বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচের সপ্তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় বেলজিয়াম। তবে কেভিন ডি ব্রুইনের ডান পায়ের শট পোস্টের বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।

২০তম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগেই এগিয়ে যায় মিসর। মোহাম্মদ সালাহর অ্যাসিস্ট থেকে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শটে গোল করেন ইমাম আশওয়ার।

পরের ১৫ মিনিটে অনেকগুলো সুযোগ তৈরি করে বেলজিয়াম, কাউন্টার অ্যাটাক করেছে মিসরও। তবে প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে ৪৬ মিনিটে জেরেমি ডকু বারের ওপর দিয়ে মেরে বসেন। ৫৩ মিনিটে বক্সের খুব কাছে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি কিক পায় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনের মাপা শট পোস্টে লেগে গেলে গোলবঞ্চিত হয় তারা।

দুই মিনিট পর মিসরও একটুর জন্য গোল পায়নি। বক্সের মধ্যে সালাহর হেড কর্তোয়া ঠেকালেও পরের শটে গোল পেতে পারতেন আশওয়ার। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হন তিনিও।

ম্যাচের ৬২ মিনিট পার করে প্রথম অন টার্গেট শর্ট নেয় বেলজিয়াম। কিন্তু কেভিন ডি ব্রুইনের সেই শটে একদমই জোর ছিল না। সহজেই ধরে ফেলেন গোলরক্ষক শোবেইর।

৬৫ মিনিটে রোমেলু লুকাকুকে মাঠে নামান বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া। তাতেই ভাগ্য বদলায়। মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ক্রস থেকে বল পেয়ে পায়ে লাগাতে যাচ্ছিলেন লুকাকু। সেটি ঠেকাতে গিয়ে মোহাম্মদ হানির পায়ে লেগে বল জালে ঢুকে যায়। মিশরের সেই আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

শেষ দিকে দুদলই বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও কাজের কাজ গোল আদায় করতে পারেনি। এতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।