সে এখন গোধূলির বিপরীতে আরো এক গভীর প্লাবন
অনুজা দুঃখের মতো সৌম্য আর বেদনার সুতিশাড়ি ঘিরে
এক শান্ত-স্নিগ্ধ-সমাহিত নানাবর্ণ সুচকর্মে সুনিপুণ
বিরহ বর্ণনা... কিন্তু অন্তরালে পর্যাপ্ত অনল...
সে এখন পাখির ডানার ঘ্রাণ, চঞ্চুময় ভালোবাসা
হরিণীর চোখের বিস্ময়; আত্মরত পূর্ণিমার মধ্যরাতে
ঝিঁঝিঁদের সঙ্গিনী বালিশ... অনুমতি এবং নিষেধ...
সে এখন অপার মমতা মোমে জ্বলে ওঠা অদৃশ্য দহন
শীতল দীঘির মতো নৈকট্যের গাঢ় হাতছানি...
আলোক বর্ষের মতো অপার দূরত্ব থেকে আমি তার
বিন্যাস ছুঁয়ে দেখি, কেঁপে ওঠে মানবীর সমুদয় ভাঁজ ও কল্লোল...
জল ও বায়ুর মতো সে আমার দেহে-মনে রন্ধ্রে রন্ধ্রে
লেপ্টে মিশে থাকে;
একটি কাচের ঘরে আপাদমস্তক তার অনাবৃত
সফল যৌবন... ছুঁতে গিয়ে সকরুণ কাচে আজ আটকে আছে
আহত আঙুল অথবা আঙুলে শৈশব বাসনা...
দুই পৃথিবীতে দুই জীবন্ত মমির গান বেজে বেজে অসফল,
স্তব্ধ হয়ে যায়... সে এখন স্বপ্নোদ্যানে হেঁটে যায়
দুঃখগ্রস্ত, পূর্ণ প্রজাপতি...
মহাপৃথিবীর দিকে যেতে যেতে বহুফুল ঝরেছিল একদিন
মানুষ বা মানুষীর সুরেলা কান্নায়...
সে সব সংগীত থেকে সুরগুলো খুঁটে তুলে
সে এখন রাঙা রাজহাঁস... হেসে যায়, ভেসে যায়
স্বপ্নে-ছন্দে বিনীত রাত্রির মতো নিরীহ কান্নায়...





