মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বলেছিলেন, ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতার জন্য এখানে আসিনি। চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছি। এ টুর্নামেন্টে যদি একটিও গোল না করি, কিন্তু শিরোপা জিতি, তাহলে আমার চেয়ে খুশি আর কেউ হবে না।

ম্যাচে ব্রাজিল ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়া অবস্থায়, দলের তারকা ভিনিসিয়ুসই এগিয়ে আসেন। দুর্দান্ত এক গোল করে তিনি কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলকে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট এনে দেন।

ম্যাচ শেষে লেফট-ব্যাক ডগলাস সান্তোস বলেন, ভিনিসিয়ুস একজন জিনিয়াস। ড্রিবলিংয়ে তাকে থামানো খুব কঠিন। সে খুব সহজেই প্রতিপক্ষকে কাটাতে পারে। এবারও সেটাই করেছে। দারুণ ছিল গোলটি।

ব্যক্তিগত পুরস্কার নিয়ে অনাগ্রহের কথা বললেও, ঠিকই ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। কিংবদন্তি রোনালদো তাকে নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের মাঠে ম্যাচসেরার পুরস্কার তুলে দেন।

ভিনিসিয়ুস বলেন, আমি মনে করি আমি অনেক উন্নতি করতে পারি। আমি গোল করেছি, কিন্তু টেকনিক্যালি আমি পুরোপুরি ১০০ ভাগ দেয়া সম্ভব হয়নি। আমি আরো উন্নতি করতে চাই এবং আক্রমণে বেশি অবদান রাখতে চাই। আমি রক্ষণেও দলকে সাহায্য করেছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা প্রথমার্ধে খুব খারাপ শুরু করেছি। প্রথম ম্যাচে ছন্দ খুঁজে পাওয়া সবসময়ই কঠিন। আমাদের বলের দখল আরো বাড়াতে হবে, পাসিং নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষ সবসময় কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ খোঁজে।

ব্রাজিলিয়ান এ তারকা আরো বলেন, বলার মতো বেশি কিছু নেই। আমাদের এখনই কাজে ফিরতে হবে, কারণ পরের ম্যাচ খুব কাছেই। বিশ্বকাপে কোনো সহজ ম্যাচ নেই। শিরোপা জিততে হলে আমাদের উন্নতি করতে হবে।

ডগলাস সান্তোস বলেন, এটা আমাদের প্রথম ম্যাচ ছিল। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ছিল, তাই কঠিন হবে সেটা আমরা জানতাম। ফলটা আমাদের প্রত্যাশামতো হয়নি, তবে পিছিয়ে থেকেও ড্র করতে পারাটা আমাদের আত্মবিশ্বাস দেবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, জিততে চেয়েছিলাম। ইতিবাচক দিকগুলো নেব, তবে এটাও জানি আমাদের আরো ভালো করতে হবে।

ব্রাজিল তাদের পরবর্তী ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে। ম্যাচটি মাঠে গড়াবে শুক্রবার ফিলাডেলফিয়ায়।