর চড়াই-উতরাই। আর ভৌগোলিকভাবে কিছু পথ, কিছু অঞ্চল জীবনের মতোই বন্ধুর। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় উপমহাদেশের জন্য তেমন একটি জায়গার নাম খাইবার পাস। পশ্চিম থেকে উপমহাদেশে এসেছে বহু অভিযাত্রী, বিজেতা। স্থলপথের অভিযাত্রীরা এসেছে খাইবার পাস হয়ে। খাইবারকে বলাই যায় এ অঞ্চলের প্রবেশপথ। সে পথেই এসেছে গ্রিক থেকে মোগলরা। আর খাইবার পাসের সঙ্গে মোগলদের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি। মোগলরা ভারতীয় উপমহাদেশে ছিল বহু বছর। অন্য অভিযাত্রীদের মতো তারা লুঠ করে যায়নি। খাইবার পার করে এসে বাস করেছিল ভারতে। এর মধ্যে নির্দিষ্ট করে খাইবার তাদের অধীনে ছিল অনেকটা সময়। তবে এ নিয়ে লড়তে হয়েছে মোগলদের।
তুর্কিস্তানের অভিযাত্রীরা বারবার খাইবার পার করেছেন। বলা চলে তুর্কিরা পূর্বে আসার পেছনে মধ্যস্থতা করেছিল খাইবার। তবে এর দখল ছিল কাবুলিস্তানের শাসকদের হাতে। কিন্তু খাইবার পাসের দিকে নজর ছিল ইরানের। এরপর মোগলদের উত্থান এবং খাইবারে তাদের দখল প্রতিষ্ঠা। ষোড়শ শতাব্দীর প্রায় পুরোটা সময় খাইবার পাস ছিল বাবরের উত্তরপুরুষদের অধীনে। এর মধ্যে নানা রকম সংকট এসেছে, যুদ্ধ লেগেছে, কেন্দ্রের শাসকের সঙ্গে সুবাদারের মতবিরোধ হয়েছে কিন্তু খাইবার পাসের মূল অধিকার ছিল মোগলদেরই হাতে। নিজেদের যথেষ্ট শক্তিশালী সেনাবাহিনী, অস্ত্র ও অন্যান্য রসদ থাকার পরও খাইবার নিয়ে সংকটের ক্ষেত্রে বহিঃশক্তির সঙ্গে বেশ কষ্ট করেই লড়তে হয়েছে মোগলদের।
ভারতীয় উপমহাদেশে পশ্চিম থেকে নানা সময় মানুষ এসেছে। তারা কেউ এসেছিল অভিযান করে লুঠ করতে, কারো উদ্দেশ্য ছিল ধর্ম প্রচার এবং কারো বাণিজ্য। লাহোর থেকে বাংলা পর্যন্ত অঞ্চলের ভূগোল বিচিত্র। এর একদিকে পাহাড়, একদিকে সমুদ্র। পশ্চিমের কেউ কেউ এসেছে জলপথ ধরে আর বাকিরা স্থলপথ। সে কারণেই একসময় খাইবার হয়ে উঠেছিল বাণিজ্য ও ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কেননা পশ্চিম থেকে পূর্বে, বিশেষত উত্তর ভারতে আসতে গেলে খাইবারই একমাত্র ভরসা। পঞ্চদশ শতাব্দীতে ক্যালভাজিও তাই কাবুলকে বলেছিলেন, ‘লিটল ইন্ডিয়া’। অর্থাৎ তিনি একে দেখেছেন ভারতের একটা ছোট সংস্করণ হিসেবে। কিন্তু তার এক শতাব্দী পর বাবর একে বলেছিলেন, ভারতের মূল বা প্রধান বাজার।
ফারগানা ছাড়ার পর বাবর ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে দখল করেন কাবুল। সেখানে স্থাপন করেন নিজের স্বাধীন রাজ্য। সে সময় তিনি চারপাশে অভিযান চালান এবং ছোট ছোট গোত্রকে তার অধীন করে নেন। নিজের রোজনামচায় বাবর জানাচ্ছেন এ সময়ে তিনি খাইবারের খোঁজ পান। এরপর খাইবার পাস তার ও তার উত্তরাধিকারীদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। বাবর বহুদিন কাবুলে ছিলেন আর সে সময় তিনি ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়েছিলেন সিন্ধুর দিকে। নিজেই তার আত্মজীবনীতে জানিয়েছেন ভারতের দিকে ধাওয়া করার ক্ষেত্রে তিনি খাইবার পাসকে ব্যবহার করেছেন। ১৫২৫ খিস্টাব্দে বাবর যখন ভারত অভিযান করেন সেখানকার বর্ণনা থেকে জানা যায়, ওই সময়ের আগে খাইবার পাসে কোনো দুর্গ বা স্থাপনা ছিল না।
বাবর ভারতে ঢোকার আগে খাইবারের অঞ্চলে অবকাঠামো নির্মাণ না করলেও কিছু ব্যবস্থা নেন। বাবরের রোজনামচায় দেখা যায় তিনি দিল্লি থেকে কাবুল পর্যন্ত ঘোড়ার মাধ্যমে সংবাদ পরিবহন ও ঘোড়া বদল করে সৈন্যদের দ্রুত চলাচলের ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি খাইবারকে ব্যবহার করেছিলেন যথাযথভাবে। এর মধ্যে দিল্লিতে তার ও তার বাহিনীর লোকজনের খবর আদান-প্রদানের পাশাপাশি কাবুল ও খাইবার পাসকে নিজের দখলে রাখার ব্যবস্থা ছিল। কেননা সংযোগ ও খবর পাঠানোর ব্যবস্থা ঠিক রাখার মানে হলো বাবর যখন দিল্লিতে থাকবেন তখনো তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাবুল ও খাইবার পাসের অবস্থা সম্যক জানতে পারবেন। অংশটি তিনি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাননি এবং তার ছিল যথাযথ মনোযোগ।
প্রথম মোগল বাদশাহ বাবরের মৃত্যুর পর তার সিংহাসনে বসেন পুত্র হুমায়ুন। কিন্তু খাইবারসহ কাবুলের শাসনভার ছিল আরেক পুত্র কামরান মির্জার ওপর। বাবর তার রাজ্য পুত্রদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। এর মধ্যে কামরানের ভাগে পড়েছিল পশ্চিম অংশ। কিন্তু তিনি নানা সময়ে হুমায়ুনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে গেছেন। তবু হাতে রেখেছিলেন পাঞ্জাব থেকে শুরু করে কাবুল-কান্দাহার। সে কারণেই খাইবারের দখল ছিল কামরানেরই হাতে। এদিকে শের শাহর হাতে পরাজিত হয়ে হুমায়ুন সরে যেতে বাধ্য হন উত্তর পশ্চিমে। সে সময় মোগলদের হাতে ছিল কেবল কাবুল, কাশ্মীর। শের শাহ একটি দুর্গ নির্মাণ করেন যার নাম রোহতাস। এর মাধ্যমে শের শাহ নিজের অংশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
হুমায়ুনের মৃত্যুর পর মোগল সাম্রাজ্য যায় তার পুত্র জালাল-উদ-দ্বীন আকবরের হাতে। আকবর নিজে সাম্রাজ্য বৃদ্ধি করেন এবং তিনি অবস্থান করেছেন ভারতের কেন্দ্রে। উত্তরে ছিলেন তার ভাই মির্জা হাকিম। হুমায়ুনের সময় খাইবার অঞ্চল যেমন ছিল কামরানের হাতে, আকবরের সময় তা ছিল মির্জা হাকিমের হাতে। মুনিম খানের তত্ত্বাবধানে মির্জা হাকিমের হাতে ছিল কাবুল, গজনি, হিন্দুকুশ থেকে সিন্ধু পর্যন্ত। এ সময়েও খাইবার পাসের দখল ছিল কাবুলের শাসকের হাতে। অর্থাৎ মোগল শাসকের অধীনে খাইবারের দখল সরাসরি ছিল মির্জা হাকিমের অধীনে। কিন্তু মির্জা হাকিম একসময় সরাসরি বিদ্রোহ করেন। ১৫৮১ খ্রিস্টাব্দের সে বিদ্রোহ দমন করেছিলেন আকবর। পার করেছিলেন খাইবার।
আবুল ফজল লিখেছেন যে হিন্দুস্তান ও কাবুলিস্তানের মধ্যে একটা সীমানা ছিল। সে সীমানাকে শাসকরা বিশেষভাবে দেখত। তার ভাষায় মহান। এ কারণেই দুই অংশের মধ্যে সীমানা দেয়া হয়েছিল। মজার ব্যাপার বস্তুগত সীমানার বাইরে খাইবার পাস নিজেই এক সীমানা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর আকবর নিজে একটি দুর্গ তৈরি করেন। রোহতাসের ১৪২ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে নির্মিত এ দুর্গ ছিল একেবারে খাইবার পাসের মুখে। ১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দে মারা যান মির্জা হাকিম। আকবর এরপর আটক থেকে সৈন্য পরিচালনা করেন। তিনি নিজে আটকে ছিলেন। এ সময় খাইবারের দিকে বিশেষভাবে নজর দেন আকবর। তার পরও খাইবার পাস তাকে ভুগিয়েছে। বেশ কয়েকটি অভিযানে গিয়েছিল তার সৈন্য কিন্তু সেখানে নানা বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েছিল তারা।
রাজা বীরবলকে নানা সময়ে ভাঁড় হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তিনি ছিলেন আকবরের বন্ধুস্থানীয়। বীরবলকে প্রেরণ করা হয়েছিল ইউসুফজাইদের দমনে। এক্ষেত্রে অবশ্য নানা মত আছে। বলা হয় আকবরের সেনাপতিরা একমত না হওয়ায় বীরবল নিজেই এ দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ বলেন লটারি করে এ অভিযানের দায়িত্ব জুটেছিল বীরবলের। যেভাবেই হোক না কেন, সওয়াতের দিকে এ যুদ্ধে গিয়ে মারা গিয়েছিলেন বীরবল। আকবরের বাহিনীও ভারি ক্ষতির মুখে পড়েছিল। এরপর টোডরমলকে পাঠানো হয় এবং তিনি গিয়ে এ অভিযানে সফলতা পান। মূলত সওয়াত ও খাইবারের আশপাশের দুর্গম অবস্থা ও আদিবাসীদের সম্পর্কে কম জানার কারণে বীরবল এ যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন এবং মারা পড়েছিলেন।
কিন্তু খাইবারের নিরাপত্তা তখনো নিশ্চিত হয়নি। এখনো খাইবারে নানা বিদ্রোহী দলের কথা শোনা যায়। সে সময়েও ছিল এমন বহু বিদ্রোহী দল। আকবরের সময় কুমার মান সিংহ আবার খাইবারে অভিযান করেন। তার লক্ষ্য ছিল রোশানিয়া আফগানরা। মান সিংহ সাফল্যের সঙ্গে এ অভিযান পরিচালনা করে রোশানিয়া আফগানদের পরাজিত করেন। এরপর খাইবারের দখল আসে আকবরের হাতে। উল্লেখ করার মতো একটি বিষয় হলো অভিযানের পুরোটা সময় মান সিংহ খাইবারেই ছিলেন। সেখান থেকে নড়েননি। তিনি জানতেন তার সেখানে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। মান সিংহ নিজ দায়িত্বে কাবুল থেকে পাঞ্জাবের পথ মোগল শক্তির জন্য নিশ্চিত করেন। সেটি নিশ্চিত হওয়ার পর আকবার খাইবারে নতুন কিছু অবকাঠামো নির্মাণে হাত দেন।
খাইবারের ওপর পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মোগলদের বাণিজ্যে বেশকিছু সুবিধা হয়। এর মধ্যে আমদানি রফতানিই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কাবুল নানা ফলের জন্য বিখ্যাত। এছাড়া তুর্কিস্তান থেকেও নানা ফল ও পণ্য সিন্ধুর অন্য পারে আসার সুযোগ পায়। এর আগে যে আসত না এমন না কিন্তু সেখানে ব্যবসায়ীদের নানা রকম বাধার সম্মুখীন হতে হতো। খাইবারে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠার পর পশ্চিমের ফলের সঙ্গে আসতে শুরু করে নানা সুতিপণ্য ও বস্ত্র। সাম্প্রতিক নানা গবেষণায় দেখা গেছে ভারতীয় উপমহাদেশে ভালো জাতের ঘোড়া আসার পেছনেও অবদান আছে খাইবারের। আর ভারতীয় শাসকরা আরবি ও তুর্কি ঘোড়ার ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল ছিলেন। আবুল ফজল জানিয়েছেন মোগল শাসনামলে ইরাক, বাদখশান, শিরভান, কিরগিজ, রুম (অটোমান অঞ্চল) থেকে নিয়মিত ঘোড়া আনা হতো।
মোগল সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্তি ছিল কামান তথা আগ্নেয়াস্ত্র। প্রাথমিক ও পরবর্তীকালেও তাদের সেনার মূল শক্তি ছিল অশ্বারোহী বাহিনী। ছোট আকারের কামানও কিছু ব্যবহার হতো ঘোড়া ও হাতির পিঠে। হাতি পাওয়া যেত বাংলার জঙ্গলে কিন্তু ঘোড়ার জন্য ভারত ছিল পশ্চিমের মুখাপেক্ষী। তাছাড়া কেবল সেনার ব্যবহারই নয়, ঘোড়া আনার কারণে আটকে সংগৃহীত করও অনেক বেড়ে যায়। এ ঘোড়ার ব্যবসা থেকে আটকের যে রাজস্ব এসেছিল তা তুলনা করা যেত দিল্লি বা সুরাটের রাজস্বের সঙ্গে। এতে অবদান ছিল মূলত খাইবার পাসের। মূলত আকবরের সময়েই খাইবার পাস মোগলদের জন্য সত্যিকারের একটি বাণিজ্য পথ হয়ে উঠেছিল।
ষোড়শ শতাব্দীর ভারতে বা মোগল সাম্রাজ্যে খাইবার পাস তিনটি বিশেষ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে—যুদ্ধ, রাজনীতি ও অর্থনীতি। এর মধ্যে যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রথমেই নাম করতে হয় বাবরের ভারত অভিযান। এরপর হুমায়ুনের সঙ্গে কামরানের বারবার লড়াই। তা বাদে শের শাহ যেমন শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন, খাইবার না থাকলে হয়তো তিনি পশ্চিমে আরো আগাতেন। খাইবার পাস তখন মোগল তথা বাবরের তৈরি সাম্রাজ্য কাবুলে টিকিয়ে রেখেছিল। এর মধ্যে অবশ্য খাইবার দেখেছে ভ্রাতৃ সংঘাত—হুমায়ুন ও কামরান এবং আকবর ও হাকিম। আকবরের পরও খাইবার নিয়ে মোগলদের মাথা ঘামাতে হয়েছিল। ক্রমাগত আক্রমণ ও চাপ আসার সম্ভাবনা ছিল পশ্চিম থেকে। নানা আদিবাসীদের বিদ্রোহও ছিল। তবে সর্বশেষ আক্রমণ বা সংঘাত হয় শিখদের সঙ্গে।
আওরঙ্গজেবের শাসনামলে শিখদের সঙ্গে মোগলদের সংঘাত শুরু হয়। নানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর ১৬৯৯ খ্রিস্টাব্দে শিখরা ‘খালসা’ (শিখদের সেনাবাহিনী) প্রতিষ্ঠা করে। খালসার মাধ্যমে তারা মোগল শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শুরু করে। ১৭০৮ খ্রিস্টাব্দে গুরু গোবিন্দ সিং মারা গেলে বান্দা সিং বাহাদুর শিখদের নিয়ে নানা অভিযান শুরু করেন। এর মধ্যে সিরহিন্দে রীতিমতো গণহত্যাই চালায় তারা। পাঞ্জাবে শিখরা নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে কিন্তু বান্দা শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয় এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপর যেন শিখদের ক্রোধ আরো বাড়ে। পাঞ্জাবে তারা নিজেদের শক্তি বাড়াতে নানা চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছিল। এর প্রভাব অনেকটাই পড়েছিল খাইবার পাসের ওপরও। খাইবার পাসের ওপর মোগল দখল শিথিল হতে থাকে।
এদিকে মোগল শক্তি কমে আসছিল আওরঙ্গজেবের পর। ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে নাদির শাহ দিল্লি অভিযান করেন। তিনি এসেছিলেন খাইবার পার করে। এরপর আবদালিও এসেছিলেন খাইবার পার করেই। ততদিনে পাঞ্জাবে শিখদের দাপট বেড়েছে বৈ কমেনি। ওদিকে আবদালি তখন আটক ও কাবুল আটক করে হয়েছেন আফগানিস্তানের আমির। তিনি খাইবার পাসের এক অংশে নিজের অধিকার রাখার পাশাপাশি একে ব্যবহার করছিলেন নিজের রাজ্যের সীমা হিসেবে। পাঞ্জাবে শিখ রাজ্য স্থাপন হয়েছিল আরো অনেক পরে কিন্তু পাঞ্জাবে মোগল শক্তি খুব একটা শক্ত ছিল না। সুবাদার হয়তো নিজের দখলে রেখেছিলেন কিছুটা, তবে খাইবারের দিকে মোগল কেন্দ্রীয় শক্তির মনোযোগ দেয়ার মতো সামর্থ্য আর ছিল না।
আলী আমজাদ: লেখক





