ঈশ্বর
প্রশংসিত হোন।
বাংলা কী
সুন্দর দেশ,
যেখানে অসংখ্য
দরবেশ ও
সন্ন্যাসী অনেক
দিক থেকে
এসেছেন এবং
একে তাদের
বাসভূমি ও
সাধন ভূমি
করেছেন।...বাংলার
মহানগরগুলির কথা
তো বলাই
বাহুল্য, এমন
কোন শহর
বা গ্রাম
নেই, যেখানে
পবিত্রাত্মা দরবেশরা
এসে বসতি
স্থাপন করেননি।...বহু
দরবেশ মারা
গেছেন ও
সমাধিস্থ হয়েছেন,
কিন্তু যারা
বেঁচে আছেন,
তাদের সংখ্যাও
মুটামুটিভাবে বিপুল।
—সৈয়দ
আশরাফ জাহাঙ্গীর
সিমনানি
বাংলার পার্শ্ববর্তী বিহারের চিশতিয়া তরিকার বিখ্যাত সুফি সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানির উপরের উক্তিটি পনেরো শতকের প্রথম দিকে বাংলার সুফি-দরবেশ এবং তাদের খানকাহ সম্পর্কে আমাদের অবহিত করে। রাজা গণেশের উত্থান, জালালুদ্দিনের ক্ষমতা দখল এবং ইলিয়াস শাহি শাসকদের উত্খাত—এই ত্রিবিধ রাজনৈতিক সংকটে হস্তক্ষেপের প্রত্যাশায় সুফি সিমনানি কর্তৃক জৈনপুরের সুলতান ইব্রাহিম শর্কিকে লেখা মাকতুব (চিঠি)-এর কিয়দংশ লেখার শুরুতে উদ্ধৃত হয়েছে। ফারসি ভাষায় লেখা চিঠিটির বাংলা তর্জমা করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মান্যবর সুখময় মুখোপাধ্যায় (বাংলার ইতিহাস ১২০৪-১৫৭৬, পৃষ্ঠা ৬১৯-২০)। সুফি সিমনানির বক্তব্যের যোগসূত্র মিলে যায় বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আনাচেকানাচে ছড়িয়ে থাকা সুফি-দরবেশদের মাজার, খানকাহ ও দরগায়। এ রকমই একজন মহাত্মা সুফি হলেন মখদুম শাহ দৌলা। এ সুফির পরিচয় তার খানকাহ এবং এতত্সংক্রান্ত কিংবদন্তিগুলো পাঠকের কাছে উপস্থাপন করাই আমার বর্তমান লেখার উদ্দেশ্য।
সুফি মখদুম শাহের দরগাহটি বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে অবস্থিত হলেও একসময় তা ছিল পাবনা জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি মহকুমা। বর্তমানে সেখানে মোহলপূর্ব যুগের একটি মসজিদ, সুফি মখদুম শাহের সমাধি এবং মসজিদের দক্ষিণে বেশ কয়েকজন দরবেশ-আউলিয়ার সমাধি রয়েছে। রাধারমণ সাহা পাবনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থে এ সমাধিগুলোর পরিচয়ে লিখেন,
... প্রাঙ্গণের
দক্ষিণে পাকা
প্রাচীর যুক্ত
পুরাতন গৃহে
পাশাপাশি মক্দুম
সাহেব [মখদুম
শাহ দৌলা]
ও তদীয়
ভাগিনেয় খেজনুর
সাহেবের সমাধিদ্বয়
বিরাজমান আছে।
এতদ্ব্যতীত মসজিদের
দক্ষিণে ১২
জন দরবেশ
ও ৬
জন আউলিয়ার
সমাধি রহিয়াছে।
মক্দুম সাহেবের
অনুচরবর্গের স্তুপীকৃত
সমাধি ‘শিরকবর’
নামে খ্যাত
হইতেছে। বর্তমান
সময়ে নিকটবর্তী
ও গ্রামবাসী
মুসলমানগণের মৃতদেহও
প্রাঙ্গণে সমাধি
দিতে আরম্ভ
করায় উহা
একরূপ সাধারণ
সমাধিক্ষেত্রে পরিণত
হয়েছে। (পৃষ্ঠা
১৭৭-৭৮)
সুফি মখদুম শাহের পরিচয়, বাংলাদেশে আগমন ও ইসলাম বিস্তারে তার অবদানবিষয়ক ঐতিহাসিক সূত্রের স্বল্পতার কারণে এ সম্পর্কিত কিংবদন্তি ও লোকগাথাই একমাত্র ভরসা। পাবনার সুফি বা পাবনায় ইসলাম বিস্তারের আলোচনার পটভূমি হিসেবে সুফিবাদের উৎপত্তি ও প্রসার সম্পর্কিত কিছু বক্তব্য বিষয়টি বৃহৎ প্রেক্ষাপটে বুঝতে সহায়তা করবে। সুফিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল আরব ভূখণ্ড ও মধ্য এশিয়ায়। সেখান থেকে তা কালক্রমে নানা তরিকায় ও সিলসিলায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। এগারো শতকের গোড়ার দিকে ভারতের উত্তর-পশ্চিম এলাকাগুলোতে আরব-মধ্য এশিয়ার অসংখ্য সুফি-সাধক এসে খানকাহ স্থাপন করেছিলেন। এ সাধকরাই ভারতীয়দের মাঝে ইসলাম প্রচার ও সুফি তরিকার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। প্রথম দিকের সুফিদের মধ্যে খাজা মাইনুদ্দিন চিশতি (মৃ. ১২৩৬), ফরিদউদ্দিন শাকারগঞ্জ (মৃ. ১২৩৫) এবং নিজামউদ্দিন আউলিয়া (মৃ. ১৩২৫) প্রমুখ ছিলেন একই সিলসিলার সাধক। উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল থেকে কালক্রমে সুফিরা ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বাংলার শুরুর দিকে সুফি তরিকা প্রচারকদের অধিকাংশই ছিলেন উত্তর ভারতীয় সুফিদের মুরিদ (শিষ্য)।
বাংলার সুফিবাদের ইতিহাসে অমীমাংসিত বিতর্কগুলোর অন্যতম একটি হলো সুফিদের আগমনের কাল। মুহাম্মদ এনামুল হক, এমএ রহিমসহ একদল গবেষকের মতে, রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার (বখতিয়ার ও তদ্বীয় সেনাপতিদের মাধ্যমে, ১২০৪-১২২৭ সা. অব্দ) আগে থেকে বাংলার বিভিন্ন এলাকায় সুফি সাধকরা তাদের খানকাহ স্থাপন করেছিলেন। অন্যদিকে আবদুল করিম নানা যুক্তিতর্ক ও কিংবদন্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তাব করেন যে, রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পর, সম্ভবত রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক বছরগুলোতেই সুফিরা বাংলার বিভিন্ন এলাকায় খানকাহ স্থাপন করেছিলেন। আবদুল করিম বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার চারজন সুফি সম্পর্কিত প্রচলিত কিংবদন্তি এবং ঐতিহাসিক দলিলাদি বিশ্লেষণ করেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। এ চারজন সুফি হলেন:
১. বাবা আদম শহিদ (বিক্রমপুর, মুন্সিগঞ্জ),
২. শাহ সুলতান রুমি (মদনপুর, কেন্দুয়া, নেত্রকোনা),
৩. শাহ সুলতান মাহি সাওয়ার (মহাস্থানগড়, বগুড়া) এবং
৪. মখদুম শাহ দৌলা (শাহজাদপুর, পাবনা)।
কালক্রম নির্ধারণের সংকট সৃষ্টির পেছনে রয়েছে আকরসূত্রের (Primary
Source) অনুপস্থিতি। চূড়ান্ত ফয়সালার পথ এড়িয়ে সুফি মখদুম শাহের জীবনসংক্রান্ত নানা কিংবদন্তি পরবর্তী অংশে দেয়া হলো।
মৌলভি আবদুল ওয়ালি জার্নাল অব দ্য এশিয়াটিক সোসাইটিতে ১৯০৪ সালে ‘অ্যান্টিকুইটিস অ্যান্ড ট্রাডিশনস অব শাহজাদপুর’ নিবন্ধে মখদুম শাহ দৌলার পরিচয় নিয়ে স্থানীয় কিংবদন্তিমালা সংগ্রহ করে প্রকাশ করেছিলেন। আবদুল ওয়ালি সংগৃহীত লোকগাথার সারাংশ নিম্নরূপ:
ইয়েমেনের
জনৈক রাজা
মুয়াজ বিন
জবলের এক
কন্যা ও
দুই পুত্রের
একজন ছিলেন
মখদুম শাহ
দৌলা। পিতার
অনুমতি নিয়ে
তিনি নিজে
এবং আরো
বারো জন
আউলিয়াসহ বিধর্মীদের
দেশে ইসলাম
প্রচারের উদ্দেশ্যে
বের হন।
এছাড়া স্বীয়
বোন এবং
খাজা কালান
দানিশমন্দ, খাজা
নূর ও
খাজা আনোয়ার
নামে তার
তিন ভাগনে
তার সঙ্গী
হয়েছিলেন। পথিমধ্যে
বোখারাতে শেখ
জালালুদ্দিন বোখারীর
সঙ্গে তার
দেখা হয়।
শুভেচ্ছার নিদর্শনস্বরূপ
তিনি মখদুম
শাহকে ধূসর
রঙের এক
জোড়া কবুতর
উপহার দেন।
বোখারা থেকে
দলটি বাংলা
অভিমুখে যাত্রা
করে। তিনি
দলবলসহ বাংলায়
এসে জনৈক
হিন্দু রাজার
শাসনাধীন শাহজাদপুর
নামক লোকালয়ে
বসবাস শুরু
করেন। ওই
রাজার রাজ্য
বিহার পর্যন্ত
বিস্তৃত ছিল।
মখদুম শাহ
ও তার
অনুসারীদের উত্খাত
করার জন্য
রাজা আদেশ
দেন। ফলে
দুই দলের
মধ্যে তীব্র
যুদ্ধ শুরু
হয়। যুদ্ধে
খাজা নূর
ব্যতীত মখদুম
শাহ ও
তার অন্যান্য
সঙ্গী শাহাদত
বরণ করেন।
(আবদুল করিম,
বাংলাপিডিয়া, ভুক্তি
নাম ‘মখদুম
শাহ’)
স্থানীয় লোকগাথায় বর্ণিত হয়েছে যে মখদুম শাহের বোনেরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। ইয়েমেনের শাহজাদার স্মরণে ওই এলাকাটির নাম হয় শাহজাদপুর। মধ্যযুগে এটি পরগনা ইউসুফ শাহির অন্তর্গত ছিল। ১৮৪৩ সালের পাবনা কালেক্টরের ২৭ নং রোবকারি অনুযায়ী দরগা ও মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৭২২ বিঘা জমি ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে লাখেরাজ (নিষ্কর) সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানেও এ বিধানটি প্রচলিত আছে।
পাবনা জেলার পোতাজিয়া নিবাসী জনৈক ভবানীনাথ মখদুম শাহ সম্পর্কে একটু ভিন্ন মাত্রার কিংবদন্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। হিন্দু বিজ্ঞান সূত্র-এর পঞ্চম সংখ্যায় প্রকাশিত লোকগল্পটির ভাষ্য রাধারমণ সাহা পাবনা জেলার ইতিহাসে উদ্ধৃত করেন এভাবে:
মক্দুম
[মখদুম শাহ]
সাহেব পারস্য
দেশীয় জনৈক
সামন্ত নরপতি।
মুসলমান রাজত্বকালে
তিনি বহু
ধনসম্পত্তি ও
আত্মীয়স্বজনসহ ভারতে
আগমন করেন।
এ দেশে
আসার পরে
তিনি সর্বদা
ফকিরের ন্যায়
কালাতিপাত করিতেন।
কালক্রমে বঙ্গের
তদানীন্তন রাজধানী
গৌড়নগরে উপস্থিত
হন। তথায়
পোতাজিয়া নিবাসী
ভৃগুনন্দীর পুত্র
মাধবের বংশধরগণের
সহিত তাহার
ভাগিনেয় খেজনুর
সাহেবের পরিচয়
হয়। উক্ত
খেজনুর সাহেব
সময় সময়
দুর্গোৎসব উপলক্ষে
পোতাজিয়া গ্রামে
নৌকা বাইচ
দেখিতে আসিতেন।
ঐ গ্রামের
সৌন্দর্য দর্শনে
প্রীত হইয়া
কালে তথায়
বাস করিবার
অভিপ্রায়ে তিনি
মাতুলের অনুমতিক্রমে
পোতাজিয়া গ্রামে
যে দীঘি
খনন করেন,
তাহা অদ্যাপি
খোয়াজ দীঘি
নামে পরিচিত।
কালক্রমে
মক্দুম সাহেবও
মুসলমান ধর্ম
প্রচার উপলক্ষে
এতদ্দেশে আগমন
করতঃ এতদঞ্চলে
স্থায়ী হন
এবং উক্ত
সাহাজাদা মক্দুম
সাহেব স্বীয়
নামানুসারে শাহজাদপুর
গ্রাম স্থাপনপূর্বক
তথায় বর্তমান
মসজিদটি নির্মাণ
করেন।
উল্লিখিত মসজিদটির স্থাপত্যরীতি ও অলংকরণশৈলীর আলোকে এটিকে পনেরো শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞগণ মত প্রকাশ করেন। মসজিদটির কার্নিশের নিচে টেরাকোটা সজ্জার একটি মাত্র সারি অক্ষতভাবে দৃশ্যমান। এ টেরাকোটা প্যানেলের ঝুলন্ত শিকল ঘণ্টা, চক্রাকার ফুল, লতাপাতা ও জ্যামিতিক নকশার সঙ্গে সুলতানি যুগের অন্যান্য স্থাপনায় উপস্থাপিত নকশা বহুল সাদৃশ্য রয়েছে। মসজিদটির ছাদে তিনটি সারিতে পনেরোটি স্কন্ধবিহীন অনুচ্চ গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া জুল্লা (নামাজগৃহ)-এর অভ্যন্তরে দুই সারিতে আটটি কালো ব্যাসাল্ট পাথরের পিলার দৃশ্যমান।
মৌলভি আবদুল ওয়ালি, পোতাজিয়া নিবাসী ভবানীনাথ এবং রাধারমণ সাহার উপস্থাপিত লোকগাথা বিশ্লেষণে মখদুম শাহ দৌলা শহিদের সময় নিরূপণ দুঃসাধ্য। স্থানীয় হিন্দু রাজার সঙ্গে যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন বিধায় তার নামের শেষে ‘শহিদ’ গুণবাচক লফজটি যোগ হয়েছে। টেরাকোটা প্যানেল, অনুচ্চ স্কন্ধবিহীন গম্বুজ, অভ্যন্তরের ব্ল্যাক ব্যাসল্ট পাথরের ব্যবহার ইত্যাদির আলোকে মখদুম শাহের মসজিদটির কালপর্ব পনেরো শতক হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে। সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানি তার পত্রে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের সুফিদের তৎপরতার যে ঝলক বলেছিলেন সম্ভবত সেই সুফি জনগোষ্ঠীর অন্যতম সদস্য ছিলেন পাবনার মখদুম শাহ দৌলা শহিদ।
তথ্যসূত্র
১. সুখময়
মুখোপাধ্যায়, বাংলার ইতিহাস
১২০৪-১৫৭৬,
ঢাকা:
খান ব্রাদার্স
অ্যান্ড কোম্পানি,
প্রথম প্রকাশ
২০০০ (দ্বিতীয়
সংস্করণ ২০০৫)।
২. এম
এ রহিম,
বাংলার
সামাজিক ও
সাংস্কৃতিক ইতিহাস
প্রথম খণ্ড,
১২০৪-১৫৭৬
(মোহাম্মদ
আসাদুজ্জামান অনূদিত),
ঢাকা: বাংলা
একাডেমি, ১৯৮২।
৩. আবদুল
করিম, বাংলার মুসলমানদের সামাজিক ইতিহাস, (মোকাদ্দেসুর
রহমান অনূদিত),
ঢাকা: বাংলা
একাডেমি, ১৯৯০।
৪. মুহাম্মদ
এনামুল হক,
আ
হিস্ট্রি অব
সুফি-ইসম
ইন বেঙ্গল, ঢাকা:
এশিয়াটিক সোসাইটি
অব বাংলাদেশ,
১৯৭৫।
৫. অমিত
দে, ‘সুফি
সিলসিলাহ’, আবদুল
করিম চৌধুরী
সম্পাদিত, বাংলাদেশের ইতিহাস
সুলতানি ও
মোগল যুগ
(আনু. ১২০০-১৮০০ সা.
অব্দ), দ্বিতীয় খণ্ড
সমাজ অর্থনীতি
সংস্কৃতি, ঢাকা:
বাংলাদেশ এশিয়াটিক
সোসাইটি, ২০২০,
পৃষ্ঠা: ২৯১-৩০৪।
৬. রাধারমণ
সাহা, পাবনা জেলার
ইতিহাস (১-৬ খণ্ড একত্রে)
সম্পাদনা/সংযোজন
কমল চৌধুরী,
কলকাতা: পুস্তক
বিপণি, প্রথম
প্রকাশ জানুয়ারি
২০০০ (১ম
ও ২য়
খণ্ড ১৩০০
বঙ্গাব্দ, ৩য়-৬ষ্ঠ
খণ্ড ১৩৩৩
বঙ্গাব্দ)।
৭. সিরাজুল
ইসলাম সম্পাদিত,
বাংলাপিডিয়া, ঢাকা:
বাংলাদেশ এশিয়াটিক
সোসাইটি, দ্বিতীয়
সংস্করণ, ২০১৪।
শহিদুল হাসান: সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়





