কে-পপ গ্রুপ বিটিএসের জনপ্রিয় সদস্য জাঙ্কুক। সামরিক দায়িত্ব শেষ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার সিউলের অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের চেষ্টা করেন এক চীনা নারী। তিরিশের কোঠায় বয়স সে নারীর। বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২০ মিনিটে জাঙ্কুকের বাড়ির কম্বিনেশন লকে এলোমেলো নম্বর চাপতে দেখা যায় তাকে।
পুলিশ জানায়, তিনি স্বীকার করেছেন যে কেবল বিটিএস তারকা জাঙ্কুককে দেখার উদ্দেশ্যে তিনি কোরিয়ায় এসেছেন। সেজন্যই মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেছিলেন কম্বিনেশন লক খুলে ভেতরে প্রবেশ করার। কিন্তু লাভ হলো না। ক্ষতিই বেশি হলো। কেননা শেষ পর্যন্ত তাকে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
এ সপ্তাহেই জাঙ্কুক ও তার আরো তিন ব্যান্ডমেট বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ শেষ করে সে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। এতে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রিয় ব্যান্ড বিটিএসের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা করছেন।
মঙ্গলবার প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন আরএম ও ভি। এ মাসের শেষ নাগাদ বিটিএসের সব সদস্যই সামরিক দায়িত্ব শেষ করবেন বলে জানা গেছে। তাদের এজেন্সি হাইব একটি পুনর্মিলনের ইঙ্গিত দিয়েছে।
হাইবে সদর দপ্তরের সামনে শত শত ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন, অনেকেই বিদেশ থেকে উড়ে এসেছেন। তারা বিটিএসের প্রতীকী রঙ বেগুনি পোশাক পরে এবং ব্যান্ডের ছবি ও ব্যানার নিয়ে হাজির হন।
জাঙ্কুক ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘অনেক দিন পর ক্যামেরার সামনে এসে একটু লজ্জা লাগছে। আমি তো মেকআপও করিনি।’
উল্লেখ্য, বিটিএস ২০২২ সালে তাদের খ্যাতির তুঙ্গে থাকা সময়ে বিরতিতে যায়। কেননা ব্যান্ড সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণের সময় হয়ে এসেছিল। দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৮-২৮ বছর বয়সী সব সক্ষম পুরুষের জন্য প্রায় দুই বছরের সামরিক সেবা বাধ্যতামূলক। বিটিএস ২০২২ সালে তাদের খ্যাতির শীর্ষ মুহূর্তে বিরতিতে যায়। ২০২০ সালের একটি আইন অনুযায়ী বিটিএস সদস্যরা বিশেষ সুযোগ পেয়েছিল। ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রশিক্ষণে যাওয়া স্থগিতের সুযোগ পেয়েছিলেন তারা। এরপর ২০২২ সালে প্রথমে জিন নাম লেখান, পরে অন্যরাও যোগ দেন। এবার তাদের ফেরার সময়।
সূত্র: বিবিসি










